মধ্যপ্রাচ্যে ইরান-ইসরায়েল ও আমেরিকার মধ্যে শুরু হওয়া আকস্মিক যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে সৌদি আরবে চরম বিপাকে পড়েছেন সাড়ে তিন হাজারেরও বেশি বাংলাদেশি উমরা যাত্রী। একের পর এক ফ্লাইট বাতিল হওয়ায় মক্কা ও মদিনায় আটকে পড়া এসব যাত্রীর অনেকেরই দেশে ফেরার নিয়মিত টিকিট বাতিল হয়ে গেছে। একই সাথে উমরা প্যাকেজের মেয়াদ শেষ হয়ে যাওয়ায় ট্রাভেল এজেন্সিগুলো থাকা-খাওয়ার খরচ বহন বন্ধ করে দিয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
মক্কায় নিযুক্ত বাংলাদেশ হজ মিশনের প্রধান কনসাল কামরুল ইসলাম জানান যে প্রতিদিন অসংখ্য যাত্রী হোটেল বিল ও খাবারের সংকটে পড়ে সহায়তার জন্য মিশনে আসছেন। অনেক ট্রাভেল এজেন্সি যাত্রীদের কাছ থেকে নতুন টিকিটের জন্য অতিরিক্ত ৫০ থেকে ৬০ হাজার টাকা দাবি করছে যা সাধারণ যাত্রীদের পক্ষে জোগাড় করা অসম্ভব হয়ে দাঁড়িয়েছে। হজ মিশন কর্তৃপক্ষ বর্তমানে সংশ্লিষ্ট এজেন্সি মালিকদের সঙ্গে যোগাযোগ করে এই সংকট সমাধানের চেষ্টা চালাচ্ছে।
বিপাকে পড়া এসব বাংলাদেশিদের ফিরিয়ে আনতে সরকারি উদ্যোগে বিমান বাংলাদেশের দুটি বিশেষ ফ্লাইট চালুর পরিকল্পনা করা হয়েছিল। তবে বাংলাদেশ থেকে খালি বিমান গিয়ে জেদ্দা থেকে যাত্রী আনতে প্রতিটি টিকিটের খরচ প্রায় এক লাখ টাকা পড়ে যাবে বলে শেষ মুহূর্তে সেই সিদ্ধান্ত বাতিল করা হয়। বর্তমানে নিয়মিত চালু থাকা ফ্লাইটগুলোতে তুলনামূলক কম খরচে পর্যায়ক্রমে যাত্রীদের পাঠানোর ব্যবস্থা করা হচ্ছে।
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে অধিকাংশ বিমান সংস্থা তাদের কার্যক্রম স্থগিত রাখায় এই অচলাবস্থার সৃষ্টি হয়েছে। বর্তমানে বাংলাদেশ বিমান, ইউএস-বাংলা কিংবা সালাম এয়ারে পর্যাপ্ত টিকিট না পাওয়ায় অনেক যাত্রী বিকল্প হিসেবে ভারতের ইন্ডিগো এয়ারলাইন্সে কলকাতা হয়ে ঢাকা ও চট্টগ্রামে ফিরছেন। স্বজনদের কাছ থেকে জরুরি ভিত্তিতে টাকা আনিয়ে অনেকেই চড়া মূল্যে টিকিট সংগ্রহ করে দেশে ফেরার চেষ্টা করছেন।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৯ মার্চ ২০২৬
মধ্যপ্রাচ্যে ইরান-ইসরায়েল ও আমেরিকার মধ্যে শুরু হওয়া আকস্মিক যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে সৌদি আরবে চরম বিপাকে পড়েছেন সাড়ে তিন হাজারেরও বেশি বাংলাদেশি উমরা যাত্রী। একের পর এক ফ্লাইট বাতিল হওয়ায় মক্কা ও মদিনায় আটকে পড়া এসব যাত্রীর অনেকেরই দেশে ফেরার নিয়মিত টিকিট বাতিল হয়ে গেছে। একই সাথে উমরা প্যাকেজের মেয়াদ শেষ হয়ে যাওয়ায় ট্রাভেল এজেন্সিগুলো থাকা-খাওয়ার খরচ বহন বন্ধ করে দিয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
মক্কায় নিযুক্ত বাংলাদেশ হজ মিশনের প্রধান কনসাল কামরুল ইসলাম জানান যে প্রতিদিন অসংখ্য যাত্রী হোটেল বিল ও খাবারের সংকটে পড়ে সহায়তার জন্য মিশনে আসছেন। অনেক ট্রাভেল এজেন্সি যাত্রীদের কাছ থেকে নতুন টিকিটের জন্য অতিরিক্ত ৫০ থেকে ৬০ হাজার টাকা দাবি করছে যা সাধারণ যাত্রীদের পক্ষে জোগাড় করা অসম্ভব হয়ে দাঁড়িয়েছে। হজ মিশন কর্তৃপক্ষ বর্তমানে সংশ্লিষ্ট এজেন্সি মালিকদের সঙ্গে যোগাযোগ করে এই সংকট সমাধানের চেষ্টা চালাচ্ছে।
বিপাকে পড়া এসব বাংলাদেশিদের ফিরিয়ে আনতে সরকারি উদ্যোগে বিমান বাংলাদেশের দুটি বিশেষ ফ্লাইট চালুর পরিকল্পনা করা হয়েছিল। তবে বাংলাদেশ থেকে খালি বিমান গিয়ে জেদ্দা থেকে যাত্রী আনতে প্রতিটি টিকিটের খরচ প্রায় এক লাখ টাকা পড়ে যাবে বলে শেষ মুহূর্তে সেই সিদ্ধান্ত বাতিল করা হয়। বর্তমানে নিয়মিত চালু থাকা ফ্লাইটগুলোতে তুলনামূলক কম খরচে পর্যায়ক্রমে যাত্রীদের পাঠানোর ব্যবস্থা করা হচ্ছে।
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে অধিকাংশ বিমান সংস্থা তাদের কার্যক্রম স্থগিত রাখায় এই অচলাবস্থার সৃষ্টি হয়েছে। বর্তমানে বাংলাদেশ বিমান, ইউএস-বাংলা কিংবা সালাম এয়ারে পর্যাপ্ত টিকিট না পাওয়ায় অনেক যাত্রী বিকল্প হিসেবে ভারতের ইন্ডিগো এয়ারলাইন্সে কলকাতা হয়ে ঢাকা ও চট্টগ্রামে ফিরছেন। স্বজনদের কাছ থেকে জরুরি ভিত্তিতে টাকা আনিয়ে অনেকেই চড়া মূল্যে টিকিট সংগ্রহ করে দেশে ফেরার চেষ্টা করছেন।

আপনার মতামত লিখুন