রাঙামাটি জেলা-এ স্ত্রী শেফালি চাকমাকে হত্যার দায়ে স্বামী আদাইধন চাকমাকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তাকে ২০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড করা হয়েছে। অর্থদণ্ড অনাদায়ে আরও ৬ মাসের কারাদণ্ড ভোগ করতে হবে।
বুধবার (১১ মার্চ) দুপুর ১টার দিকে রাঙামাটি জেলা ও দায়রা জজ আদালত-এর বিচারক মো. আহসান তারেখ এ রায় ঘোষণা করেন।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, ২০২৩ সালের ২৪ আগস্ট বরকল উপজেলা-এর শুবলং ইউনিয়ন-এর পিপড়াছড়ি গ্রামে পারিবারিক কলহের জেরে চার সন্তানের জননী শেফালি চাকমাকে ধারালো দা দিয়ে কুপিয়ে হত্যা করেন তার স্বামী আদাইধন চাকমা।
ঘটনার পর নিহতের চাচা কিরণ বিকাশ চাকমা বাদী হয়ে বরকল থানা-এ অভিযুক্তের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা দায়ের করেন। পরে পুলিশ অভিযান চালিয়ে আসামিকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয়।
দীর্ঘ ২ বছর ৬ মাস ১৮ দিন ধরে মামলার সাক্ষীদের সাক্ষ্য-প্রমাণ পর্যালোচনা শেষে আদালত আসামিকে দোষী সাব্যস্ত করেন। বাংলাদেশ দণ্ডবিধির ৩০২ ধারা অনুযায়ী তাকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড এবং ২০ হাজার টাকা অর্থদণ্ডের আদেশ দেওয়া হয়।
রাঙামাটি জেলা ও দায়রা জজ আদালতের রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট প্রতিম রায় পাম্পু বলেন, এ রায় সন্তোষজনক। এর মাধ্যমে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবার ন্যায়বিচার পেয়েছে।

বুধবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৩ মার্চ ২০২৬
রাঙামাটি জেলা-এ স্ত্রী শেফালি চাকমাকে হত্যার দায়ে স্বামী আদাইধন চাকমাকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তাকে ২০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড করা হয়েছে। অর্থদণ্ড অনাদায়ে আরও ৬ মাসের কারাদণ্ড ভোগ করতে হবে।
বুধবার (১১ মার্চ) দুপুর ১টার দিকে রাঙামাটি জেলা ও দায়রা জজ আদালত-এর বিচারক মো. আহসান তারেখ এ রায় ঘোষণা করেন।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, ২০২৩ সালের ২৪ আগস্ট বরকল উপজেলা-এর শুবলং ইউনিয়ন-এর পিপড়াছড়ি গ্রামে পারিবারিক কলহের জেরে চার সন্তানের জননী শেফালি চাকমাকে ধারালো দা দিয়ে কুপিয়ে হত্যা করেন তার স্বামী আদাইধন চাকমা।
ঘটনার পর নিহতের চাচা কিরণ বিকাশ চাকমা বাদী হয়ে বরকল থানা-এ অভিযুক্তের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা দায়ের করেন। পরে পুলিশ অভিযান চালিয়ে আসামিকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয়।
দীর্ঘ ২ বছর ৬ মাস ১৮ দিন ধরে মামলার সাক্ষীদের সাক্ষ্য-প্রমাণ পর্যালোচনা শেষে আদালত আসামিকে দোষী সাব্যস্ত করেন। বাংলাদেশ দণ্ডবিধির ৩০২ ধারা অনুযায়ী তাকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড এবং ২০ হাজার টাকা অর্থদণ্ডের আদেশ দেওয়া হয়।
রাঙামাটি জেলা ও দায়রা জজ আদালতের রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট প্রতিম রায় পাম্পু বলেন, এ রায় সন্তোষজনক। এর মাধ্যমে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবার ন্যায়বিচার পেয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন