মধ্যপ্রাচ্যের চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে গত ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে মোট ৩৩৫টি আন্তর্জাতিক ফ্লাইট বাতিল হয়েছে। এর মধ্যে শুধু সোমবার (৯ মার্চ) বাতিল হয়েছে ৩৩টি ফ্লাইট। বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের জনসংযোগ কর্মকর্তা মুহাম্মদ কাউছার মাহমুদ এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
বিমান কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ২৮ ফেব্রুয়ারি ২৩টি ফ্লাইট বাতিলের মধ্য দিয়ে এই ধারা শুরু হয়। পরের দিনগুলোতে পরিস্থিতি আরও খারাপ হয়। ১ মার্চ ৪০টি, ২ মার্চ ৪৬টি এবং ৩ মার্চ ৩৯টি ফ্লাইট বাতিল হয়। এরপর ৪ মার্চ ২৮টি, ৫ মার্চ ৩৬টি, ৬ মার্চ ৩৪টি, ৭ মার্চ ২৮টি এবং রোববার ২৬টি ফ্লাইট বাতিল হয়।
সোমবার বাতিল হওয়া ৩৩টি ফ্লাইটের মধ্যে রয়েছে এয়ার অ্যারাবিয়া ও জাজিরার ৬টি করে, কাতার এয়ারওয়েজ, এমিরেটস, ফ্লাইদুবাই ও ইউএস-বাংলার ৪টি করে এবং কুয়েত এয়ারলাইনস ও গালফ এয়ারের ২টি করে। বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের ৩টি ফ্লাইটও এদিন বাতিল হয়েছে।
এই পরিস্থিতির মূল কারণ হিসেবে জানা গেছে, ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে ইরান, ইরাক, কুয়েত, সংযুক্ত আরব আমিরাত, বাহরাইন, কাতার ও জর্ডান তাদের আকাশসীমা বন্ধ করে দিয়েছে। ফলে মধ্যপ্রাচ্যগামী সব ফ্লাইট চলাচল কার্যত অচল হয়ে পড়েছে।
এই পরিস্থিতিতে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস সোমবার জানিয়েছে, দোহা, শারজাহ, কুয়েত ও দাম্মাম রুটের ফ্লাইট পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত অনির্দিষ্টকালের জন্য স্থগিত থাকবে। দুবাই ও আবুধাবি রুটের ফ্লাইট আপাতত ১০ মার্চ পর্যন্ত বন্ধ রাখা হয়েছে। পরিস্থিতির উন্নতি এবং সংশ্লিষ্ট বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষের অনুমোদন পাওয়া সাপেক্ষে এ দুটি রুট পুনরায় চালু হতে পারে বলে জানিয়েছে বিমান।
বিমান কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, মধ্যপ্রাচ্যের সামগ্রিক পরিস্থিতি সার্বক্ষণিক পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে এবং যেকোনো হালনাগাদ তথ্য যাত্রীদের দ্রুত জানানো হবে। ফ্লাইট সংক্রান্ত তথ্যের জন্য দেশের ভেতর থেকে ১৩৬৩৬ এবং বিদেশ থেকে ৮৮০৯৬১০৯১৩৬৩৬ নম্বরে বিমানের কলসেন্টারে যোগাযোগ করার অনুরোধ জানানো হয়েছে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৯ মার্চ ২০২৬
মধ্যপ্রাচ্যের চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে গত ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে মোট ৩৩৫টি আন্তর্জাতিক ফ্লাইট বাতিল হয়েছে। এর মধ্যে শুধু সোমবার (৯ মার্চ) বাতিল হয়েছে ৩৩টি ফ্লাইট। বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের জনসংযোগ কর্মকর্তা মুহাম্মদ কাউছার মাহমুদ এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
বিমান কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ২৮ ফেব্রুয়ারি ২৩টি ফ্লাইট বাতিলের মধ্য দিয়ে এই ধারা শুরু হয়। পরের দিনগুলোতে পরিস্থিতি আরও খারাপ হয়। ১ মার্চ ৪০টি, ২ মার্চ ৪৬টি এবং ৩ মার্চ ৩৯টি ফ্লাইট বাতিল হয়। এরপর ৪ মার্চ ২৮টি, ৫ মার্চ ৩৬টি, ৬ মার্চ ৩৪টি, ৭ মার্চ ২৮টি এবং রোববার ২৬টি ফ্লাইট বাতিল হয়।
সোমবার বাতিল হওয়া ৩৩টি ফ্লাইটের মধ্যে রয়েছে এয়ার অ্যারাবিয়া ও জাজিরার ৬টি করে, কাতার এয়ারওয়েজ, এমিরেটস, ফ্লাইদুবাই ও ইউএস-বাংলার ৪টি করে এবং কুয়েত এয়ারলাইনস ও গালফ এয়ারের ২টি করে। বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের ৩টি ফ্লাইটও এদিন বাতিল হয়েছে।
এই পরিস্থিতির মূল কারণ হিসেবে জানা গেছে, ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে ইরান, ইরাক, কুয়েত, সংযুক্ত আরব আমিরাত, বাহরাইন, কাতার ও জর্ডান তাদের আকাশসীমা বন্ধ করে দিয়েছে। ফলে মধ্যপ্রাচ্যগামী সব ফ্লাইট চলাচল কার্যত অচল হয়ে পড়েছে।
এই পরিস্থিতিতে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস সোমবার জানিয়েছে, দোহা, শারজাহ, কুয়েত ও দাম্মাম রুটের ফ্লাইট পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত অনির্দিষ্টকালের জন্য স্থগিত থাকবে। দুবাই ও আবুধাবি রুটের ফ্লাইট আপাতত ১০ মার্চ পর্যন্ত বন্ধ রাখা হয়েছে। পরিস্থিতির উন্নতি এবং সংশ্লিষ্ট বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষের অনুমোদন পাওয়া সাপেক্ষে এ দুটি রুট পুনরায় চালু হতে পারে বলে জানিয়েছে বিমান।
বিমান কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, মধ্যপ্রাচ্যের সামগ্রিক পরিস্থিতি সার্বক্ষণিক পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে এবং যেকোনো হালনাগাদ তথ্য যাত্রীদের দ্রুত জানানো হবে। ফ্লাইট সংক্রান্ত তথ্যের জন্য দেশের ভেতর থেকে ১৩৬৩৬ এবং বিদেশ থেকে ৮৮০৯৬১০৯১৩৬৩৬ নম্বরে বিমানের কলসেন্টারে যোগাযোগ করার অনুরোধ জানানো হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন