সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী ফারজানা শারমীন আজ বলেন, বংশগত রক্তের রোগ থ্যালাসেমিয়া নিয়ন্ত্রণে জনসচেতনতা বৃদ্ধিই সবচেয়ে কার্যকর উপায়। তিনি এই মন্তব্য করেন বাংলাদেশ থ্যালাসেমিয়া সমিতির (বিটিএস) প্রধান কার্যালয়ে আয়োজিত বিটিএস লটারি‑২০২৫ পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশে প্রায় ১১.৪ শতাংশ মানুষ থ্যালাসেমিয়ার বাহক, যা আগে থেকে সতর্কতা অবলম্বনের মাধ্যমে নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব। তিনি আরও উল্লেখ করেন, রোগটির চিকিৎসা ব্যয়বহুল হওয়ায় বেশিরভাগ রোগী তা বহন করতে পারে না। তাই জনসচেতনতা ও বিয়ের আগে রক্ত পরীক্ষা করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
তিনি সমিতিকে পরামর্শ দেন, নীতিগত উদ্যোগ, কার্যকর পদক্ষেপ ও চিকিৎসা সহায়তা নিয়ে সরকারের সঙ্গে সমন্বয় করতে। অনুষ্ঠানে কিছু থ্যালাসেমিয়া আক্রান্ত ব্যক্তি তাদের জীবন সংগ্রামের অভিজ্ঞতা শেয়ার করেন এবং বিনামূল্যে হিমোগ্লোবিন ইলেক্ট্রোফোরেসিস টেস্ট এবং বিশেষায়িত হাসপাতাল স্থাপনের দাবি তুলেন।
স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা জানান, থ্যালাসেমিয়া একটি বংশগত ও প্রতিরোধযোগ্য রোগ। জনসচেতনতা, স্ক্রিনিং এবং স্বাস্থ্যসেবা উন্নয়নের মাধ্যমে রোগের বিস্তার কমানো সম্ভব।
প্রতিমন্ত্রীর এই বক্তব্য এবং অনুষ্ঠান বাংলাদেশের স্বাস্থ্য অঙ্গনে থ্যালাসেমিয়া নিয়ন্ত্রণে জনসচেতনতার গুরুত্বকে তুলে ধরেছে। দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে সচেতনতা বৃদ্ধি, রক্ত পরীক্ষা ও শিক্ষামূলক কার্যক্রমের মাধ্যমে এই জিনগত রোগের বিস্তার নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব বলে আশা করা হচ্ছে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৭ মার্চ ২০২৬
সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী ফারজানা শারমীন আজ বলেন, বংশগত রক্তের রোগ থ্যালাসেমিয়া নিয়ন্ত্রণে জনসচেতনতা বৃদ্ধিই সবচেয়ে কার্যকর উপায়। তিনি এই মন্তব্য করেন বাংলাদেশ থ্যালাসেমিয়া সমিতির (বিটিএস) প্রধান কার্যালয়ে আয়োজিত বিটিএস লটারি‑২০২৫ পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশে প্রায় ১১.৪ শতাংশ মানুষ থ্যালাসেমিয়ার বাহক, যা আগে থেকে সতর্কতা অবলম্বনের মাধ্যমে নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব। তিনি আরও উল্লেখ করেন, রোগটির চিকিৎসা ব্যয়বহুল হওয়ায় বেশিরভাগ রোগী তা বহন করতে পারে না। তাই জনসচেতনতা ও বিয়ের আগে রক্ত পরীক্ষা করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
তিনি সমিতিকে পরামর্শ দেন, নীতিগত উদ্যোগ, কার্যকর পদক্ষেপ ও চিকিৎসা সহায়তা নিয়ে সরকারের সঙ্গে সমন্বয় করতে। অনুষ্ঠানে কিছু থ্যালাসেমিয়া আক্রান্ত ব্যক্তি তাদের জীবন সংগ্রামের অভিজ্ঞতা শেয়ার করেন এবং বিনামূল্যে হিমোগ্লোবিন ইলেক্ট্রোফোরেসিস টেস্ট এবং বিশেষায়িত হাসপাতাল স্থাপনের দাবি তুলেন।
স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা জানান, থ্যালাসেমিয়া একটি বংশগত ও প্রতিরোধযোগ্য রোগ। জনসচেতনতা, স্ক্রিনিং এবং স্বাস্থ্যসেবা উন্নয়নের মাধ্যমে রোগের বিস্তার কমানো সম্ভব।
প্রতিমন্ত্রীর এই বক্তব্য এবং অনুষ্ঠান বাংলাদেশের স্বাস্থ্য অঙ্গনে থ্যালাসেমিয়া নিয়ন্ত্রণে জনসচেতনতার গুরুত্বকে তুলে ধরেছে। দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে সচেতনতা বৃদ্ধি, রক্ত পরীক্ষা ও শিক্ষামূলক কার্যক্রমের মাধ্যমে এই জিনগত রোগের বিস্তার নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব বলে আশা করা হচ্ছে।

আপনার মতামত লিখুন