নোয়াখালীর বেগমগঞ্জ উপজেলায় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পুলিশের বিশেষ অভিযানে একটি বিদেশি পিস্তল ও দুই রাউন্ড গুলিসহ দুইজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এ সময় পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে আরও একজন পালিয়ে যায়। শনিবার (৭ মার্চ) দিবাগত রাত প্রায় ১টা ৫ মিনিটের দিকে বেগমগঞ্জ মডেল থানাধীন ১ নম্বর আমানউল্যাপুর ইউনিয়নের কাঁচিহাটা সর্দার দিঘীর পাড় মোড় এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, জেলা পুলিশ সুপার টি.এম. মোশাররফ হোসেনের নির্দেশনায় এবং বেগমগঞ্জ মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ সামসুজ্জামানের সার্বিক তত্ত্বাবধানে উপপরিদর্শক (এসআই) নুরুজ্জামানের নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল এলাকায় ওয়ারেন্ট তামিল এবং অস্ত্র ও মাদকবিরোধী বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালানোর সময় কাঁচিহাটা এলাকার সেলিমের চায়ের দোকানের সামনে তিনজন সন্দেহভাজন ব্যক্তিকে দেখতে পায় পুলিশ। পুলিশ সদস্যদের উপস্থিতি বুঝতে পেরে তারা দৌড়ে পালানোর চেষ্টা করলে পুলিশ দুইজনকে আটক করতে সক্ষম হয় এবং অপর একজন পালিয়ে যায়।
পরে স্থানীয় সাক্ষীদের উপস্থিতিতে আটক ব্যক্তিদের তল্লাশি করা হলে ফরহাদ ইসলাম ফাহিমের (২০) পরিহিত প্যান্টের কোমরের সামনের অংশ থেকে একটি বিদেশি পিস্তল ও দুই রাউন্ড তাজা গুলি উদ্ধার করা হয়। পিস্তলটির সঙ্গে একটি ম্যাগাজিন সংযুক্ত ছিল এবং অস্ত্রটির গায়ে ইংরেজিতে “MADE IN USA AUTO PISTOL” লেখা রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। উদ্ধার করা গুলির পেছনে “KF 7.65” লেখা রয়েছে বলেও জানা গেছে।
গ্রেপ্তার হওয়া দুইজন হলেন ফরহাদ ইসলাম ফাহিম (২০) ও তাজুল ইসলাম সুমন (৩৪)। তারা দুজনই বেগমগঞ্জ উপজেলার আমানউল্যাপুর ইউনিয়নের কাঁচিহাটা এলাকার বাসিন্দা। প্রাথমিক তদন্তে পুলিশ জানতে পারে, তারা এলাকায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে অবৈধ অস্ত্র ব্যবহার ও কেনাবেচার উদ্দেশ্যে সেখানে অবস্থান করছিলেন। অভিযানের সময় পালিয়ে যাওয়া ব্যক্তি মো. নাজিম, যার বাবার নাম ফয়েজ। তিনি একই এলাকার বাসিন্দা এবং তার বিরুদ্ধে আগেও মাদকসহ বিভিন্ন মামলা রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
এ ঘটনায় এসআই নুরুজ্জামান বাদী হয়ে আটক দুইজন এবং পলাতক একজনকে আসামি করে বেগমগঞ্জ মডেল থানায় অস্ত্র আইনের ১৯এ ও ১৯এফ ধারায় একটি মামলা দায়ের করেছেন। মামলার নম্বর ১৩, তারিখ ৭ মার্চ ২০২৬। মামলাটির তদন্তের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে পুলিশ উপপরিদর্শক আরেফুল ইসলামকে। গ্রেপ্তার হওয়া দুই আসামিকে আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে পাঠানো হয়েছে বলে পুলিশ জানিয়েছে।
বেগমগঞ্জ মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ সামসুজ্জামান বলেন, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পরিচালিত অভিযানে অবৈধ অস্ত্রসহ দুইজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এলাকায় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে এবং সন্ত্রাস, অবৈধ অস্ত্র ও মাদক নিয়ন্ত্রণে পুলিশের অভিযান অব্যাহত থাকবে। একই সঙ্গে পলাতক আসামিকে গ্রেপ্তারের জন্যও অভিযান চলমান রয়েছে বলে তিনি জানান।

বুধবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৭ মার্চ ২০২৬
নোয়াখালীর বেগমগঞ্জ উপজেলায় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পুলিশের বিশেষ অভিযানে একটি বিদেশি পিস্তল ও দুই রাউন্ড গুলিসহ দুইজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এ সময় পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে আরও একজন পালিয়ে যায়। শনিবার (৭ মার্চ) দিবাগত রাত প্রায় ১টা ৫ মিনিটের দিকে বেগমগঞ্জ মডেল থানাধীন ১ নম্বর আমানউল্যাপুর ইউনিয়নের কাঁচিহাটা সর্দার দিঘীর পাড় মোড় এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, জেলা পুলিশ সুপার টি.এম. মোশাররফ হোসেনের নির্দেশনায় এবং বেগমগঞ্জ মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ সামসুজ্জামানের সার্বিক তত্ত্বাবধানে উপপরিদর্শক (এসআই) নুরুজ্জামানের নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল এলাকায় ওয়ারেন্ট তামিল এবং অস্ত্র ও মাদকবিরোধী বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালানোর সময় কাঁচিহাটা এলাকার সেলিমের চায়ের দোকানের সামনে তিনজন সন্দেহভাজন ব্যক্তিকে দেখতে পায় পুলিশ। পুলিশ সদস্যদের উপস্থিতি বুঝতে পেরে তারা দৌড়ে পালানোর চেষ্টা করলে পুলিশ দুইজনকে আটক করতে সক্ষম হয় এবং অপর একজন পালিয়ে যায়।
পরে স্থানীয় সাক্ষীদের উপস্থিতিতে আটক ব্যক্তিদের তল্লাশি করা হলে ফরহাদ ইসলাম ফাহিমের (২০) পরিহিত প্যান্টের কোমরের সামনের অংশ থেকে একটি বিদেশি পিস্তল ও দুই রাউন্ড তাজা গুলি উদ্ধার করা হয়। পিস্তলটির সঙ্গে একটি ম্যাগাজিন সংযুক্ত ছিল এবং অস্ত্রটির গায়ে ইংরেজিতে “MADE IN USA AUTO PISTOL” লেখা রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। উদ্ধার করা গুলির পেছনে “KF 7.65” লেখা রয়েছে বলেও জানা গেছে।
গ্রেপ্তার হওয়া দুইজন হলেন ফরহাদ ইসলাম ফাহিম (২০) ও তাজুল ইসলাম সুমন (৩৪)। তারা দুজনই বেগমগঞ্জ উপজেলার আমানউল্যাপুর ইউনিয়নের কাঁচিহাটা এলাকার বাসিন্দা। প্রাথমিক তদন্তে পুলিশ জানতে পারে, তারা এলাকায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে অবৈধ অস্ত্র ব্যবহার ও কেনাবেচার উদ্দেশ্যে সেখানে অবস্থান করছিলেন। অভিযানের সময় পালিয়ে যাওয়া ব্যক্তি মো. নাজিম, যার বাবার নাম ফয়েজ। তিনি একই এলাকার বাসিন্দা এবং তার বিরুদ্ধে আগেও মাদকসহ বিভিন্ন মামলা রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
এ ঘটনায় এসআই নুরুজ্জামান বাদী হয়ে আটক দুইজন এবং পলাতক একজনকে আসামি করে বেগমগঞ্জ মডেল থানায় অস্ত্র আইনের ১৯এ ও ১৯এফ ধারায় একটি মামলা দায়ের করেছেন। মামলার নম্বর ১৩, তারিখ ৭ মার্চ ২০২৬। মামলাটির তদন্তের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে পুলিশ উপপরিদর্শক আরেফুল ইসলামকে। গ্রেপ্তার হওয়া দুই আসামিকে আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে পাঠানো হয়েছে বলে পুলিশ জানিয়েছে।
বেগমগঞ্জ মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ সামসুজ্জামান বলেন, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পরিচালিত অভিযানে অবৈধ অস্ত্রসহ দুইজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এলাকায় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে এবং সন্ত্রাস, অবৈধ অস্ত্র ও মাদক নিয়ন্ত্রণে পুলিশের অভিযান অব্যাহত থাকবে। একই সঙ্গে পলাতক আসামিকে গ্রেপ্তারের জন্যও অভিযান চলমান রয়েছে বলে তিনি জানান।

আপনার মতামত লিখুন