সিরাজগঞ্জের সদর উপজেলার বাগবাটি ইউনিয়নে ভিজিএফ (ভালনারেবল গ্রুপ ফিডিং) কর্মসূচির আওতায় অসহায় ও দুস্থ পরিবারের মাঝে চাল বিতরণ করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার সকালে বাগবাটী ইউনিয়ন পরিষদ চত্বরে আয়োজিত এ কর্মসূচির মাধ্যমে ইউনিয়নের ৪ হাজার ১১৬ জন উপকারভোগীর মাঝে ১০ কেজি করে চাল বিতরণ করা হয়। চাল বিতরণ কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসক মো. আতিকুর রহমান।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন ট্যাগ অফিসার সিরাজুল মনির, ইউনিয়ন পরিষদের সচিব মো. মাসুদ রানা, ইউনিয়ন পরিষদের ইউপি সদস্য রুহুল আমিন, আব্দুল মান্নান, রফিকুল ইসলাম, আব্দুল মোমিন সহ ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সভাপতি রেজাউর রহমান দুদু খান সহ ইউনিয়ন এবং ওয়ার্ড পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ ও গ্রাম পুলিশের সদস্যরা।
উদ্বোধন শেষে ২ নং ওয়ার্ড এর ইউপি সদস্য রুহুল আমিন বলেন, সরকারের ভিজিএফ কর্মসূচির মাধ্যমে অসহায় ও নিম্ন আয়ের মানুষের পাশে দাঁড়ানো হচ্ছে। বিশেষ করে উৎসবকে সামনে রেখে এসব সহায়তা দরিদ্র মানুষের জন্য কিছুটা স্বস্তি বয়ে আনে।
চাল বিতরণ কার্যক্রম সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, ইউনিয়ন পরিষদের কর্মকর্তা-কর্মচারী ও গ্রাম পুলিশের সদস্যরা সার্বিক সহযোগিতা করেন।
উপকারভোগীরা জানান, দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির এই সময়ে সরকারের দেওয়া খাদ্য সহায়তা তাদের পরিবারের জন্য অনেক উপকারে এসেছে। এতে অন্তত কয়েকদিনের খাদ্যসংস্থান নিশ্চিত হওয়ায় তারা স্বস্তি পাচ্ছেন বলে জানান।

বুধবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৩ মার্চ ২০২৬
সিরাজগঞ্জের সদর উপজেলার বাগবাটি ইউনিয়নে ভিজিএফ (ভালনারেবল গ্রুপ ফিডিং) কর্মসূচির আওতায় অসহায় ও দুস্থ পরিবারের মাঝে চাল বিতরণ করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার সকালে বাগবাটী ইউনিয়ন পরিষদ চত্বরে আয়োজিত এ কর্মসূচির মাধ্যমে ইউনিয়নের ৪ হাজার ১১৬ জন উপকারভোগীর মাঝে ১০ কেজি করে চাল বিতরণ করা হয়। চাল বিতরণ কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসক মো. আতিকুর রহমান।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন ট্যাগ অফিসার সিরাজুল মনির, ইউনিয়ন পরিষদের সচিব মো. মাসুদ রানা, ইউনিয়ন পরিষদের ইউপি সদস্য রুহুল আমিন, আব্দুল মান্নান, রফিকুল ইসলাম, আব্দুল মোমিন সহ ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সভাপতি রেজাউর রহমান দুদু খান সহ ইউনিয়ন এবং ওয়ার্ড পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ ও গ্রাম পুলিশের সদস্যরা।
উদ্বোধন শেষে ২ নং ওয়ার্ড এর ইউপি সদস্য রুহুল আমিন বলেন, সরকারের ভিজিএফ কর্মসূচির মাধ্যমে অসহায় ও নিম্ন আয়ের মানুষের পাশে দাঁড়ানো হচ্ছে। বিশেষ করে উৎসবকে সামনে রেখে এসব সহায়তা দরিদ্র মানুষের জন্য কিছুটা স্বস্তি বয়ে আনে।
চাল বিতরণ কার্যক্রম সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, ইউনিয়ন পরিষদের কর্মকর্তা-কর্মচারী ও গ্রাম পুলিশের সদস্যরা সার্বিক সহযোগিতা করেন।
উপকারভোগীরা জানান, দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির এই সময়ে সরকারের দেওয়া খাদ্য সহায়তা তাদের পরিবারের জন্য অনেক উপকারে এসেছে। এতে অন্তত কয়েকদিনের খাদ্যসংস্থান নিশ্চিত হওয়ায় তারা স্বস্তি পাচ্ছেন বলে জানান।

আপনার মতামত লিখুন