আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের (আইসিটি) এক প্রাক্তন প্রসিকিউটরের বিরুদ্ধে জামিনের বিনিময়ে কোটি টাকা চাওয়ার অভিযোগ ওঠায় তদন্তের জন্য পাঁচ সদস্যের একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে।
প্রসিকিউটর সাইমুম রেজা তালুকদার অভিযোগে বলা হয়েছে, তিনি একজন আসামিকে জামিন দিতে চেয়ে প্রায় ১ কোটি টাকা দাবি করেছিলেন। বিষয়টি হোয়াটসঅ্যাপের অডিও ক্লিপ ফাঁসের মাধ্যমে প্রকাশ্যে আসে। তবে তিনি নিজে এই অভিযোগ অস্বীকার করেছেন।
চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম মঙ্গলবার বিকেলে ঘটনার তদারকি ও তদন্তের জন্য কমিটি গঠন করেন। কমিটিতে রয়েছেন চিফ প্রসিকিউটর (প্রধান), প্রসিকিউটর আবদুস সোবহান তরফদার, প্রসিকিউটর মার্জিনা রহমান মদিনা, মো. জহিরুল আমিন এবং আইসিটি ল’ রিসার্চ অফিসার সিফাতুল্লাহ। কমিটি অভিযোগটি খতিয়ে দেখে তদন্ত প্রতিবেদন প্রস্তুত করবে।
ঘটনার পরই সাইমুম রেজা তালুকদার তার পদত্যাগপত্র জমা দেন, যা আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয় গ্রহণ করেছে। চিফ প্রসিকিউটর বলেন, এটি একটি গুরুতর অভিযোগ এবং যথাযথ অভ্যন্তরীণ তদন্ত শিগগিরই শুরু হবে।
তদন্ত শেষে প্রতিবেদন অনুযায়ী প্রমাণিত হলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। আইসিটি সূত্র জানায়, এ ধরনের ঘটনা প্রতিরোধ এবং প্রসিকিউশনের স্বচ্ছতা নিশ্চিত করাই তাদের মূল লক্ষ্য।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১০ মার্চ ২০২৬
আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের (আইসিটি) এক প্রাক্তন প্রসিকিউটরের বিরুদ্ধে জামিনের বিনিময়ে কোটি টাকা চাওয়ার অভিযোগ ওঠায় তদন্তের জন্য পাঁচ সদস্যের একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে।
প্রসিকিউটর সাইমুম রেজা তালুকদার অভিযোগে বলা হয়েছে, তিনি একজন আসামিকে জামিন দিতে চেয়ে প্রায় ১ কোটি টাকা দাবি করেছিলেন। বিষয়টি হোয়াটসঅ্যাপের অডিও ক্লিপ ফাঁসের মাধ্যমে প্রকাশ্যে আসে। তবে তিনি নিজে এই অভিযোগ অস্বীকার করেছেন।
চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম মঙ্গলবার বিকেলে ঘটনার তদারকি ও তদন্তের জন্য কমিটি গঠন করেন। কমিটিতে রয়েছেন চিফ প্রসিকিউটর (প্রধান), প্রসিকিউটর আবদুস সোবহান তরফদার, প্রসিকিউটর মার্জিনা রহমান মদিনা, মো. জহিরুল আমিন এবং আইসিটি ল’ রিসার্চ অফিসার সিফাতুল্লাহ। কমিটি অভিযোগটি খতিয়ে দেখে তদন্ত প্রতিবেদন প্রস্তুত করবে।
ঘটনার পরই সাইমুম রেজা তালুকদার তার পদত্যাগপত্র জমা দেন, যা আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয় গ্রহণ করেছে। চিফ প্রসিকিউটর বলেন, এটি একটি গুরুতর অভিযোগ এবং যথাযথ অভ্যন্তরীণ তদন্ত শিগগিরই শুরু হবে।
তদন্ত শেষে প্রতিবেদন অনুযায়ী প্রমাণিত হলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। আইসিটি সূত্র জানায়, এ ধরনের ঘটনা প্রতিরোধ এবং প্রসিকিউশনের স্বচ্ছতা নিশ্চিত করাই তাদের মূল লক্ষ্য।

আপনার মতামত লিখুন