প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আগামীকাল মঙ্গলবার সকালে রাজধানীর মহাখালী টিঅ্যান্ডটি মাঠে আয়োজিত এক বিশেষ অনুষ্ঠানে নিম্ন আয়ের মানুষের জীবনমান উন্নয়নে অঙ্গীকারকৃত ‘ফ্যামিলি কার্ড’ কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করতে যাচ্ছেন। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে কড়াইল বস্তি এলাকার নারীদের হাতে ডিজিটাল কার্ড তুলে দেওয়ার মাধ্যমে তিনি তার প্রধান নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের সূচনা করবেন। একই সঙ্গে দেশের ১৩টি জেলার নির্বাচিত সিটি কর্পোরেশন ও ইউনিয়নের নির্দিষ্ট ১৫টি ওয়ার্ডে এই পরীক্ষামূলক কার্যক্রম একযোগে শুরু হবে।
সোমবার বিকেলে সচিবালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে সমাজকল্যাণ এবং মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রী অধ্যাপক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন এই কর্মসূচির বিস্তারিত ভৌগোলিক চিত্র তুলে ধরেন। তিনি জানান যে প্রথম ধাপে সারা দেশের সুনির্দিষ্ট কিছু এলাকা যাচাই-বাছাই করে সুবিধাভোগীদের তালিকাভুক্ত করা হয়েছে। এই কার্ডের মাধ্যমে প্রাপ্ত আর্থিক সহায়তা সরাসরি সুবিধাভোগী নারীর মোবাইল ব্যাংকিং অ্যাকাউন্টে পৌঁছে যাবে।
রাজধানীর ভেতরে ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের বনানী (কড়াইল বস্তি, সাততলা বস্তি ও ভাষানটেক বস্তি) এবং মিরপুর (অলিমিয়ারটেক ও বাগানবাড়ি বস্তি) এলাকার বাসিন্দারা এই কর্মসূচির আওতায় আসছেন। ঢাকা বিভাগের অন্য এলাকার মধ্যে রাজবাড়ী জেলার পাংশা উপজেলার হাবাসপুর ইউনিয়ন এই তালিকায় অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। প্রধানমন্ত্রী সরাসরি বনানী এলাকায় কার্ড বিতরণের মাধ্যমে সারা দেশে এই প্রকল্পের উদ্বোধন ঘোষণা করবেন।
চট্টগ্রাম বিভাগে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন এলাকা, ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার বাঞ্ছারামপুর পৌরসভা এবং পার্বত্য অঞ্চলের বান্দরবান জেলার লামা উপজেলার ফাঁসিয়াখালী ইউনিয়ন থেকে এই কার্যক্রম শুরু হচ্ছে। এছাড়া খুলনা বিভাগের খালিশপুর (খুলনা সিটি কর্পোরেশন এলাকা) এবং বরিশাল বিভাগের ভোলা জেলার চরফ্যাশন উপজেলার আসলামপুর ইউনিয়ন এই পাইলটিং প্রকল্পের গুরুত্বপূর্ণ অংশ।
সিলেট বিভাগের সুনামগঞ্জ জেলার দিরাই উপজেলার কুলঞ্জ ইউনিয়ন এবং ময়মনসিংহ বিভাগের কিশোরগঞ্জ জেলার ভৈরব উপজেলার শিমুলকান্দি ইউনিয়ন থেকে কাল কার্ড সংগ্রহ করতে পারবেন নির্বাচিতরা। উত্তরাঞ্চলে রাজশাহী বিভাগের বগুড়া সদর উপজেলার শাখারিয়া ইউনিয়ন ও নাটোর জেলার লালপুর উপজেলার ঈশ্বরদী ইউনিয়ন এবং রংপুর বিভাগের ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার রহমানপুর ইউনিয়ন ও দিনাজপুর জেলার নবাবগঞ্জ উপজেলার জয়পুর ইউনিয়ন এই কর্মসূচির আওতাভুক্ত হয়েছে। সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে এই এলাকাগুলোতে সফল বাস্তবায়নের পর দ্রুততম সময়ে দেশের প্রতিটি প্রান্তে ফ্যামিলি কার্ড পৌঁছে দেওয়া হবে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৯ মার্চ ২০২৬
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আগামীকাল মঙ্গলবার সকালে রাজধানীর মহাখালী টিঅ্যান্ডটি মাঠে আয়োজিত এক বিশেষ অনুষ্ঠানে নিম্ন আয়ের মানুষের জীবনমান উন্নয়নে অঙ্গীকারকৃত ‘ফ্যামিলি কার্ড’ কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করতে যাচ্ছেন। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে কড়াইল বস্তি এলাকার নারীদের হাতে ডিজিটাল কার্ড তুলে দেওয়ার মাধ্যমে তিনি তার প্রধান নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের সূচনা করবেন। একই সঙ্গে দেশের ১৩টি জেলার নির্বাচিত সিটি কর্পোরেশন ও ইউনিয়নের নির্দিষ্ট ১৫টি ওয়ার্ডে এই পরীক্ষামূলক কার্যক্রম একযোগে শুরু হবে।
সোমবার বিকেলে সচিবালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে সমাজকল্যাণ এবং মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রী অধ্যাপক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন এই কর্মসূচির বিস্তারিত ভৌগোলিক চিত্র তুলে ধরেন। তিনি জানান যে প্রথম ধাপে সারা দেশের সুনির্দিষ্ট কিছু এলাকা যাচাই-বাছাই করে সুবিধাভোগীদের তালিকাভুক্ত করা হয়েছে। এই কার্ডের মাধ্যমে প্রাপ্ত আর্থিক সহায়তা সরাসরি সুবিধাভোগী নারীর মোবাইল ব্যাংকিং অ্যাকাউন্টে পৌঁছে যাবে।
রাজধানীর ভেতরে ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের বনানী (কড়াইল বস্তি, সাততলা বস্তি ও ভাষানটেক বস্তি) এবং মিরপুর (অলিমিয়ারটেক ও বাগানবাড়ি বস্তি) এলাকার বাসিন্দারা এই কর্মসূচির আওতায় আসছেন। ঢাকা বিভাগের অন্য এলাকার মধ্যে রাজবাড়ী জেলার পাংশা উপজেলার হাবাসপুর ইউনিয়ন এই তালিকায় অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। প্রধানমন্ত্রী সরাসরি বনানী এলাকায় কার্ড বিতরণের মাধ্যমে সারা দেশে এই প্রকল্পের উদ্বোধন ঘোষণা করবেন।
চট্টগ্রাম বিভাগে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন এলাকা, ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার বাঞ্ছারামপুর পৌরসভা এবং পার্বত্য অঞ্চলের বান্দরবান জেলার লামা উপজেলার ফাঁসিয়াখালী ইউনিয়ন থেকে এই কার্যক্রম শুরু হচ্ছে। এছাড়া খুলনা বিভাগের খালিশপুর (খুলনা সিটি কর্পোরেশন এলাকা) এবং বরিশাল বিভাগের ভোলা জেলার চরফ্যাশন উপজেলার আসলামপুর ইউনিয়ন এই পাইলটিং প্রকল্পের গুরুত্বপূর্ণ অংশ।
সিলেট বিভাগের সুনামগঞ্জ জেলার দিরাই উপজেলার কুলঞ্জ ইউনিয়ন এবং ময়মনসিংহ বিভাগের কিশোরগঞ্জ জেলার ভৈরব উপজেলার শিমুলকান্দি ইউনিয়ন থেকে কাল কার্ড সংগ্রহ করতে পারবেন নির্বাচিতরা। উত্তরাঞ্চলে রাজশাহী বিভাগের বগুড়া সদর উপজেলার শাখারিয়া ইউনিয়ন ও নাটোর জেলার লালপুর উপজেলার ঈশ্বরদী ইউনিয়ন এবং রংপুর বিভাগের ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার রহমানপুর ইউনিয়ন ও দিনাজপুর জেলার নবাবগঞ্জ উপজেলার জয়পুর ইউনিয়ন এই কর্মসূচির আওতাভুক্ত হয়েছে। সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে এই এলাকাগুলোতে সফল বাস্তবায়নের পর দ্রুততম সময়ে দেশের প্রতিটি প্রান্তে ফ্যামিলি কার্ড পৌঁছে দেওয়া হবে।

আপনার মতামত লিখুন