জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (জকসু)–এর প্যাড ব্যবহার করে সংগঠনটির দুই নেতার পদত্যাগ দাবি করেছেন ছাত্রদল সমর্থিত কয়েকজন প্রতিনিধি। শনিবার (৭ মার্চ) দেওয়া এক বিবৃতিতে তারা বলেন, সাম্প্রতিক একটি ঘটনাকে কেন্দ্র করে জকসুর ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হয়েছে। তাই সংগঠনের স্বার্থে সংশ্লিষ্ট দুই নেতার পদত্যাগ করা উচিত।
বিবৃতিতে স্বাক্ষর করেন জকসুর পরিবহন সম্পাদক মাহিদ হোসেন, পাঠাগার ও সেমিনার সম্পাদক রিয়াসাল রাকিব, সাহিত্য ও সংস্কৃতি সম্পাদক তাকরিম মিয়া এবং কার্যনির্বাহী সদস্য সাদমান সাম্য। তারা অভিযোগ করেন, জকসুর নাম ব্যবহার করে যেসব বিবৃতি বা কার্যক্রম পরিচালিত হয়েছে, তার অনেকগুলোই সংগঠনের আনুষ্ঠানিক সিদ্ধান্ত নয়। এতে সাধারণ শিক্ষার্থীদের মধ্যে বিভ্রান্তি সৃষ্টি হয়েছে।
বিবৃতিতে জকসুর জেনারেল সেক্রেটারি (জিএস) আব্দুল আলিম আরিফ এবং শিক্ষা ও গবেষণা সম্পাদক ইব্রাহিম খলিলের পদত্যাগ দাবি করা হয়। তাদের মতে, সাম্প্রতিক একটি ঘটনার পর গণমাধ্যমে প্রকাশিত বিভিন্ন প্রতিবেদনে এই দুই নেতার নাম উঠে আসায় জকসুর ভাবমূর্তি প্রশ্নের মুখে পড়েছে।
ঘটনার পটভূমিতে জানা যায়, সম্প্রতি জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় সাংবাদিক সমিতির কার্যালয়ে হামলা ও দখলচেষ্টার অভিযোগ ওঠে। এতে কয়েকজন সাংবাদিক আহত হওয়ার খবরও বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত হয়। ওই ঘটনার পর থেকেই বিষয়টি নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে আলোচনা শুরু হয় এবং জকসুর অভ্যন্তরে মতবিরোধ দেখা দেয়।
এ পরিস্থিতিতে ছাত্রদল সমর্থিত জকসুর কয়েকজন প্রতিনিধি সংগঠনের অফিসিয়াল প্যাডে বিবৃতি দিয়ে সংশ্লিষ্ট দুই নেতার পদত্যাগ দাবি করেন। তারা মনে করেন, জকসুর সুনাম ও কার্যক্রমের স্বচ্ছতা বজায় রাখতে এ বিষয়ে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া প্রয়োজন।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৭ মার্চ ২০২৬
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (জকসু)–এর প্যাড ব্যবহার করে সংগঠনটির দুই নেতার পদত্যাগ দাবি করেছেন ছাত্রদল সমর্থিত কয়েকজন প্রতিনিধি। শনিবার (৭ মার্চ) দেওয়া এক বিবৃতিতে তারা বলেন, সাম্প্রতিক একটি ঘটনাকে কেন্দ্র করে জকসুর ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হয়েছে। তাই সংগঠনের স্বার্থে সংশ্লিষ্ট দুই নেতার পদত্যাগ করা উচিত।
বিবৃতিতে স্বাক্ষর করেন জকসুর পরিবহন সম্পাদক মাহিদ হোসেন, পাঠাগার ও সেমিনার সম্পাদক রিয়াসাল রাকিব, সাহিত্য ও সংস্কৃতি সম্পাদক তাকরিম মিয়া এবং কার্যনির্বাহী সদস্য সাদমান সাম্য। তারা অভিযোগ করেন, জকসুর নাম ব্যবহার করে যেসব বিবৃতি বা কার্যক্রম পরিচালিত হয়েছে, তার অনেকগুলোই সংগঠনের আনুষ্ঠানিক সিদ্ধান্ত নয়। এতে সাধারণ শিক্ষার্থীদের মধ্যে বিভ্রান্তি সৃষ্টি হয়েছে।
বিবৃতিতে জকসুর জেনারেল সেক্রেটারি (জিএস) আব্দুল আলিম আরিফ এবং শিক্ষা ও গবেষণা সম্পাদক ইব্রাহিম খলিলের পদত্যাগ দাবি করা হয়। তাদের মতে, সাম্প্রতিক একটি ঘটনার পর গণমাধ্যমে প্রকাশিত বিভিন্ন প্রতিবেদনে এই দুই নেতার নাম উঠে আসায় জকসুর ভাবমূর্তি প্রশ্নের মুখে পড়েছে।
ঘটনার পটভূমিতে জানা যায়, সম্প্রতি জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় সাংবাদিক সমিতির কার্যালয়ে হামলা ও দখলচেষ্টার অভিযোগ ওঠে। এতে কয়েকজন সাংবাদিক আহত হওয়ার খবরও বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত হয়। ওই ঘটনার পর থেকেই বিষয়টি নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে আলোচনা শুরু হয় এবং জকসুর অভ্যন্তরে মতবিরোধ দেখা দেয়।
এ পরিস্থিতিতে ছাত্রদল সমর্থিত জকসুর কয়েকজন প্রতিনিধি সংগঠনের অফিসিয়াল প্যাডে বিবৃতি দিয়ে সংশ্লিষ্ট দুই নেতার পদত্যাগ দাবি করেন। তারা মনে করেন, জকসুর সুনাম ও কার্যক্রমের স্বচ্ছতা বজায় রাখতে এ বিষয়ে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া প্রয়োজন।

আপনার মতামত লিখুন