ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের জরুরি বিভাগের আবাসিক সার্জন ডা. মোস্তাক আহমেদ জানিয়েছেন, শরিফ ওসমান হাদিকে যখন জরুরি বিভাগে আনা হয় তখন তাঁর অবস্থা ছিল অত্যন্ত আশঙ্কাজনক। দ্রুত তাঁকে সিপিআর দেওয়া হয়। বর্তমানে রক্তচাপ কিছুটা স্থিতিশীল হলেও মাথার ভেতরে গুলি রয়েছে এবং কানের আশপাশে গুরুতর জখম হয়েছে। বিকেল সাড়ে ৩টা পর্যন্ত তাঁকে জরুরি বিভাগেই চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছিল।
দুপুর আড়াইটার দিকে রাজধানীর বিজয়নগরে ঢাকা-৮ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী ও ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরিফ ওসমান হাদিকে গুলি করে পালিয়ে যায় দুই মোটরসাইকেল আরোহী দুর্বৃত্ত। জুমার নামাজ শেষে রিকশায় যাওয়ার সময়ই হামলাটি ঘটে। তাঁর সঙ্গে থাকা মিসবাহ জানান, মোটরসাইকেলে এসে দুই ব্যক্তি কাছ থেকে গুলি চালায়। গুলিটি হাদির বাম কানের নিচে লাগে। পরে রিকশায় করেই তাঁকে ঢামেকে আনা হয়।
প্রসঙ্গত, গত নভেম্বরেই দেশি-বিদেশি বিভিন্ন নম্বর থেকে তিনি একের পর এক হুমকি পাচ্ছিলেন বলে অভিযোগ করেছিলেন। ১৪ নভেম্বর ফেসবুকে দেওয়া এক পোস্টে তিনি উল্লেখ করেন—তাকে হত্যা, বাড়িতে আগুন দেওয়া এবং তাঁর মা, বোন ও স্ত্রীকে ধর্ষণের হুমকি দেওয়া হচ্ছে। তিনি দাবি করেন, অন্তত ৩০টি বিদেশি নম্বর থেকে কল ও বার্তা এসে তাকে সর্বক্ষণ নজরদারিতে রাখার কথাও জানানো হয়েছিল।
ঘটনার পরপরই এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। পুলিশ হামলাকারীদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে তদন্ত শুরু করেছে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১২ ডিসেম্বর ২০২৫
ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের জরুরি বিভাগের আবাসিক সার্জন ডা. মোস্তাক আহমেদ জানিয়েছেন, শরিফ ওসমান হাদিকে যখন জরুরি বিভাগে আনা হয় তখন তাঁর অবস্থা ছিল অত্যন্ত আশঙ্কাজনক। দ্রুত তাঁকে সিপিআর দেওয়া হয়। বর্তমানে রক্তচাপ কিছুটা স্থিতিশীল হলেও মাথার ভেতরে গুলি রয়েছে এবং কানের আশপাশে গুরুতর জখম হয়েছে। বিকেল সাড়ে ৩টা পর্যন্ত তাঁকে জরুরি বিভাগেই চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছিল।
দুপুর আড়াইটার দিকে রাজধানীর বিজয়নগরে ঢাকা-৮ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী ও ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরিফ ওসমান হাদিকে গুলি করে পালিয়ে যায় দুই মোটরসাইকেল আরোহী দুর্বৃত্ত। জুমার নামাজ শেষে রিকশায় যাওয়ার সময়ই হামলাটি ঘটে। তাঁর সঙ্গে থাকা মিসবাহ জানান, মোটরসাইকেলে এসে দুই ব্যক্তি কাছ থেকে গুলি চালায়। গুলিটি হাদির বাম কানের নিচে লাগে। পরে রিকশায় করেই তাঁকে ঢামেকে আনা হয়।
প্রসঙ্গত, গত নভেম্বরেই দেশি-বিদেশি বিভিন্ন নম্বর থেকে তিনি একের পর এক হুমকি পাচ্ছিলেন বলে অভিযোগ করেছিলেন। ১৪ নভেম্বর ফেসবুকে দেওয়া এক পোস্টে তিনি উল্লেখ করেন—তাকে হত্যা, বাড়িতে আগুন দেওয়া এবং তাঁর মা, বোন ও স্ত্রীকে ধর্ষণের হুমকি দেওয়া হচ্ছে। তিনি দাবি করেন, অন্তত ৩০টি বিদেশি নম্বর থেকে কল ও বার্তা এসে তাকে সর্বক্ষণ নজরদারিতে রাখার কথাও জানানো হয়েছিল।
ঘটনার পরপরই এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। পুলিশ হামলাকারীদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে তদন্ত শুরু করেছে।

আপনার মতামত লিখুন