দেশজুড়ে জলাবদ্ধতা নিরসন ও পানি প্রবাহ পুনরুদ্ধারের লক্ষ্যে আগামী ১৬ মার্চ জাতীয় খাল খনন ও পুনঃখনন কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী। উদ্বোধনী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হবে দিনাজপুর জেলার কাহারোল উপজেলা–এর বলরামপুর–সাহাপাড়া খালের পাশে। সেখান থেকেই প্রধানমন্ত্রী ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে সারাদেশে একযোগে খাল খনন কার্যক্রমের সূচনা করবেন।
পানিসম্পদ মন্ত্রণালয় জানায়, দেশের প্রাকৃতিক খাল, নালা ও জলাধারগুলোর অধিকাংশই দীর্ঘদিন ভরাট হয়ে যাওয়ায় বর্ষায় জলাবদ্ধতা এবং শুষ্ক মৌসুমে সেচ সংকট দেখা দেয়। এ পরিস্থিতিতে সরকারের নেওয়া এ কর্মসূচির লক্ষ্য হলো খাল ও নদীর সংযোগ পুনঃস্থাপন, পানির স্বাভাবিক প্রবাহ ফিরিয়ে আনা এবং কৃষিতে সেচব্যবস্থা উন্নত করা। আগামী পাঁচ বছরে প্রায় ২০ হাজার কিলোমিটার খাল ও জলপথ খনন ও পুনঃখননের পরিকল্পনা হাতে নেওয়া হয়েছে।
পানিসম্পদ মন্ত্রী জানিয়েছেন, এ প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে দেশের নদী-নালা ও খালের পানি প্রবাহ সচল হবে, জলাবদ্ধতা কমবে এবং কৃষি উৎপাদনে ইতিবাচক প্রভাব পড়বে। তিনি বলেন, “পানির স্বাভাবিক গতিপথ ফিরিয়ে আনতে এই কর্মসূচি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। খাল ও জলাধার পুনরুদ্ধার হলে দেশের জলসম্পদ ব্যবস্থাপনা আরও শক্তিশালী হবে।”
ইতোমধ্যে পানি উন্নয়ন বোর্ড বিভিন্ন জেলায় খাল, নালা ও জলাশয়ের তালিকা প্রস্তুত করেছে এবং মাঠপর্যায়ে কাজ শুরুর সব ধরনের প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে। উদ্বোধনের দিন থেকেই দেশের বেশিরভাগ জেলায় একযোগে খনন কার্যক্রম শুরু হবে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে। স্থানীয় প্রশাসন, প্রকৌশলী, জনপ্রতিনিধি ও সাধারণ মানুষের অংশগ্রহণে কর্মসূচিটি দ্রুত বাস্তবায়নের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।
সরকার মনে করছে, জাতীয় খাল খনন কর্মসূচি বাস্তবায়িত হলে জলাবদ্ধতা নিরসন, সেচ সুবিধা বৃদ্ধি এবং পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় তা উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রাখবে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১০ মার্চ ২০২৬
দেশজুড়ে জলাবদ্ধতা নিরসন ও পানি প্রবাহ পুনরুদ্ধারের লক্ষ্যে আগামী ১৬ মার্চ জাতীয় খাল খনন ও পুনঃখনন কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী। উদ্বোধনী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হবে দিনাজপুর জেলার কাহারোল উপজেলা–এর বলরামপুর–সাহাপাড়া খালের পাশে। সেখান থেকেই প্রধানমন্ত্রী ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে সারাদেশে একযোগে খাল খনন কার্যক্রমের সূচনা করবেন।
পানিসম্পদ মন্ত্রণালয় জানায়, দেশের প্রাকৃতিক খাল, নালা ও জলাধারগুলোর অধিকাংশই দীর্ঘদিন ভরাট হয়ে যাওয়ায় বর্ষায় জলাবদ্ধতা এবং শুষ্ক মৌসুমে সেচ সংকট দেখা দেয়। এ পরিস্থিতিতে সরকারের নেওয়া এ কর্মসূচির লক্ষ্য হলো খাল ও নদীর সংযোগ পুনঃস্থাপন, পানির স্বাভাবিক প্রবাহ ফিরিয়ে আনা এবং কৃষিতে সেচব্যবস্থা উন্নত করা। আগামী পাঁচ বছরে প্রায় ২০ হাজার কিলোমিটার খাল ও জলপথ খনন ও পুনঃখননের পরিকল্পনা হাতে নেওয়া হয়েছে।
পানিসম্পদ মন্ত্রী জানিয়েছেন, এ প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে দেশের নদী-নালা ও খালের পানি প্রবাহ সচল হবে, জলাবদ্ধতা কমবে এবং কৃষি উৎপাদনে ইতিবাচক প্রভাব পড়বে। তিনি বলেন, “পানির স্বাভাবিক গতিপথ ফিরিয়ে আনতে এই কর্মসূচি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। খাল ও জলাধার পুনরুদ্ধার হলে দেশের জলসম্পদ ব্যবস্থাপনা আরও শক্তিশালী হবে।”
ইতোমধ্যে পানি উন্নয়ন বোর্ড বিভিন্ন জেলায় খাল, নালা ও জলাশয়ের তালিকা প্রস্তুত করেছে এবং মাঠপর্যায়ে কাজ শুরুর সব ধরনের প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে। উদ্বোধনের দিন থেকেই দেশের বেশিরভাগ জেলায় একযোগে খনন কার্যক্রম শুরু হবে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে। স্থানীয় প্রশাসন, প্রকৌশলী, জনপ্রতিনিধি ও সাধারণ মানুষের অংশগ্রহণে কর্মসূচিটি দ্রুত বাস্তবায়নের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।
সরকার মনে করছে, জাতীয় খাল খনন কর্মসূচি বাস্তবায়িত হলে জলাবদ্ধতা নিরসন, সেচ সুবিধা বৃদ্ধি এবং পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় তা উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রাখবে।

আপনার মতামত লিখুন