দিনাজপুরর হিলিতে নাগরিক টিভির প্রতিনিধি তাহাকিক হাসানকে কুপিয়ে ও পিস্তলের বাট দিয়ে আঘাত করার অভিযোগ উঠেছে হাকিমপুর যুবদলের বহিষ্কৃত সদস্য রিপন আহমেদের বিরুদ্ধে। রোববার (৮ মার্চ) রাত ৯টা ১০ মিনিটে হাকিমপুর ডিগ্রি কলেজ গেট এলাকায় এই নৃশংস হামলার ঘটনা ঘটে।
ভুক্তভোগী সাংবাদিক তাহাকিক হাসান জানান, রিপন আহমেদ তাকে কথা বলার অজুহাতে মোবাইল ফোনে কলেজ গেটে ডেকে নেন। সেখানে পৌঁছালে রিপন তাকে নির্জন স্থানে নিয়ে গিয়ে ৩০ হাজার টাকা চাঁদা দাবি করেন। চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি জানালে রিপন তার কোমর থেকে একটি পিস্তল বের করে পিস্তলের বাট দিয়ে সাংবাদিকের ডান চোখের ওপরে আঘাত করেন। হামলার একপর্যায়ে রিপন তার পকেট থেকে নগদ ২ হাজার টাকা জোরপূর্বক ছিনিয়ে নেন।
প্রত্যক্ষদর্শী ও ভুক্তভোগীর বরাত দিয়ে জানা যায়, রিপনের সঙ্গে আরও ৩-৪ জন সন্ত্রাসী পল্লব আসাদসহ সাংবাদিককে ঘিরে ধরে মারধর করতে থাকে। জীবন বাঁচাতে তাহাকিক কলেজের গেটের দিকে দৌড়ে পালানোর চেষ্টা করেন, তবে হামলাকারীরা তাকে রাস্তায় ফেলে পুনরায় বেধড়ক মারধর করে। এক পর্যায়ে আসাদ নামক সহযোগী চাকু বের করতে গেলে তাহাকিক কোনোমতে হিলি চারমাথার দিকে পালিয়ে যান।
স্থানীয়রা তাকে রক্তাক্ত অবস্থায় উদ্ধার করে হাকিমপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স-এর জরুরি বিভাগে নিয়ে যান। কর্তব্যরত চিকিৎসক প্রাথমিক চিকিৎসার পর আঘাত গুরুতর হওয়ায় তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য জয়পুরহাট সরকারি হাসপাতালে রেফার করেন। বর্তমানে তিনি সেখানে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
ঘটনার বিষয়ে হাকিমপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জাকির হোসেন জানান, ভিক্টিমের জবানবন্দি গ্রহণ করা হয়েছে এবং আসামিদের শনাক্ত করা হয়েছে। তাদের গ্রেপ্তারে পুলিশ সর্বোচ্চ চেষ্টা চালাচ্ছে।
হিলির সাংবাদিক মহলে এই ন্যাক্কারজনক ঘটনায় তীব্র ক্ষোভ ও নিন্দা প্রকাশ করা হয়েছে। গণমাধ্যমকর্মীরা দোষীদের দ্রুত আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন এবং অন্যথায় কঠোর কর্মসূচির হুঁশিয়ারি দিয়েছেন।

বুধবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৯ মার্চ ২০২৬
দিনাজপুরর হিলিতে নাগরিক টিভির প্রতিনিধি তাহাকিক হাসানকে কুপিয়ে ও পিস্তলের বাট দিয়ে আঘাত করার অভিযোগ উঠেছে হাকিমপুর যুবদলের বহিষ্কৃত সদস্য রিপন আহমেদের বিরুদ্ধে। রোববার (৮ মার্চ) রাত ৯টা ১০ মিনিটে হাকিমপুর ডিগ্রি কলেজ গেট এলাকায় এই নৃশংস হামলার ঘটনা ঘটে।
ভুক্তভোগী সাংবাদিক তাহাকিক হাসান জানান, রিপন আহমেদ তাকে কথা বলার অজুহাতে মোবাইল ফোনে কলেজ গেটে ডেকে নেন। সেখানে পৌঁছালে রিপন তাকে নির্জন স্থানে নিয়ে গিয়ে ৩০ হাজার টাকা চাঁদা দাবি করেন। চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি জানালে রিপন তার কোমর থেকে একটি পিস্তল বের করে পিস্তলের বাট দিয়ে সাংবাদিকের ডান চোখের ওপরে আঘাত করেন। হামলার একপর্যায়ে রিপন তার পকেট থেকে নগদ ২ হাজার টাকা জোরপূর্বক ছিনিয়ে নেন।
প্রত্যক্ষদর্শী ও ভুক্তভোগীর বরাত দিয়ে জানা যায়, রিপনের সঙ্গে আরও ৩-৪ জন সন্ত্রাসী পল্লব আসাদসহ সাংবাদিককে ঘিরে ধরে মারধর করতে থাকে। জীবন বাঁচাতে তাহাকিক কলেজের গেটের দিকে দৌড়ে পালানোর চেষ্টা করেন, তবে হামলাকারীরা তাকে রাস্তায় ফেলে পুনরায় বেধড়ক মারধর করে। এক পর্যায়ে আসাদ নামক সহযোগী চাকু বের করতে গেলে তাহাকিক কোনোমতে হিলি চারমাথার দিকে পালিয়ে যান।
স্থানীয়রা তাকে রক্তাক্ত অবস্থায় উদ্ধার করে হাকিমপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স-এর জরুরি বিভাগে নিয়ে যান। কর্তব্যরত চিকিৎসক প্রাথমিক চিকিৎসার পর আঘাত গুরুতর হওয়ায় তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য জয়পুরহাট সরকারি হাসপাতালে রেফার করেন। বর্তমানে তিনি সেখানে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
ঘটনার বিষয়ে হাকিমপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জাকির হোসেন জানান, ভিক্টিমের জবানবন্দি গ্রহণ করা হয়েছে এবং আসামিদের শনাক্ত করা হয়েছে। তাদের গ্রেপ্তারে পুলিশ সর্বোচ্চ চেষ্টা চালাচ্ছে।
হিলির সাংবাদিক মহলে এই ন্যাক্কারজনক ঘটনায় তীব্র ক্ষোভ ও নিন্দা প্রকাশ করা হয়েছে। গণমাধ্যমকর্মীরা দোষীদের দ্রুত আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন এবং অন্যথায় কঠোর কর্মসূচির হুঁশিয়ারি দিয়েছেন।

আপনার মতামত লিখুন