আজ বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ ২০২৬) সকালে গাজীপুর সিটি করপোরেশনের বাসন থানাধীন ভিটিপাড়া এলাকা থেকে পুলিশ এক অটোরিকশা চালকের মরদেহ উদ্ধার করেছে। স্থানীয়রা সকালে মরদেহটি দেখে থানাকে খবর দেন, পরে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে মরদেহ উদ্ধার করে নিহতের পরিচয় শনাক্ত করেছে।
নিহত চালকের নাম ওসমান আলী, তিনি শেরপুর জেলার নকলা থানার বানেশ্বরদী এলাকার চান মিয়ারের ছেলে। দীর্ঘদিন ধরে পরিবার নিয়ে তিনি গাজীপুর সিটির গাছা থানার খাইলকুর এলাকায় বসবাস করতেন এবং অটোরিকশা চালিয়ে জীবিকা নির্বাহ করতেন। পুলিশ মরদেহ উদ্ধারের পর তার পরিচয় নিশ্চিত করেছে বলে জানানো হয়েছে।
স্থানীয় প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনী এ বিষয়ে তদন্ত শুরু করেছে। প্রাথমিক তথ্য থেকে মনে করা হচ্ছে, অটোরিকশা ছিনতাইয়ের পর তাকে হত্যা করা হয়ে থাকতে পারে বলে স্থানীয়রা ধারণা করছেন। তবে পুলিশ ঘটনার প্রকৃত কারণ উদঘাটনের জন্য তদন্ত চালিয়ে যাচ্ছে।
গাজীপুর অঞ্চলে অটোরিকশা চালকদের বিরুদ্ধে সহিংসতা ও অপরাধের কিছু ঘটনা আগেও সংবাদ হয়েছে। সম্প্রতি কালীগঞ্জ এলাকায় একটি ঘটনায় ছিনতাইকারীরা চালককে হত্যা করে মরদেহ শীতলক্ষ্যা নদীতে ফেলে দেয়ায় তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এই ধরনের ঘটনার পর এখানে অটোরিকশা চালকদের নিরাপত্তা নিয়ে জনমনে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।
স্থানীয়রা বলছেন, অটোরিকশা চালকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রশাসনের আরও কার্যকর পদক্ষেপ আশা করছেন তারা। অপরদিকে পুলিশ জানিয়েছে, সব সম্প্রতিক ঘটনার মতোই এই ঘটনাতেও তদন্ত চলছে এবং দ্রুত সত্য উদঘাটনে তারা কাজ করবে। ধারণা করা হচ্ছে, হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদঘাটনে তদন্তে পুলিশের কাছে আরো প্রমাণ-সূত্র উপস্থিত হতে পারে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১২ মার্চ ২০২৬
আজ বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ ২০২৬) সকালে গাজীপুর সিটি করপোরেশনের বাসন থানাধীন ভিটিপাড়া এলাকা থেকে পুলিশ এক অটোরিকশা চালকের মরদেহ উদ্ধার করেছে। স্থানীয়রা সকালে মরদেহটি দেখে থানাকে খবর দেন, পরে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে মরদেহ উদ্ধার করে নিহতের পরিচয় শনাক্ত করেছে।
নিহত চালকের নাম ওসমান আলী, তিনি শেরপুর জেলার নকলা থানার বানেশ্বরদী এলাকার চান মিয়ারের ছেলে। দীর্ঘদিন ধরে পরিবার নিয়ে তিনি গাজীপুর সিটির গাছা থানার খাইলকুর এলাকায় বসবাস করতেন এবং অটোরিকশা চালিয়ে জীবিকা নির্বাহ করতেন। পুলিশ মরদেহ উদ্ধারের পর তার পরিচয় নিশ্চিত করেছে বলে জানানো হয়েছে।
স্থানীয় প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনী এ বিষয়ে তদন্ত শুরু করেছে। প্রাথমিক তথ্য থেকে মনে করা হচ্ছে, অটোরিকশা ছিনতাইয়ের পর তাকে হত্যা করা হয়ে থাকতে পারে বলে স্থানীয়রা ধারণা করছেন। তবে পুলিশ ঘটনার প্রকৃত কারণ উদঘাটনের জন্য তদন্ত চালিয়ে যাচ্ছে।
গাজীপুর অঞ্চলে অটোরিকশা চালকদের বিরুদ্ধে সহিংসতা ও অপরাধের কিছু ঘটনা আগেও সংবাদ হয়েছে। সম্প্রতি কালীগঞ্জ এলাকায় একটি ঘটনায় ছিনতাইকারীরা চালককে হত্যা করে মরদেহ শীতলক্ষ্যা নদীতে ফেলে দেয়ায় তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এই ধরনের ঘটনার পর এখানে অটোরিকশা চালকদের নিরাপত্তা নিয়ে জনমনে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।
স্থানীয়রা বলছেন, অটোরিকশা চালকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রশাসনের আরও কার্যকর পদক্ষেপ আশা করছেন তারা। অপরদিকে পুলিশ জানিয়েছে, সব সম্প্রতিক ঘটনার মতোই এই ঘটনাতেও তদন্ত চলছে এবং দ্রুত সত্য উদঘাটনে তারা কাজ করবে। ধারণা করা হচ্ছে, হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদঘাটনে তদন্তে পুলিশের কাছে আরো প্রমাণ-সূত্র উপস্থিত হতে পারে।

আপনার মতামত লিখুন