হবিগঞ্জের বাহুবল উপজেলায় প্রশাসনের একাধিক গুরুত্বপূর্ণ পদ দীর্ঘদিন ধরে শূন্য থাকায় সরকারি সেবায় স্থবিরতা দেখা দিয়েছে। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও), সহকারী কমিশনার (ভূমি) বা এসিল্যান্ড, উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা, উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা এবং উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তার পদ বর্তমানে শূন্য রয়েছে। ফলে প্রশাসনিক কার্যক্রমে অচলাবস্থার আশঙ্কা করছেন স্থানীয়রা।
জানা গেছে, সম্প্রতি এক প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে বাহুবল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে অন্যত্র সংযুক্ত করা হয়। একই সময়ে সহকারী কমিশনার (ভূমি) বা এসিল্যান্ডকেও বদলি করা হয়। ফলে উপজেলা প্রশাসনের শীর্ষ দুইটি পদ একযোগে শূন্য হয়ে পড়ে। এতে ভূমি সংক্রান্ত সেবা, ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা এবং বিভিন্ন প্রশাসনিক কার্যক্রম কার্যত স্থবির হয়ে পড়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।
অন্যদিকে, উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা, উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা এবং উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তার পদ দীর্ঘদিন ধরে খালি রয়েছে বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তার অনুপস্থিতিতে যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের প্রশিক্ষণ কার্যক্রম, নারী উন্নয়ন সংক্রান্ত বিভিন্ন প্রকল্প ও সুবিধা এবং প্রাণিসম্পদ দপ্তরের সেবা কার্যক্রম মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে।
বিশেষ করে প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তার পদ শূন্য থাকায় উপজেলার খামারিরা গবাদিপশুর চিকিৎসা, টিকাদান কার্যক্রম ও খামার উন্নয়ন সংক্রান্ত পরামর্শ থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। এতে খামারিরা ক্ষতির মুখে পড়ছেন বলে অভিযোগ রয়েছে।
এদিকে উপজেলা প্রশাসনের গুরুত্বপূর্ণ পদগুলো শূন্য থাকায় বিভিন্ন স্থানে অবৈধ মাটি কাটা, বালু উত্তোলনসহ পরিবেশবিধ্বংসী কর্মকাণ্ড বেড়ে যাওয়ার অভিযোগ উঠেছে।
স্থানীয়দের দাবি, প্রশাসনিক তদারকি দুর্বল হওয়ায় অসাধু চক্র সুযোগ নিয়ে এসব অবৈধ কর্মকাণ্ড চালিয়ে যাচ্ছে।
সচেতন মহল মনে করছে, দীর্ঘদিন গুরুত্বপূর্ণ পদ শূন্য থাকলে প্রশাসনিক কার্যক্রমের পাশাপাশি উন্নয়ন কর্মকাণ্ডও বাধাগ্রস্ত হবে। একই সঙ্গে আইনশৃঙ্খলা ও পরিবেশ সংরক্ষণে নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে।
এ ব্যাপারে দ্রুত শূন্য পদগুলোতে কর্মকর্তা পদায়নের জন্য সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন স্থানীয়রা।

বুধবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৯ মার্চ ২০২৬
হবিগঞ্জের বাহুবল উপজেলায় প্রশাসনের একাধিক গুরুত্বপূর্ণ পদ দীর্ঘদিন ধরে শূন্য থাকায় সরকারি সেবায় স্থবিরতা দেখা দিয়েছে। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও), সহকারী কমিশনার (ভূমি) বা এসিল্যান্ড, উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা, উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা এবং উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তার পদ বর্তমানে শূন্য রয়েছে। ফলে প্রশাসনিক কার্যক্রমে অচলাবস্থার আশঙ্কা করছেন স্থানীয়রা।
জানা গেছে, সম্প্রতি এক প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে বাহুবল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে অন্যত্র সংযুক্ত করা হয়। একই সময়ে সহকারী কমিশনার (ভূমি) বা এসিল্যান্ডকেও বদলি করা হয়। ফলে উপজেলা প্রশাসনের শীর্ষ দুইটি পদ একযোগে শূন্য হয়ে পড়ে। এতে ভূমি সংক্রান্ত সেবা, ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা এবং বিভিন্ন প্রশাসনিক কার্যক্রম কার্যত স্থবির হয়ে পড়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।
অন্যদিকে, উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা, উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা এবং উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তার পদ দীর্ঘদিন ধরে খালি রয়েছে বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তার অনুপস্থিতিতে যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের প্রশিক্ষণ কার্যক্রম, নারী উন্নয়ন সংক্রান্ত বিভিন্ন প্রকল্প ও সুবিধা এবং প্রাণিসম্পদ দপ্তরের সেবা কার্যক্রম মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে।
বিশেষ করে প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তার পদ শূন্য থাকায় উপজেলার খামারিরা গবাদিপশুর চিকিৎসা, টিকাদান কার্যক্রম ও খামার উন্নয়ন সংক্রান্ত পরামর্শ থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। এতে খামারিরা ক্ষতির মুখে পড়ছেন বলে অভিযোগ রয়েছে।
এদিকে উপজেলা প্রশাসনের গুরুত্বপূর্ণ পদগুলো শূন্য থাকায় বিভিন্ন স্থানে অবৈধ মাটি কাটা, বালু উত্তোলনসহ পরিবেশবিধ্বংসী কর্মকাণ্ড বেড়ে যাওয়ার অভিযোগ উঠেছে।
স্থানীয়দের দাবি, প্রশাসনিক তদারকি দুর্বল হওয়ায় অসাধু চক্র সুযোগ নিয়ে এসব অবৈধ কর্মকাণ্ড চালিয়ে যাচ্ছে।
সচেতন মহল মনে করছে, দীর্ঘদিন গুরুত্বপূর্ণ পদ শূন্য থাকলে প্রশাসনিক কার্যক্রমের পাশাপাশি উন্নয়ন কর্মকাণ্ডও বাধাগ্রস্ত হবে। একই সঙ্গে আইনশৃঙ্খলা ও পরিবেশ সংরক্ষণে নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে।
এ ব্যাপারে দ্রুত শূন্য পদগুলোতে কর্মকর্তা পদায়নের জন্য সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন স্থানীয়রা।

আপনার মতামত লিখুন