সরকার শিক্ষাকে দেশের অগ্রাধিকারের শীর্ষে রাখার প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেছে। মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু জানিয়েছেন, প্রাথমিক শিক্ষা হবে সরকারের অগ্রাধিকারে এবং শিক্ষকদের চাকরি আরও সম্মানজনক ও আকর্ষণীয় করার জন্য পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
শিক্ষামন্ত্রী আ. ন. ম. এহছানুল হক মিলন বলেন, প্রধানমন্ত্রী শিক্ষা মন্ত্রণালয়কে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে দিচ্ছেন। শিক্ষক ও কর্মচারীদের যৌক্তিক দাবি পূরণ এবং শিক্ষার মান উন্নয়নে বিশেষ উদ্যোগ গ্রহণ করা হবে।
শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ জানিয়েছেন, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীনে কোনো ধরনের দুর্নীতি বরদাস্ত করা হবে না। ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি কার্যকর করা হবে, যাতে দেশের শিক্ষাব্যবস্থা শক্তিশালী হয় এবং শিক্ষার ভিত্তি নিশ্চিত হয়।
সরকার শিক্ষাখাতের মান উন্নয়নের জন্য পাঠ্যক্রম ও পাঠ্যবই সংস্কার, প্রাথমিক শিক্ষা মনিটরিং শক্তিশালী করা, এবং স্কুল-কলেজের র্যাঙ্কিং সিস্টেম চালু করার পরিকল্পনা নিয়েছে। এছাড়া, কারিগরি ও কর্মমুখী শিক্ষাকে আধুনিক ও বাজারমুখী করার ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।
বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, এই উদ্যোগগুলো দেশের শিক্ষাব্যবস্থাকে আরও কার্যকর, স্বচ্ছ এবং শিক্ষার্থীবান্ধব করে তুলবে। সরকার শিক্ষাকে অগ্রাধিকার দেওয়ার মাধ্যমে ভবিষ্যতের জন্য দক্ষ ও সক্ষম মানবসম্পদ তৈরি করতে চাইছে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৭ মার্চ ২০২৬
সরকার শিক্ষাকে দেশের অগ্রাধিকারের শীর্ষে রাখার প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেছে। মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু জানিয়েছেন, প্রাথমিক শিক্ষা হবে সরকারের অগ্রাধিকারে এবং শিক্ষকদের চাকরি আরও সম্মানজনক ও আকর্ষণীয় করার জন্য পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
শিক্ষামন্ত্রী আ. ন. ম. এহছানুল হক মিলন বলেন, প্রধানমন্ত্রী শিক্ষা মন্ত্রণালয়কে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে দিচ্ছেন। শিক্ষক ও কর্মচারীদের যৌক্তিক দাবি পূরণ এবং শিক্ষার মান উন্নয়নে বিশেষ উদ্যোগ গ্রহণ করা হবে।
শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ জানিয়েছেন, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীনে কোনো ধরনের দুর্নীতি বরদাস্ত করা হবে না। ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি কার্যকর করা হবে, যাতে দেশের শিক্ষাব্যবস্থা শক্তিশালী হয় এবং শিক্ষার ভিত্তি নিশ্চিত হয়।
সরকার শিক্ষাখাতের মান উন্নয়নের জন্য পাঠ্যক্রম ও পাঠ্যবই সংস্কার, প্রাথমিক শিক্ষা মনিটরিং শক্তিশালী করা, এবং স্কুল-কলেজের র্যাঙ্কিং সিস্টেম চালু করার পরিকল্পনা নিয়েছে। এছাড়া, কারিগরি ও কর্মমুখী শিক্ষাকে আধুনিক ও বাজারমুখী করার ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।
বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, এই উদ্যোগগুলো দেশের শিক্ষাব্যবস্থাকে আরও কার্যকর, স্বচ্ছ এবং শিক্ষার্থীবান্ধব করে তুলবে। সরকার শিক্ষাকে অগ্রাধিকার দেওয়ার মাধ্যমে ভবিষ্যতের জন্য দক্ষ ও সক্ষম মানবসম্পদ তৈরি করতে চাইছে।

আপনার মতামত লিখুন