দুর্যোগ মোকাবিলায় সমন্বয়হীনতা দূর করতে এবং দ্রুত সিদ্ধান্ত গ্রহণ নিশ্চিত করতে একটি সমন্বিত কর্তৃপক্ষ গঠনের পরিকল্পনা করছে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়। বিভিন্ন সংস্থার কার্যক্রমকে এক প্ল্যাটফর্মের আওতায় আনাই এই উদ্যোগের মূল লক্ষ্য।
মন্ত্রণালয় সূত্র জানায়, বর্তমানে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনার সঙ্গে যুক্ত একাধিক সংস্থা — যেমন বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি, সাইক্লোন প্রিপেয়ার্ডনেস প্রোগ্রাম (সিপিপি) এবং রোভার স্কাউট — আলাদা কাঠামোর অধীনে পরিচালিত হচ্ছে। এতে মাঠপর্যায়ে সমন্বয়ের ঘাটতি, সময়ক্ষেপণ এবং ব্যয় বৃদ্ধি পাচ্ছে। প্রস্তাবিত কর্তৃপক্ষ গঠিত হলে দুর্যোগ মোকাবিলা, উদ্ধার তৎপরতা, ত্রাণ বিতরণ, প্রশিক্ষণ ও সচেতনতামূলক কার্যক্রম সবকিছু একটিমাত্র সমন্বিত কাঠামোর অধীনে পরিচালিত হবে। মন্ত্রণালয়ের এক যুগ্ম সচিব জানান, অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে বিষয়টি নিয়ে প্রাথমিক প্রস্তাব তৈরি হয়েছিল। নতুন সরকার ক্ষমতায় আসার পর তা আবার আলোচনায় এসেছে। আগামী ১১ মার্চ প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে মন্ত্রণালয়ের সার্বিক কার্যক্রম নিয়ে মতবিনিময় সভায় এই প্রস্তাব উপস্থাপন করা হতে পারে।
আবহাওয়া বিশেষজ্ঞ আবদুল মান্নান বলেন, বাংলাদেশ ভৌগোলিকভাবে দুর্যোগপ্রবণ দেশ। ঘূর্ণিঝড়, বন্যা, কালবৈশাখী বা জলোচ্ছ্বাস — প্রতিটি দুর্যোগ মোকাবিলায় দ্রুত সিদ্ধান্ত ও সমন্বিত কার্যক্রম অপরিহার্য। সংশ্লিষ্টরা আরও জানান, সামনেই বৈশাখ মাস। বৈশাখ থেকে আষাঢ় — এই তিন মাস ঝড়-কালবৈশাখী-ঘূর্ণিঝড় ও বন্যার ঝুঁকি সবচেয়ে বেশি থাকে। ফলে এই মুহূর্তে আগাম প্রস্তুতি ও সমন্বিত ব্যবস্থাপনার গুরুত্ব আরও বেশি।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৮ মার্চ ২০২৬
দুর্যোগ মোকাবিলায় সমন্বয়হীনতা দূর করতে এবং দ্রুত সিদ্ধান্ত গ্রহণ নিশ্চিত করতে একটি সমন্বিত কর্তৃপক্ষ গঠনের পরিকল্পনা করছে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়। বিভিন্ন সংস্থার কার্যক্রমকে এক প্ল্যাটফর্মের আওতায় আনাই এই উদ্যোগের মূল লক্ষ্য।
মন্ত্রণালয় সূত্র জানায়, বর্তমানে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনার সঙ্গে যুক্ত একাধিক সংস্থা — যেমন বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি, সাইক্লোন প্রিপেয়ার্ডনেস প্রোগ্রাম (সিপিপি) এবং রোভার স্কাউট — আলাদা কাঠামোর অধীনে পরিচালিত হচ্ছে। এতে মাঠপর্যায়ে সমন্বয়ের ঘাটতি, সময়ক্ষেপণ এবং ব্যয় বৃদ্ধি পাচ্ছে। প্রস্তাবিত কর্তৃপক্ষ গঠিত হলে দুর্যোগ মোকাবিলা, উদ্ধার তৎপরতা, ত্রাণ বিতরণ, প্রশিক্ষণ ও সচেতনতামূলক কার্যক্রম সবকিছু একটিমাত্র সমন্বিত কাঠামোর অধীনে পরিচালিত হবে। মন্ত্রণালয়ের এক যুগ্ম সচিব জানান, অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে বিষয়টি নিয়ে প্রাথমিক প্রস্তাব তৈরি হয়েছিল। নতুন সরকার ক্ষমতায় আসার পর তা আবার আলোচনায় এসেছে। আগামী ১১ মার্চ প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে মন্ত্রণালয়ের সার্বিক কার্যক্রম নিয়ে মতবিনিময় সভায় এই প্রস্তাব উপস্থাপন করা হতে পারে।
আবহাওয়া বিশেষজ্ঞ আবদুল মান্নান বলেন, বাংলাদেশ ভৌগোলিকভাবে দুর্যোগপ্রবণ দেশ। ঘূর্ণিঝড়, বন্যা, কালবৈশাখী বা জলোচ্ছ্বাস — প্রতিটি দুর্যোগ মোকাবিলায় দ্রুত সিদ্ধান্ত ও সমন্বিত কার্যক্রম অপরিহার্য। সংশ্লিষ্টরা আরও জানান, সামনেই বৈশাখ মাস। বৈশাখ থেকে আষাঢ় — এই তিন মাস ঝড়-কালবৈশাখী-ঘূর্ণিঝড় ও বন্যার ঝুঁকি সবচেয়ে বেশি থাকে। ফলে এই মুহূর্তে আগাম প্রস্তুতি ও সমন্বিত ব্যবস্থাপনার গুরুত্ব আরও বেশি।

আপনার মতামত লিখুন