ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনে সংসদ সদস্যদের জন্য সরবরাহকৃত হেডফোনের মান নিয়ে তীব্র অসন্তোষ প্রকাশ করে ঢাকা-১৪ আসনের সংসদ সদস্য মীর আহমাদ বিন কাসেম আরমান জানিয়েছেন যে এই ডিভাইস ব্যবহারের ফলে তার কানে ও মাথায় প্রচণ্ড ব্যথার সৃষ্টি হয়েছে। জামায়াতে ইসলামীর আমিরের পররাষ্ট্র উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্বরত এই আইনপ্রণেতা বৃহস্পতিবার ১২ মার্চ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে একটি পোস্টের মাধ্যমে সংসদের অডিও যন্ত্রপাতির এই বেহাল দশা তুলে ধরেন।
সংসদ সদস্য তার পোস্টে একটি হেডফোনের ছবি যুক্ত করে জানান যে অধিবেশন চলাকালে এটি ব্যবহার করতে গিয়ে তিনি চরম হতাশাজনক অভিজ্ঞতার সম্মুখীন হয়েছেন। মীর আহমাদ বিন কাসেম আরমান স্পষ্টভাবে উল্লেখ করেন যে যন্ত্রটির শব্দের গুণগত মান অত্যন্ত নিম্নপর্যায়ের এবং এর গঠনগত ত্রুটির কারণেই তার শারীরিক অস্বস্তি ও ব্যথার উদ্রেক হয়েছে।
সাউন্ড কোয়ালিটির সমালোচনা করে তিনি আরও লিখেছেন যে বর্তমানের এই নতুন ডিভাইসের চেয়ে সংসদের পুরনো আমলের যন্ত্রপাতি দিয়ে হয়তো আরও পরিষ্কার শব্দ শোনা সম্ভব ছিল। তার মতে এই ধরনের নিম্নমানের সরঞ্জাম সংসদ সদস্যদের স্বাভাবিক কার্যক্রমে বিঘ্ন ঘটাচ্ছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এই অভিযোগটি আসার পরপরই তা দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে এবং সাধারণ মানুষের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি করে।
সাধারণত জাতীয় সংসদের অধিবেশন চলাকালে স্পিকার বা অন্যান্য সদস্যদের বক্তব্য স্পষ্টভাবে শোনার সুবিধার্থে প্রতিটি আসনে নির্দিষ্ট হেডফোন দেওয়া থাকে। তবে সংসদীয় ইতিহাসে যন্ত্রপাতির মান নিয়ে কোনো সংসদ সদস্যের পক্ষ থেকে এমন প্রকাশ্য এবং সরাসরি অভিযোগ তোলার ঘটনা বিরল। এই ঘটনার পর সংসদের কারিগরি বিভাগ ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের ব্যবস্থাপনা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১২ মার্চ ২০২৬
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনে সংসদ সদস্যদের জন্য সরবরাহকৃত হেডফোনের মান নিয়ে তীব্র অসন্তোষ প্রকাশ করে ঢাকা-১৪ আসনের সংসদ সদস্য মীর আহমাদ বিন কাসেম আরমান জানিয়েছেন যে এই ডিভাইস ব্যবহারের ফলে তার কানে ও মাথায় প্রচণ্ড ব্যথার সৃষ্টি হয়েছে। জামায়াতে ইসলামীর আমিরের পররাষ্ট্র উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্বরত এই আইনপ্রণেতা বৃহস্পতিবার ১২ মার্চ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে একটি পোস্টের মাধ্যমে সংসদের অডিও যন্ত্রপাতির এই বেহাল দশা তুলে ধরেন।
সংসদ সদস্য তার পোস্টে একটি হেডফোনের ছবি যুক্ত করে জানান যে অধিবেশন চলাকালে এটি ব্যবহার করতে গিয়ে তিনি চরম হতাশাজনক অভিজ্ঞতার সম্মুখীন হয়েছেন। মীর আহমাদ বিন কাসেম আরমান স্পষ্টভাবে উল্লেখ করেন যে যন্ত্রটির শব্দের গুণগত মান অত্যন্ত নিম্নপর্যায়ের এবং এর গঠনগত ত্রুটির কারণেই তার শারীরিক অস্বস্তি ও ব্যথার উদ্রেক হয়েছে।
সাউন্ড কোয়ালিটির সমালোচনা করে তিনি আরও লিখেছেন যে বর্তমানের এই নতুন ডিভাইসের চেয়ে সংসদের পুরনো আমলের যন্ত্রপাতি দিয়ে হয়তো আরও পরিষ্কার শব্দ শোনা সম্ভব ছিল। তার মতে এই ধরনের নিম্নমানের সরঞ্জাম সংসদ সদস্যদের স্বাভাবিক কার্যক্রমে বিঘ্ন ঘটাচ্ছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এই অভিযোগটি আসার পরপরই তা দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে এবং সাধারণ মানুষের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি করে।
সাধারণত জাতীয় সংসদের অধিবেশন চলাকালে স্পিকার বা অন্যান্য সদস্যদের বক্তব্য স্পষ্টভাবে শোনার সুবিধার্থে প্রতিটি আসনে নির্দিষ্ট হেডফোন দেওয়া থাকে। তবে সংসদীয় ইতিহাসে যন্ত্রপাতির মান নিয়ে কোনো সংসদ সদস্যের পক্ষ থেকে এমন প্রকাশ্য এবং সরাসরি অভিযোগ তোলার ঘটনা বিরল। এই ঘটনার পর সংসদের কারিগরি বিভাগ ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের ব্যবস্থাপনা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।

আপনার মতামত লিখুন