পশ্চিমবঙ্গ পুলিশের স্পেশাল টাস্ক ফোর্স বা এসটিএফ গত ৭ মার্চ দিবাগত রাতে উত্তর চব্বিশ পরগণার বনগাঁ সীমান্ত এলাকা থেকে ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরিফ ওসমান বিন হাদি হত্যাকাণ্ডের প্রধান আসামি ফয়সাল করিম মাসুদ ও তার সহযোগী আলমগীর হোসেনকে গ্রেপ্তার করেছে। রোববার এক বিবৃতির মাধ্যমে ভারতের পশ্চিমবঙ্গ পুলিশ এই চাঞ্চল্যকর তথ্য নিশ্চিত করে।
এসটিএফ সূত্রে জানা গেছে যে বাংলাদেশে খুন ও চাঁদাবাজিসহ বিভিন্ন গুরুতর অপরাধে জড়িত থাকার পর এই দুই নাগরিক অবৈধভাবে সীমান্ত পাড়ি দিয়ে ভারতে প্রবেশ করেন। আসামিরা বনগাঁ এলাকায় আত্মগোপন করে পুনরায় বাংলাদেশে ফেরার পরিকল্পনা করছিলেন বলে গোয়েন্দা তথ্যে প্রকাশ পায়। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে গভীর রাতে অভিযান চালিয়ে পুলিশ তাদের আটক করতে সক্ষম হয়।
গ্রেপ্তারকৃতদের মধ্যে ফয়সাল করিম মাসুদ পটুয়াখালী জেলার বাসিন্দা এবং তার সহযোগী আলমগীর হোসেনের বাড়ি ঢাকায়। তাদের সংশ্লিষ্ট আদালতে হাজির করা হলে জিজ্ঞাসাবাদের প্রয়োজনীয়তা বিবেচনায় বিচারক ১৪ দিনের পুলিশ রিমান্ড মঞ্জুর করেন। বর্তমানে তাদের হেফাজতে রেখে এই অবৈধ অনুপ্রবেশ ও হত্যাকাণ্ডের বিষয়ে আরও তথ্য সংগ্রহের চেষ্টা চালাচ্ছে ভারতীয় পুলিশ।
তদন্ত ও পূর্ববর্তী প্রতিবেদন থেকে জানা যায় যে গত ১৪ ডিসেম্বর ওমান হাদিকে চলন্ত রিকশায় গুলি করার পর অভিযুক্তরা সুপরিকল্পিতভাবে আত্মগোপন করেন। তারা রাজধানীর মিরপুর থেকে ব্যক্তিগত গাড়িতে করে আশুলিয়া ও গাজীপুর হয়ে ময়মনসিংহে পৌঁছান। সেখান থেকে হালুয়াঘাট উপজেলার ভুটিয়াপাড়া সীমান্ত দিয়ে মোটরসাইকেলযোগে তারা সীমান্ত অতিক্রম করেন।
সীমান্ত পার হওয়ার প্রক্রিয়ায় তারা স্থানীয় দালালের সহায়তা নেন এবং পরবর্তীতে মেঘালয় হয়ে পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন স্থানে অবস্থান পরিবর্তন করতে থাকেন। উল্লেখ্য যে হত্যাকাণ্ডের পরপরই সীমান্ত এলাকায় অবস্থানরত সন্দেহভাজন দুই ব্যক্তিকে বাংলাদেশের পুলিশ আটক করেছিল। পশ্চিমবঙ্গ পুলিশের এই সফল অভিযান হাদি হত্যা মামলার বিচারে একটি বড় অগ্রগতি হিসেবে দেখা হচ্ছে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৮ মার্চ ২০২৬
পশ্চিমবঙ্গ পুলিশের স্পেশাল টাস্ক ফোর্স বা এসটিএফ গত ৭ মার্চ দিবাগত রাতে উত্তর চব্বিশ পরগণার বনগাঁ সীমান্ত এলাকা থেকে ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরিফ ওসমান বিন হাদি হত্যাকাণ্ডের প্রধান আসামি ফয়সাল করিম মাসুদ ও তার সহযোগী আলমগীর হোসেনকে গ্রেপ্তার করেছে। রোববার এক বিবৃতির মাধ্যমে ভারতের পশ্চিমবঙ্গ পুলিশ এই চাঞ্চল্যকর তথ্য নিশ্চিত করে।
এসটিএফ সূত্রে জানা গেছে যে বাংলাদেশে খুন ও চাঁদাবাজিসহ বিভিন্ন গুরুতর অপরাধে জড়িত থাকার পর এই দুই নাগরিক অবৈধভাবে সীমান্ত পাড়ি দিয়ে ভারতে প্রবেশ করেন। আসামিরা বনগাঁ এলাকায় আত্মগোপন করে পুনরায় বাংলাদেশে ফেরার পরিকল্পনা করছিলেন বলে গোয়েন্দা তথ্যে প্রকাশ পায়। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে গভীর রাতে অভিযান চালিয়ে পুলিশ তাদের আটক করতে সক্ষম হয়।
গ্রেপ্তারকৃতদের মধ্যে ফয়সাল করিম মাসুদ পটুয়াখালী জেলার বাসিন্দা এবং তার সহযোগী আলমগীর হোসেনের বাড়ি ঢাকায়। তাদের সংশ্লিষ্ট আদালতে হাজির করা হলে জিজ্ঞাসাবাদের প্রয়োজনীয়তা বিবেচনায় বিচারক ১৪ দিনের পুলিশ রিমান্ড মঞ্জুর করেন। বর্তমানে তাদের হেফাজতে রেখে এই অবৈধ অনুপ্রবেশ ও হত্যাকাণ্ডের বিষয়ে আরও তথ্য সংগ্রহের চেষ্টা চালাচ্ছে ভারতীয় পুলিশ।
তদন্ত ও পূর্ববর্তী প্রতিবেদন থেকে জানা যায় যে গত ১৪ ডিসেম্বর ওমান হাদিকে চলন্ত রিকশায় গুলি করার পর অভিযুক্তরা সুপরিকল্পিতভাবে আত্মগোপন করেন। তারা রাজধানীর মিরপুর থেকে ব্যক্তিগত গাড়িতে করে আশুলিয়া ও গাজীপুর হয়ে ময়মনসিংহে পৌঁছান। সেখান থেকে হালুয়াঘাট উপজেলার ভুটিয়াপাড়া সীমান্ত দিয়ে মোটরসাইকেলযোগে তারা সীমান্ত অতিক্রম করেন।
সীমান্ত পার হওয়ার প্রক্রিয়ায় তারা স্থানীয় দালালের সহায়তা নেন এবং পরবর্তীতে মেঘালয় হয়ে পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন স্থানে অবস্থান পরিবর্তন করতে থাকেন। উল্লেখ্য যে হত্যাকাণ্ডের পরপরই সীমান্ত এলাকায় অবস্থানরত সন্দেহভাজন দুই ব্যক্তিকে বাংলাদেশের পুলিশ আটক করেছিল। পশ্চিমবঙ্গ পুলিশের এই সফল অভিযান হাদি হত্যা মামলার বিচারে একটি বড় অগ্রগতি হিসেবে দেখা হচ্ছে।

আপনার মতামত লিখুন