চাঁদপুরের হাইমচর উপজেলার ৪ নম্বর নীলকমল ইউনিয়নের ঈশানবালা ২ নম্বর ওয়ার্ডে নির্মিত একটি কালভার্ট নির্মাণের মাত্র এক মাসের মধ্যেই ধসে পড়েছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, প্রায় ৬ থেকে ৭ লাখ টাকা ব্যয়ে নির্মিত এই কালভার্টটি একটি নছিমনের সামান্য ভারও সহ্য করতে না পেরে ভেঙে খালের মধ্যে পড়ে যায়। ঘটনাটি প্রকাশ্যে আসার পর এলাকায় ব্যাপক ক্ষোভ ও উদ্বেগের সৃষ্টি হয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সম্প্রতি এলাকার একটি খালের ওপর স্থানীয় জনগণের চলাচল সহজ করতে কালভার্টটি নির্মাণ করা হয়। নির্মাণকাজ শেষ হওয়ার কিছুদিন পরই একটি নছিমন কালভার্টের ওপর দিয়ে যাওয়ার সময় হঠাৎ করেই সেটি ধসে পড়ে। এতে কালভার্টের একটি অংশ ভেঙে সরাসরি খালের মধ্যে পড়ে যায়। যদিও এ ঘটনায় কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি, তবে কালভার্টটি ধসে পড়ায় এলাকার মানুষের চলাচলে মারাত্মক বিঘ্ন সৃষ্টি হয়েছে।
ঘটনার পর স্থানীয় বাসিন্দারা কালভার্টটি পরিদর্শন করে দেখতে পান, নির্মাণকাজে প্রয়োজনীয় মান বজায় রাখা হয়নি বলে তাদের অভিযোগ। তারা দাবি করেন, কালভার্টের ভেতরে কোনো ধরনের লোহার রড ব্যবহার করা হয়নি এবং নির্মাণসামগ্রীও ছিল নিম্নমানের। ফলে অল্প চাপেই এটি ভেঙে পড়ে। এলাকাবাসীর মতে, দায়িত্বে অবহেলা এবং নিম্নমানের সামগ্রী ব্যবহারের কারণেই এমন পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে।
এলাকাবাসী জানান, কালভার্টটি এলাকার মানুষের দৈনন্দিন যাতায়াতের একটি গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম ছিল। স্কুল-কলেজগামী শিক্ষার্থী, কৃষকসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ প্রতিদিন এই পথ ব্যবহার করতেন। কিন্তু নির্মাণের অল্প সময়ের মধ্যেই এটি ধসে পড়ায় এখন মানুষের চলাচলে চরম ভোগান্তির সৃষ্টি হয়েছে। অনেকেই বিকল্প পথ ব্যবহার করতে বাধ্য হচ্ছেন, যা সময়সাপেক্ষ ও ঝুঁকিপূর্ণ।
স্থানীয় একাধিক বাসিন্দা অভিযোগ করেন, সরকারের উন্নয়ন প্রকল্পের অর্থ সঠিকভাবে ব্যয় করা হলে এমন ঘটনা ঘটত না। তাদের দাবি, নির্মাণকাজের সময় যথাযথ তদারকি করা হয়নি বলেই এত অল্প সময়ের মধ্যে কালভার্টটি ধসে পড়েছে। তারা মনে করেন, প্রকল্প বাস্তবায়নের সঙ্গে সংশ্লিষ্টদের দায়িত্বহীনতার ফলেই জনগণের অর্থে নির্মিত অবকাঠামো এমনভাবে নষ্ট হয়ে গেছে।
এ ঘটনায় এলাকাবাসী ও সচেতন মহল দ্রুত সুষ্ঠু তদন্ত করে দায়ীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন। একই সঙ্গে তারা টেকসই ও মানসম্মতভাবে পুনরায় কালভার্টটি নির্মাণ করার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন, যাতে ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনার পুনরাবৃত্তি না ঘটে এবং এলাকাবাসীর স্বাভাবিক চলাচল নিশ্চিত করা যায়।
এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে এখনো আনুষ্ঠানিক কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তবে স্থানীয় প্রশাসন বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন এলাকাবাসী।

বুধবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৮ মার্চ ২০২৬
চাঁদপুরের হাইমচর উপজেলার ৪ নম্বর নীলকমল ইউনিয়নের ঈশানবালা ২ নম্বর ওয়ার্ডে নির্মিত একটি কালভার্ট নির্মাণের মাত্র এক মাসের মধ্যেই ধসে পড়েছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, প্রায় ৬ থেকে ৭ লাখ টাকা ব্যয়ে নির্মিত এই কালভার্টটি একটি নছিমনের সামান্য ভারও সহ্য করতে না পেরে ভেঙে খালের মধ্যে পড়ে যায়। ঘটনাটি প্রকাশ্যে আসার পর এলাকায় ব্যাপক ক্ষোভ ও উদ্বেগের সৃষ্টি হয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সম্প্রতি এলাকার একটি খালের ওপর স্থানীয় জনগণের চলাচল সহজ করতে কালভার্টটি নির্মাণ করা হয়। নির্মাণকাজ শেষ হওয়ার কিছুদিন পরই একটি নছিমন কালভার্টের ওপর দিয়ে যাওয়ার সময় হঠাৎ করেই সেটি ধসে পড়ে। এতে কালভার্টের একটি অংশ ভেঙে সরাসরি খালের মধ্যে পড়ে যায়। যদিও এ ঘটনায় কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি, তবে কালভার্টটি ধসে পড়ায় এলাকার মানুষের চলাচলে মারাত্মক বিঘ্ন সৃষ্টি হয়েছে।
ঘটনার পর স্থানীয় বাসিন্দারা কালভার্টটি পরিদর্শন করে দেখতে পান, নির্মাণকাজে প্রয়োজনীয় মান বজায় রাখা হয়নি বলে তাদের অভিযোগ। তারা দাবি করেন, কালভার্টের ভেতরে কোনো ধরনের লোহার রড ব্যবহার করা হয়নি এবং নির্মাণসামগ্রীও ছিল নিম্নমানের। ফলে অল্প চাপেই এটি ভেঙে পড়ে। এলাকাবাসীর মতে, দায়িত্বে অবহেলা এবং নিম্নমানের সামগ্রী ব্যবহারের কারণেই এমন পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে।
এলাকাবাসী জানান, কালভার্টটি এলাকার মানুষের দৈনন্দিন যাতায়াতের একটি গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম ছিল। স্কুল-কলেজগামী শিক্ষার্থী, কৃষকসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ প্রতিদিন এই পথ ব্যবহার করতেন। কিন্তু নির্মাণের অল্প সময়ের মধ্যেই এটি ধসে পড়ায় এখন মানুষের চলাচলে চরম ভোগান্তির সৃষ্টি হয়েছে। অনেকেই বিকল্প পথ ব্যবহার করতে বাধ্য হচ্ছেন, যা সময়সাপেক্ষ ও ঝুঁকিপূর্ণ।
স্থানীয় একাধিক বাসিন্দা অভিযোগ করেন, সরকারের উন্নয়ন প্রকল্পের অর্থ সঠিকভাবে ব্যয় করা হলে এমন ঘটনা ঘটত না। তাদের দাবি, নির্মাণকাজের সময় যথাযথ তদারকি করা হয়নি বলেই এত অল্প সময়ের মধ্যে কালভার্টটি ধসে পড়েছে। তারা মনে করেন, প্রকল্প বাস্তবায়নের সঙ্গে সংশ্লিষ্টদের দায়িত্বহীনতার ফলেই জনগণের অর্থে নির্মিত অবকাঠামো এমনভাবে নষ্ট হয়ে গেছে।
এ ঘটনায় এলাকাবাসী ও সচেতন মহল দ্রুত সুষ্ঠু তদন্ত করে দায়ীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন। একই সঙ্গে তারা টেকসই ও মানসম্মতভাবে পুনরায় কালভার্টটি নির্মাণ করার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন, যাতে ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনার পুনরাবৃত্তি না ঘটে এবং এলাকাবাসীর স্বাভাবিক চলাচল নিশ্চিত করা যায়।
এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে এখনো আনুষ্ঠানিক কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তবে স্থানীয় প্রশাসন বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন এলাকাবাসী।

আপনার মতামত লিখুন