মালদ্বীপের ধীগুরা আইল্যান্ডের একটি নির্মাণাধীন কোম্পানির লেবার কোয়ার্টারে ভয়াবহ গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণে পাঁচজন বাংলাদেশি প্রবাসী নিহত হয়েছেন। শুক্রবার ১৩ মার্চ মালদ্বীপের বাংলাদেশ হাইকমিশন এই শোকাবহ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে নিহত ও আহতদের পরিচয় প্রকাশ করেছে।
ভয়াবহ এই বিস্ফোরণে ঘটনাস্থলে এবং হাসপাতালে নেওয়ার পথে প্রাণ হারান তাজ উদ্দিন ইসলাম, মো. সদর আলী, মো. রবিন মোল্লা, সফিকুল ইসলাম এবং মো. নূরনবী সরকার। এছাড়া এই দুর্ঘটনায় আরও দুজন বাংলাদেশি গুরুতর দগ্ধ হয়েছেন। আহত জামাল উদ্দিন ও সাদ্দাম হোসেনকে বর্তমানে রাজধানী মালের আইজিএম হাসপাতালে নিবিড় পর্যবেক্ষণে চিকিৎসা প্রদান করা হচ্ছে।
বাংলাদেশ হাইকমিশন থেকে জানানো হয়েছে যে তারা ইতিমধ্যে আহতদের শারীরিক অবস্থার সার্বক্ষণিক খোঁজখবর রাখছেন এবং চিকিৎসকদের সঙ্গে যোগাযোগ রক্ষা করছেন। নিহতদের পরিবারকে এই মর্মান্তিক দুঃসংবাদ পৌঁছে দেওয়ার পাশাপাশি মৃতদেহগুলো দ্রুততম সময়ের মধ্যে দেশে পাঠানোর জন্য প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক প্রক্রিয়া ও দাপ্তরিক উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে।
প্রাথমিক তথ্যানুযায়ী লেবার কোয়ার্টারের রান্নাঘরে থাকা গ্যাস সিলিন্ডার থেকেই এই বিস্ফোরণের সূত্রপাত ঘটে। নির্মাণাধীন ওই আবাসনস্থলে কর্মরত প্রবাসীদের মধ্যে এই ঘটনায় গভীর শোক ও আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। হাইকমিশন এই অনাকাঙ্ক্ষিত মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছে এবং ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোকে সব ধরনের সহায়তা প্রদানের আশ্বাস দিয়েছে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৩ মার্চ ২০২৬
মালদ্বীপের ধীগুরা আইল্যান্ডের একটি নির্মাণাধীন কোম্পানির লেবার কোয়ার্টারে ভয়াবহ গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণে পাঁচজন বাংলাদেশি প্রবাসী নিহত হয়েছেন। শুক্রবার ১৩ মার্চ মালদ্বীপের বাংলাদেশ হাইকমিশন এই শোকাবহ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে নিহত ও আহতদের পরিচয় প্রকাশ করেছে।
ভয়াবহ এই বিস্ফোরণে ঘটনাস্থলে এবং হাসপাতালে নেওয়ার পথে প্রাণ হারান তাজ উদ্দিন ইসলাম, মো. সদর আলী, মো. রবিন মোল্লা, সফিকুল ইসলাম এবং মো. নূরনবী সরকার। এছাড়া এই দুর্ঘটনায় আরও দুজন বাংলাদেশি গুরুতর দগ্ধ হয়েছেন। আহত জামাল উদ্দিন ও সাদ্দাম হোসেনকে বর্তমানে রাজধানী মালের আইজিএম হাসপাতালে নিবিড় পর্যবেক্ষণে চিকিৎসা প্রদান করা হচ্ছে।
বাংলাদেশ হাইকমিশন থেকে জানানো হয়েছে যে তারা ইতিমধ্যে আহতদের শারীরিক অবস্থার সার্বক্ষণিক খোঁজখবর রাখছেন এবং চিকিৎসকদের সঙ্গে যোগাযোগ রক্ষা করছেন। নিহতদের পরিবারকে এই মর্মান্তিক দুঃসংবাদ পৌঁছে দেওয়ার পাশাপাশি মৃতদেহগুলো দ্রুততম সময়ের মধ্যে দেশে পাঠানোর জন্য প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক প্রক্রিয়া ও দাপ্তরিক উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে।
প্রাথমিক তথ্যানুযায়ী লেবার কোয়ার্টারের রান্নাঘরে থাকা গ্যাস সিলিন্ডার থেকেই এই বিস্ফোরণের সূত্রপাত ঘটে। নির্মাণাধীন ওই আবাসনস্থলে কর্মরত প্রবাসীদের মধ্যে এই ঘটনায় গভীর শোক ও আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। হাইকমিশন এই অনাকাঙ্ক্ষিত মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছে এবং ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোকে সব ধরনের সহায়তা প্রদানের আশ্বাস দিয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন