অর্থনৈতিকভাবে পিছিয়ে পড়া নারীদের ক্ষমতায়ন নিশ্চিত করতে সরকারের গৃহীত ‘ফ্যামিলি কার্ড’ কর্মসূচি আগামী ১০ মার্চ থেকে দেশব্যাপী শুরু হতে যাচ্ছে। রবিবার রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে আন্তর্জাতিক নারী দিবস-২০২৬ উপলক্ষে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন এই যুগান্তকারী ঘোষণা প্রদান করেন।
মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয় আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির ভাষণে রাষ্ট্রপতি বলেন, ফ্যামিলি কার্ডের মাধ্যমে প্রান্তিক পরিবারগুলোর আর্থিক স্বাবলম্বিতা অর্জনে এক ইতিবাচক পরিবর্তনের সূচনা হবে। তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন যে নারীর অধিকার ও ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠায় সরকার এবং সংশ্লিষ্ট সকল পক্ষ এই উদ্যোগের সুফল পেতে কার্যকর ভূমিকা রাখবে। দেশের জিডিপিতে নারীদের প্রায় ১৬ শতাংশ অবদানের কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে তিনি কৃষি, শিল্প, শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসহ সকল ক্ষেত্রে তাদের অসামান্য ভূমিকার প্রশংসা করেন।
নারীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করার বিষয়ে গুরুত্বারোপ করে রাষ্ট্রপতি বলেন, উন্নয়ন পরিকল্পনার প্রকৃত সুফল পেতে হলে ঘরে ও বাইরে নারীর জন্য নিরাপদ পরিবেশ তৈরি করা অপরিহার্য। তিনি বর্তমান সময়ে সামাজিক হয়রানির পাশাপাশি অনলাইন মাধ্যমে নারীর চরিত্রহনন ও সাইবার বুলিংকে একটি বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে চিহ্নিত করেন। এই ধরনের অপরাধ নিয়ন্ত্রণে সরকার বিশেষ ব্যবস্থা গ্রহণ করছে জানিয়ে তিনি বলেন, বাল্যবিবাহের মতো সামাজিক ব্যাধি মোকাবিলায় কঠোর আইন প্রয়োগের পাশাপাশি ব্যাপক সামাজিক সচেতনতা গড়ে তুলতে হবে।
অনুষ্ঠানে রাষ্ট্রপতি আরও উল্লেখ করেন যে নারী নির্যাতন ও সহিংসতার বিরুদ্ধে দ্রুত বিচার এবং দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করতে সরকার বদ্ধপরিকর। সরকারের আন্তরিক প্রচেষ্টায় অতীতেও যেমন ইতিবাচক ফল পাওয়া গেছে, ভবিষ্যতেও সম্মিলিত প্রচেষ্টায় নারীদের উন্নয়ন ও সমৃদ্ধি নিশ্চিত করা সম্ভব হবে বলে তিনি দৃঢ় বিশ্বাস ব্যক্ত করেন। ১০ মার্চ থেকে শুরু হতে যাওয়া এই ফ্যামিলি কার্ড কার্যক্রমটি দেশের দরিদ্র নারীদের ভাগ্য বদলে নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে বলে সংশ্লিষ্ট মহলে আশা করা হচ্ছে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৮ মার্চ ২০২৬
অর্থনৈতিকভাবে পিছিয়ে পড়া নারীদের ক্ষমতায়ন নিশ্চিত করতে সরকারের গৃহীত ‘ফ্যামিলি কার্ড’ কর্মসূচি আগামী ১০ মার্চ থেকে দেশব্যাপী শুরু হতে যাচ্ছে। রবিবার রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে আন্তর্জাতিক নারী দিবস-২০২৬ উপলক্ষে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন এই যুগান্তকারী ঘোষণা প্রদান করেন।
মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয় আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির ভাষণে রাষ্ট্রপতি বলেন, ফ্যামিলি কার্ডের মাধ্যমে প্রান্তিক পরিবারগুলোর আর্থিক স্বাবলম্বিতা অর্জনে এক ইতিবাচক পরিবর্তনের সূচনা হবে। তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন যে নারীর অধিকার ও ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠায় সরকার এবং সংশ্লিষ্ট সকল পক্ষ এই উদ্যোগের সুফল পেতে কার্যকর ভূমিকা রাখবে। দেশের জিডিপিতে নারীদের প্রায় ১৬ শতাংশ অবদানের কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে তিনি কৃষি, শিল্প, শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসহ সকল ক্ষেত্রে তাদের অসামান্য ভূমিকার প্রশংসা করেন।
নারীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করার বিষয়ে গুরুত্বারোপ করে রাষ্ট্রপতি বলেন, উন্নয়ন পরিকল্পনার প্রকৃত সুফল পেতে হলে ঘরে ও বাইরে নারীর জন্য নিরাপদ পরিবেশ তৈরি করা অপরিহার্য। তিনি বর্তমান সময়ে সামাজিক হয়রানির পাশাপাশি অনলাইন মাধ্যমে নারীর চরিত্রহনন ও সাইবার বুলিংকে একটি বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে চিহ্নিত করেন। এই ধরনের অপরাধ নিয়ন্ত্রণে সরকার বিশেষ ব্যবস্থা গ্রহণ করছে জানিয়ে তিনি বলেন, বাল্যবিবাহের মতো সামাজিক ব্যাধি মোকাবিলায় কঠোর আইন প্রয়োগের পাশাপাশি ব্যাপক সামাজিক সচেতনতা গড়ে তুলতে হবে।
অনুষ্ঠানে রাষ্ট্রপতি আরও উল্লেখ করেন যে নারী নির্যাতন ও সহিংসতার বিরুদ্ধে দ্রুত বিচার এবং দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করতে সরকার বদ্ধপরিকর। সরকারের আন্তরিক প্রচেষ্টায় অতীতেও যেমন ইতিবাচক ফল পাওয়া গেছে, ভবিষ্যতেও সম্মিলিত প্রচেষ্টায় নারীদের উন্নয়ন ও সমৃদ্ধি নিশ্চিত করা সম্ভব হবে বলে তিনি দৃঢ় বিশ্বাস ব্যক্ত করেন। ১০ মার্চ থেকে শুরু হতে যাওয়া এই ফ্যামিলি কার্ড কার্যক্রমটি দেশের দরিদ্র নারীদের ভাগ্য বদলে নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে বলে সংশ্লিষ্ট মহলে আশা করা হচ্ছে।

আপনার মতামত লিখুন