ঢাকা    শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ

বিপন্ন হয়ে পড়ছে জলাশয়ের চেনা পাখি পানকৌড়ি


নিজস্ব প্রতিবেদন
নিজস্ব প্রতিবেদন
প্রকাশ : ০৭ মার্চ ২০২৬

বিপন্ন হয়ে পড়ছে জলাশয়ের চেনা পাখি পানকৌড়ি

একসময় নদী-নালা, খাল-বিল, হাওর-বাওরে অবাধে বিচরণ করত পানকৌড়ি। দক্ষ ডুবুরির মতো পানির গভীরে নেমে মাছ শিকার করা এবং ডানা মেলে রোদ পোহানো ছিল এই পাখির চিরচেনা দৃশ্য। কিন্তু সেই পরিচিত দৃশ্য এখন ক্রমেই বিরল হয়ে আসছে।

পাখি বিশেষজ্ঞদের তথ্য অনুযায়ী, পানকৌড়ির বৈজ্ঞানিক নাম Phalacrocoracidae এবং ইংরেজিতে এটি Cormorant and Shag নামে পরিচিত। পৃথিবীতে এই পাখির প্রায় ৪০টি প্রজাতি রয়েছে। শরীর সাধারণত কালচে বা গাঢ় বাদামি রঙের হয় বলে দূর থেকে পুরোপুরি কালো দেখায়। বর্ষা ও শরৎকাল এদের প্রজনন মৌসুম। জুলাই থেকে অক্টোবরের মধ্যে ডিম পাড়ে এবং তিন থেকে পাঁচ সপ্তাহের মধ্যে ছানা বের হয়। বাংলাদেশে বন্যপ্রাণী (সংরক্ষণ ও নিরাপত্তা) আইনে পানকৌড়িকে সংরক্ষিত পাখির মর্যাদা দেওয়া হয়েছে।

প্রকৃতি ও জীবন ফাউন্ডেশনের গবেষণা কর্মকর্তা শিহাব খালেদীন জানান, জলাভূমির অবক্ষয়, বাসা বাঁধার গাছ নিধন, মৎস্যসম্পদ হ্রাস, দূষণ এবং প্রজননস্থলে বিশৃঙ্খলা পানকৌড়িসহ অন্যান্য জলচর পাখির সংখ্যা কমে যাওয়ার প্রধান কারণ। প্রকৃতির ভারসাম্য রক্ষায় এসব সমস্যার কার্যকর সমাধান এবং পাখি সংরক্ষণে সকলের সচেতনতা জরুরি বলে তিনি মত দেন।

আপনার মতামত লিখুন

দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬


বিপন্ন হয়ে পড়ছে জলাশয়ের চেনা পাখি পানকৌড়ি

প্রকাশের তারিখ : ০৭ মার্চ ২০২৬

featured Image

একসময় নদী-নালা, খাল-বিল, হাওর-বাওরে অবাধে বিচরণ করত পানকৌড়ি। দক্ষ ডুবুরির মতো পানির গভীরে নেমে মাছ শিকার করা এবং ডানা মেলে রোদ পোহানো ছিল এই পাখির চিরচেনা দৃশ্য। কিন্তু সেই পরিচিত দৃশ্য এখন ক্রমেই বিরল হয়ে আসছে।

পাখি বিশেষজ্ঞদের তথ্য অনুযায়ী, পানকৌড়ির বৈজ্ঞানিক নাম Phalacrocoracidae এবং ইংরেজিতে এটি Cormorant and Shag নামে পরিচিত। পৃথিবীতে এই পাখির প্রায় ৪০টি প্রজাতি রয়েছে। শরীর সাধারণত কালচে বা গাঢ় বাদামি রঙের হয় বলে দূর থেকে পুরোপুরি কালো দেখায়। বর্ষা ও শরৎকাল এদের প্রজনন মৌসুম। জুলাই থেকে অক্টোবরের মধ্যে ডিম পাড়ে এবং তিন থেকে পাঁচ সপ্তাহের মধ্যে ছানা বের হয়। বাংলাদেশে বন্যপ্রাণী (সংরক্ষণ ও নিরাপত্তা) আইনে পানকৌড়িকে সংরক্ষিত পাখির মর্যাদা দেওয়া হয়েছে।

প্রকৃতি ও জীবন ফাউন্ডেশনের গবেষণা কর্মকর্তা শিহাব খালেদীন জানান, জলাভূমির অবক্ষয়, বাসা বাঁধার গাছ নিধন, মৎস্যসম্পদ হ্রাস, দূষণ এবং প্রজননস্থলে বিশৃঙ্খলা পানকৌড়িসহ অন্যান্য জলচর পাখির সংখ্যা কমে যাওয়ার প্রধান কারণ। প্রকৃতির ভারসাম্য রক্ষায় এসব সমস্যার কার্যকর সমাধান এবং পাখি সংরক্ষণে সকলের সচেতনতা জরুরি বলে তিনি মত দেন।


দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ

সম্পাদক ও প্রকাশক: মোঃ ফয়সাল আলম , মোবাইল- ০১৯১৬৫৫৭০১৭
  প্রধান সম্পাদক: মো: আতাউর রহমান, মোবাইল: ০২৪১০৯১৭৩০

কপিরাইট © ২০২৫ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ