ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনে শুভেচ্ছা বক্তব্যে বিরোধী দলীয় নেতা ও জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, বাংলাদেশের স্বাধীনতার ৫৫ বছরে দেশের সংসদ সত্যিকার অর্থে খুব কম সময়ের জন্য কার্যকর ছিল। বেশিরভাগ সময় ফ্যাসিবাদের কবলে পড়ে সংসদ নিষ্প্রাণ ও অকার্যকর হয়ে রয়েছিল। বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) দুপুরে সংসদে দেওয়া বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
বিরোধীদলীয় নেতা তার বক্তব্যে ১৯৪৭, ১৯৭১, ১৯৯০ এবং শাপলা চত্বরের শহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানান। একই সঙ্গে ফ্যাসিস্ট শাসনের সাড়ে পনেরো বছরে যারা নির্যাতিত হয়েছেন, আয়নাঘরে বন্দি হয়েছেন এবং আহত ও পঙ্গু হয়েছেন, তাদের স্মরণ করেন তিনি। ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থানে যারা বুক চিতিয়ে লড়াই করেছেন, তাদের সাহস ও আত্মত্যাগের ফলেই আজকের এই সংসদ সম্ভব হয়েছে বলে মন্তব্য করেন ডা. শফিকুর।
সদ্যনির্বাচিত স্পিকার মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদকে অভিনন্দন জানিয়ে বিরোধীদলীয় নেতা বলেন, আজকের এই সংসদ গতানুগতিক কোনো সংসদ নয়, এটি ২০২৪-এর রক্তের ওপর দাঁড়িয়ে থাকা একটি সংসদ। স্পিকার একটি দলের হয়ে নির্বাচিত হলেও তার দলীয় স্থায়ী কমিটির সদস্যপদ থেকে পদত্যাগের ঘোষণা দিয়েছেন উল্লেখ করে তিনি বলেন, এখন স্পিকার সরকারি ও বিরোধী সব পক্ষের কাছে সমানভাবে নিরপেক্ষ থাকবেন বলে আমরা বিশ্বাস করি। আপনার নেতৃত্বে একটি গতিশীল ও কার্যকর সংসদ পাব, এটাই আমাদের প্রত্যাশা।
ডা. শফিকুর রহমান বলেন, আজকের সংসদে অনেক তরুণ সদস্য এসেছেন, যা অত্যন্ত আশাব্যঞ্জক। নিজেও প্রথমবারের মতো সংসদে আসা এই রাজনীতিবিদ রসিকতার সুরে বলেন, বয়সে একটু বেশি হলেও মনে মনে তিনিও তরুণদের দলেই পড়েন। স্পিকারকে উদ্দেশ করে তিনি বলেন, আপনি একজন লড়াকু মুক্তিযোদ্ধা, আপনি পারবেন।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১২ মার্চ ২০২৬
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনে শুভেচ্ছা বক্তব্যে বিরোধী দলীয় নেতা ও জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, বাংলাদেশের স্বাধীনতার ৫৫ বছরে দেশের সংসদ সত্যিকার অর্থে খুব কম সময়ের জন্য কার্যকর ছিল। বেশিরভাগ সময় ফ্যাসিবাদের কবলে পড়ে সংসদ নিষ্প্রাণ ও অকার্যকর হয়ে রয়েছিল। বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) দুপুরে সংসদে দেওয়া বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
বিরোধীদলীয় নেতা তার বক্তব্যে ১৯৪৭, ১৯৭১, ১৯৯০ এবং শাপলা চত্বরের শহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানান। একই সঙ্গে ফ্যাসিস্ট শাসনের সাড়ে পনেরো বছরে যারা নির্যাতিত হয়েছেন, আয়নাঘরে বন্দি হয়েছেন এবং আহত ও পঙ্গু হয়েছেন, তাদের স্মরণ করেন তিনি। ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থানে যারা বুক চিতিয়ে লড়াই করেছেন, তাদের সাহস ও আত্মত্যাগের ফলেই আজকের এই সংসদ সম্ভব হয়েছে বলে মন্তব্য করেন ডা. শফিকুর।
সদ্যনির্বাচিত স্পিকার মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদকে অভিনন্দন জানিয়ে বিরোধীদলীয় নেতা বলেন, আজকের এই সংসদ গতানুগতিক কোনো সংসদ নয়, এটি ২০২৪-এর রক্তের ওপর দাঁড়িয়ে থাকা একটি সংসদ। স্পিকার একটি দলের হয়ে নির্বাচিত হলেও তার দলীয় স্থায়ী কমিটির সদস্যপদ থেকে পদত্যাগের ঘোষণা দিয়েছেন উল্লেখ করে তিনি বলেন, এখন স্পিকার সরকারি ও বিরোধী সব পক্ষের কাছে সমানভাবে নিরপেক্ষ থাকবেন বলে আমরা বিশ্বাস করি। আপনার নেতৃত্বে একটি গতিশীল ও কার্যকর সংসদ পাব, এটাই আমাদের প্রত্যাশা।
ডা. শফিকুর রহমান বলেন, আজকের সংসদে অনেক তরুণ সদস্য এসেছেন, যা অত্যন্ত আশাব্যঞ্জক। নিজেও প্রথমবারের মতো সংসদে আসা এই রাজনীতিবিদ রসিকতার সুরে বলেন, বয়সে একটু বেশি হলেও মনে মনে তিনিও তরুণদের দলেই পড়েন। স্পিকারকে উদ্দেশ করে তিনি বলেন, আপনি একজন লড়াকু মুক্তিযোদ্ধা, আপনি পারবেন।

আপনার মতামত লিখুন