আজ বাংলাদেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে স্মরণীয় দিন হিসেবে পালিত হচ্ছে তারেক রহমানের ২০তম কারাবন্দি দিবস। ২০০৭ সালের এই দিনে তৎকালীন সেনা‑সমর্থিত তত্ত্বাবধায়ক সরকার তাকে রাজধানী থেকে গ্রেপ্তার করেছিল। বিএনপি দাবি করে, গ্রেপ্তারের সময় তার বিরুদ্ধে কোনো সুনির্দিষ্ট অভিযোগ বা ওয়ারেন্ট ছিল না।
গ্রেপ্তারের পর তাকে একাধিক মামলায় রিমান্ডে নেওয়া হয়। দলীয় সূত্রে জানা গেছে, সে সময়ে তারেক রহমান শারীরিক ও মানসিক নির্যাতনের শিকার হন। প্রায় ১৮ মাস কারাগারে থাকার পর ২০০৮ সালের ৩ সেপ্টেম্বর তাকে জামিনে মুক্তি দেওয়া হয় এবং পরবর্তীতে উন্নত চিকিৎসার জন্য বিদেশে চলে যান।
বিএনপি এবং সংশ্লিষ্ট সমর্থক সংগঠনগুলো আজ দিবসটি স্মরণ করছে। দলীয় আলোচনা সভা, দোয়া ও স্মরণ অনুষ্ঠান আয়োজনের মাধ্যমে ২০০৭ সালের গ্রেপ্তার ও পরবর্তী সময়ে তার রাজনৈতিক সংগ্রামের স্মৃতি তুলে ধরা হচ্ছে।
রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞরা বলছেন, দীর্ঘ নির্বাসন ও কারাবন্দির এই ২০ বছরের ইতিহাস তারেক রহমানের রাজনৈতিক গতিবিধি ও বিএনপি‑এর রাজনীতিক অবস্থানকে দৃঢ় করেছে। দিনটি বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমেও গুরুত্বসহকারে প্রতিফলিত হচ্ছে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৭ মার্চ ২০২৬
আজ বাংলাদেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে স্মরণীয় দিন হিসেবে পালিত হচ্ছে তারেক রহমানের ২০তম কারাবন্দি দিবস। ২০০৭ সালের এই দিনে তৎকালীন সেনা‑সমর্থিত তত্ত্বাবধায়ক সরকার তাকে রাজধানী থেকে গ্রেপ্তার করেছিল। বিএনপি দাবি করে, গ্রেপ্তারের সময় তার বিরুদ্ধে কোনো সুনির্দিষ্ট অভিযোগ বা ওয়ারেন্ট ছিল না।
গ্রেপ্তারের পর তাকে একাধিক মামলায় রিমান্ডে নেওয়া হয়। দলীয় সূত্রে জানা গেছে, সে সময়ে তারেক রহমান শারীরিক ও মানসিক নির্যাতনের শিকার হন। প্রায় ১৮ মাস কারাগারে থাকার পর ২০০৮ সালের ৩ সেপ্টেম্বর তাকে জামিনে মুক্তি দেওয়া হয় এবং পরবর্তীতে উন্নত চিকিৎসার জন্য বিদেশে চলে যান।
বিএনপি এবং সংশ্লিষ্ট সমর্থক সংগঠনগুলো আজ দিবসটি স্মরণ করছে। দলীয় আলোচনা সভা, দোয়া ও স্মরণ অনুষ্ঠান আয়োজনের মাধ্যমে ২০০৭ সালের গ্রেপ্তার ও পরবর্তী সময়ে তার রাজনৈতিক সংগ্রামের স্মৃতি তুলে ধরা হচ্ছে।
রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞরা বলছেন, দীর্ঘ নির্বাসন ও কারাবন্দির এই ২০ বছরের ইতিহাস তারেক রহমানের রাজনৈতিক গতিবিধি ও বিএনপি‑এর রাজনীতিক অবস্থানকে দৃঢ় করেছে। দিনটি বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমেও গুরুত্বসহকারে প্রতিফলিত হচ্ছে।

আপনার মতামত লিখুন