সচিবালয়ের উপদেষ্টার অফিস কক্ষে আজ প্রধানমন্ত্রীর জনপ্রশাসন উপদেষ্টা মো. ইসমাইল জবিউল্লাহ এবং ঢাকায় নিযুক্ত চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন এক সৌজন্য সাক্ষাতে মিলিত হয়েছেন। সাক্ষাতের সময় দুইপক্ষ বাংলাদেশ-চীন সম্পর্ক এবং ভবিষ্যৎ সহযোগিতা প্রসারিত করার বিষয়ে আলোচনা করেছেন।
সাক্ষাতে রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন বাংলাদেশের নতুন সরকারের নীতি ও অগ্রাধিকারকে স্বাগত জানান। তিনি সব ধরনের সহযোগিতা অব্যাহত রাখার প্রতিশ্রুতি দেন এবং দুই দেশের মধ্যকার কূটনৈতিক ও অর্থনৈতিক সম্পর্ক আরও শক্তিশালী করার বিষয়ে গুরুত্ব দেন।
উভয়পক্ষ সম্মত হয়েছেন যে, ভবিষ্যতে নিয়মিত বৈঠক ও সমন্বয় অব্যাহত রাখা হবে। এছাড়া রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীকে চীনের ভ্রমণের জন্য আমন্ত্রণ জানিয়েছেন। সাক্ষাতটি বাংলাদেশের নতুন সরকারের সঙ্গে চীনের সম্পর্ককে দৃঢ় করার একটি কূটনৈতিক পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে।
বিশ্লেষকরা মনে করছেন, এই সাক্ষাতের মাধ্যমে দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতা, বাণিজ্য ও বিনিয়োগের ক্ষেত্রে নতুন সম্ভাবনার দরজা খুলছে, যা দুই দেশের সম্পর্ককে আরও ঘনিষ্ঠ এবং কার্যকর করবে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৯ মার্চ ২০২৬
সচিবালয়ের উপদেষ্টার অফিস কক্ষে আজ প্রধানমন্ত্রীর জনপ্রশাসন উপদেষ্টা মো. ইসমাইল জবিউল্লাহ এবং ঢাকায় নিযুক্ত চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন এক সৌজন্য সাক্ষাতে মিলিত হয়েছেন। সাক্ষাতের সময় দুইপক্ষ বাংলাদেশ-চীন সম্পর্ক এবং ভবিষ্যৎ সহযোগিতা প্রসারিত করার বিষয়ে আলোচনা করেছেন।
সাক্ষাতে রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন বাংলাদেশের নতুন সরকারের নীতি ও অগ্রাধিকারকে স্বাগত জানান। তিনি সব ধরনের সহযোগিতা অব্যাহত রাখার প্রতিশ্রুতি দেন এবং দুই দেশের মধ্যকার কূটনৈতিক ও অর্থনৈতিক সম্পর্ক আরও শক্তিশালী করার বিষয়ে গুরুত্ব দেন।
উভয়পক্ষ সম্মত হয়েছেন যে, ভবিষ্যতে নিয়মিত বৈঠক ও সমন্বয় অব্যাহত রাখা হবে। এছাড়া রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীকে চীনের ভ্রমণের জন্য আমন্ত্রণ জানিয়েছেন। সাক্ষাতটি বাংলাদেশের নতুন সরকারের সঙ্গে চীনের সম্পর্ককে দৃঢ় করার একটি কূটনৈতিক পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে।
বিশ্লেষকরা মনে করছেন, এই সাক্ষাতের মাধ্যমে দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতা, বাণিজ্য ও বিনিয়োগের ক্ষেত্রে নতুন সম্ভাবনার দরজা খুলছে, যা দুই দেশের সম্পর্ককে আরও ঘনিষ্ঠ এবং কার্যকর করবে।

আপনার মতামত লিখুন