ঢাকা    শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ

৩৫ ফুট গর্তে আটকা দুই বছরের শিশু; দীর্ঘ ২৩ ঘণ্টা পরও উদ্ধারে সফলতা নেই


নিজস্ব প্রতিবেদন
নিজস্ব প্রতিবেদন
প্রকাশ : ১১ ডিসেম্বর ২০২৫

৩৫ ফুট গর্তে আটকা দুই বছরের শিশু; দীর্ঘ ২৩ ঘণ্টা পরও উদ্ধারে সফলতা নেই

রাজশাহীর তানোর উপজেলার কৈলহাট পূর্বপাড়া গ্রামের পরিত্যক্ত নলকূপের ৩৫ ফুট গভীর গর্তে পড়ে যাওয়া দুই বছরের শিশু সাজিদকে দীর্ঘ ২১ ঘণ্টা পরও উদ্ধার করা যায়নি। মঙ্গলবার দুপুর সাড়ে ১টার দিকে শিশুটি গর্তে পড়ার পর থেকেই ফায়ার সার্ভিসের তিনটি ইউনিট টানা অভিযান চালাচ্ছে। তবে গর্তের সরু ব্যাস ও মাটি ধসের ঝুঁকির কারণে উদ্ধারকাজ জটিল হয়ে উঠেছে।

ফায়ার সার্ভিস জানায়, গর্তটির ব্যাস মাত্র ৮ থেকে ১০ ইঞ্চি হওয়ায় ভেতরে সরঞ্জাম নামিয়ে শিশুকে তোলা সম্ভব হয়নি। এ কারণে গর্তের পাশেই আরেকটি বড় গর্ত খনন করে সুড়ঙ্গ তৈরির কাজ চলছে, যাতে পাশ থেকে নলকূপের মূল গর্তে পৌঁছে শিশুটিকে উদ্ধার করা যায়। একই সঙ্গে শিশুটির শ্বাস-প্রশ্বাস সচল রাখার জন্য একটি পাইপের মাধ্যমে অক্সিজেন সরবরাহ অব্যাহত রয়েছে।

উদ্ধারকারী দল জানায়, টানা খননকাজে প্রায় ৩০ ফুট পর্যন্ত মাটি সরানো হয়েছে। তবে গর্তের অবস্থান নিচের দিকে বাঁকানো হওয়ায় সুড়ঙ্গ তৈরির কাজ ধীরগতিতে চলছে। মাটি ধসে পড়ার আশঙ্কায় ভারী যন্ত্রপাতি ব্যবহারেও সতর্কতা মানা হচ্ছে।

ঘটনাস্থলে পুলিশ, স্থানীয় প্রশাসন ও বিপুল সংখ্যক গ্রামবাসী অবস্থান করছেন। শিশুটির মা–বাবা গর্তের কাছে দাঁড়িয়ে সন্তানের নিরাপদ উদ্ধারের অপেক্ষায় আছেন। উদ্ধারকারীরা বলছেন, সময় বাড়লেও তাঁরা শিশুটিকে জীবিত উদ্ধারে সর্বোচ্চ চেষ্টা করে যাচ্ছেন।

স্থানীয়রা অভিযোগ করেন, পরিত্যক্ত গভীর নলকূপের গর্তটি দীর্ঘদিন ধরে খোলা অবস্থায় পড়ে ছিল। সঠিকভাবে ভরাট বা নিরাপদ ব্যবস্থা না থাকায় এমন দুর্ঘটনা ঘটেছে।

এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত উদ্ধার অভিযান চলমান রয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন

দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬


৩৫ ফুট গর্তে আটকা দুই বছরের শিশু; দীর্ঘ ২৩ ঘণ্টা পরও উদ্ধারে সফলতা নেই

প্রকাশের তারিখ : ১১ ডিসেম্বর ২০২৫

featured Image

রাজশাহীর তানোর উপজেলার কৈলহাট পূর্বপাড়া গ্রামের পরিত্যক্ত নলকূপের ৩৫ ফুট গভীর গর্তে পড়ে যাওয়া দুই বছরের শিশু সাজিদকে দীর্ঘ ২১ ঘণ্টা পরও উদ্ধার করা যায়নি। মঙ্গলবার দুপুর সাড়ে ১টার দিকে শিশুটি গর্তে পড়ার পর থেকেই ফায়ার সার্ভিসের তিনটি ইউনিট টানা অভিযান চালাচ্ছে। তবে গর্তের সরু ব্যাস ও মাটি ধসের ঝুঁকির কারণে উদ্ধারকাজ জটিল হয়ে উঠেছে।

ফায়ার সার্ভিস জানায়, গর্তটির ব্যাস মাত্র ৮ থেকে ১০ ইঞ্চি হওয়ায় ভেতরে সরঞ্জাম নামিয়ে শিশুকে তোলা সম্ভব হয়নি। এ কারণে গর্তের পাশেই আরেকটি বড় গর্ত খনন করে সুড়ঙ্গ তৈরির কাজ চলছে, যাতে পাশ থেকে নলকূপের মূল গর্তে পৌঁছে শিশুটিকে উদ্ধার করা যায়। একই সঙ্গে শিশুটির শ্বাস-প্রশ্বাস সচল রাখার জন্য একটি পাইপের মাধ্যমে অক্সিজেন সরবরাহ অব্যাহত রয়েছে।

উদ্ধারকারী দল জানায়, টানা খননকাজে প্রায় ৩০ ফুট পর্যন্ত মাটি সরানো হয়েছে। তবে গর্তের অবস্থান নিচের দিকে বাঁকানো হওয়ায় সুড়ঙ্গ তৈরির কাজ ধীরগতিতে চলছে। মাটি ধসে পড়ার আশঙ্কায় ভারী যন্ত্রপাতি ব্যবহারেও সতর্কতা মানা হচ্ছে।

ঘটনাস্থলে পুলিশ, স্থানীয় প্রশাসন ও বিপুল সংখ্যক গ্রামবাসী অবস্থান করছেন। শিশুটির মা–বাবা গর্তের কাছে দাঁড়িয়ে সন্তানের নিরাপদ উদ্ধারের অপেক্ষায় আছেন। উদ্ধারকারীরা বলছেন, সময় বাড়লেও তাঁরা শিশুটিকে জীবিত উদ্ধারে সর্বোচ্চ চেষ্টা করে যাচ্ছেন।

স্থানীয়রা অভিযোগ করেন, পরিত্যক্ত গভীর নলকূপের গর্তটি দীর্ঘদিন ধরে খোলা অবস্থায় পড়ে ছিল। সঠিকভাবে ভরাট বা নিরাপদ ব্যবস্থা না থাকায় এমন দুর্ঘটনা ঘটেছে।

এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত উদ্ধার অভিযান চলমান রয়েছে।


দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ

সম্পাদক ও প্রকাশক: মোঃ ফয়সাল আলম , মোবাইল- ০১৯১৬৫৫৭০১৭
  প্রধান সম্পাদক: মো: আতাউর রহমান, মোবাইল: ০২৪১০৯১৭৩০

কপিরাইট © ২০২৫ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ