মধ্যপ্রাচ্যের চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতিতে দেশের সমুদ্রপথে জ্বালানি সরবরাহ নিরবচ্ছিন্ন রাখতে বাংলাদেশ নৌবাহিনী সর্বোচ্চ সতর্কতায় দায়িত্ব পালন করছে। চট্টগ্রাম সমুদ্র বন্দর সংলগ্ন এলাকা, গভীর সমুদ্র এবং জ্বালানি পরিবহন সংশ্লিষ্ট গুরুত্বপূর্ণ সমুদ্রপথে নৌবাহিনীর টহল ও নজরদারি কার্যক্রম আরও জোরদার করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর) থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বাংলাদেশের জলসীমায় অবস্থানরত এলএনজি, এলপিজি এবং পেট্রোল, ডিজেল ও জেট ফুয়েলসহ বিভিন্ন ধরনের জ্বালানি পরিবহনকারী ক্রুড অয়েলবাহী জাহাজগুলোর নিরাপত্তা নিশ্চিত করা নৌবাহিনীর নিয়মিত দায়িত্বের অংশ। তবে আন্তর্জাতিক ও আঞ্চলিক নিরাপত্তা পরিস্থিতির পরিপ্রেক্ষিতে এই নিরাপত্তা ব্যবস্থাকে আরও শক্তিশালী করা হয়েছে।
এই জোরদার নিরাপত্তা কার্যক্রমের আওতায় নৌবাহিনীর যুদ্ধজাহাজ ও দ্রুতগামী বোটের পাশাপাশি মেরিটাইম প্যাট্রোল এয়ারক্রাফট এবং হেলিকপ্টার মোতায়েন করা হয়েছে। এই প্ল্যাটফর্মগুলোর মাধ্যমে সমুদ্রপথে সার্বক্ষণিক টহল, আকাশ থেকে নজরদারি এবং সন্দেহজনক জাহাজ বা নৌযানের গতিবিধি পর্যবেক্ষণের কাজ পরিচালনা করা হচ্ছে। এর ফলে জ্বালানিবাহী জাহাজগুলোর নিরাপদ চলাচল, নোঙর এবং বন্দরে প্রবেশ ও বহির্গমন নিশ্চিত করা সম্ভব হচ্ছে।
সম্ভাব্য চোরাচালান, অপতৎপরতা বা অবৈধ কর্মকাণ্ড প্রতিরোধে যেকোনো পরিস্থিতিতে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নিতে সমুদ্র ও উপকূলীয় এলাকায় নৌবাহিনীর বিশেষ অপারেশনাল টিম সার্বক্ষণিক প্রস্তুত রয়েছে। দেশের জ্বালানি সরবরাহ ব্যবস্থার সামগ্রিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বন্দর কর্তৃপক্ষ, কোস্ট গার্ড, আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী এবং সংশ্লিষ্ট জ্বালানি সংস্থাগুলোর সাথে সমন্বয় করে কাজ করছে নৌবাহিনী। আইএসপিআর জানিয়েছে, দেশের জ্বালানি নিরাপত্তা ও সমুদ্রপথে বাণিজ্যিক কার্যক্রম নির্বিঘ্ন রাখতে এই বিশেষ নিরাপত্তা কার্যক্রম ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৩ মার্চ ২০২৬
মধ্যপ্রাচ্যের চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতিতে দেশের সমুদ্রপথে জ্বালানি সরবরাহ নিরবচ্ছিন্ন রাখতে বাংলাদেশ নৌবাহিনী সর্বোচ্চ সতর্কতায় দায়িত্ব পালন করছে। চট্টগ্রাম সমুদ্র বন্দর সংলগ্ন এলাকা, গভীর সমুদ্র এবং জ্বালানি পরিবহন সংশ্লিষ্ট গুরুত্বপূর্ণ সমুদ্রপথে নৌবাহিনীর টহল ও নজরদারি কার্যক্রম আরও জোরদার করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর) থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বাংলাদেশের জলসীমায় অবস্থানরত এলএনজি, এলপিজি এবং পেট্রোল, ডিজেল ও জেট ফুয়েলসহ বিভিন্ন ধরনের জ্বালানি পরিবহনকারী ক্রুড অয়েলবাহী জাহাজগুলোর নিরাপত্তা নিশ্চিত করা নৌবাহিনীর নিয়মিত দায়িত্বের অংশ। তবে আন্তর্জাতিক ও আঞ্চলিক নিরাপত্তা পরিস্থিতির পরিপ্রেক্ষিতে এই নিরাপত্তা ব্যবস্থাকে আরও শক্তিশালী করা হয়েছে।
এই জোরদার নিরাপত্তা কার্যক্রমের আওতায় নৌবাহিনীর যুদ্ধজাহাজ ও দ্রুতগামী বোটের পাশাপাশি মেরিটাইম প্যাট্রোল এয়ারক্রাফট এবং হেলিকপ্টার মোতায়েন করা হয়েছে। এই প্ল্যাটফর্মগুলোর মাধ্যমে সমুদ্রপথে সার্বক্ষণিক টহল, আকাশ থেকে নজরদারি এবং সন্দেহজনক জাহাজ বা নৌযানের গতিবিধি পর্যবেক্ষণের কাজ পরিচালনা করা হচ্ছে। এর ফলে জ্বালানিবাহী জাহাজগুলোর নিরাপদ চলাচল, নোঙর এবং বন্দরে প্রবেশ ও বহির্গমন নিশ্চিত করা সম্ভব হচ্ছে।
সম্ভাব্য চোরাচালান, অপতৎপরতা বা অবৈধ কর্মকাণ্ড প্রতিরোধে যেকোনো পরিস্থিতিতে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নিতে সমুদ্র ও উপকূলীয় এলাকায় নৌবাহিনীর বিশেষ অপারেশনাল টিম সার্বক্ষণিক প্রস্তুত রয়েছে। দেশের জ্বালানি সরবরাহ ব্যবস্থার সামগ্রিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বন্দর কর্তৃপক্ষ, কোস্ট গার্ড, আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী এবং সংশ্লিষ্ট জ্বালানি সংস্থাগুলোর সাথে সমন্বয় করে কাজ করছে নৌবাহিনী। আইএসপিআর জানিয়েছে, দেশের জ্বালানি নিরাপত্তা ও সমুদ্রপথে বাণিজ্যিক কার্যক্রম নির্বিঘ্ন রাখতে এই বিশেষ নিরাপত্তা কার্যক্রম ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।

আপনার মতামত লিখুন