আগামী ১৪ এপ্রিল বা পহেলা বৈশাখ থেকে পর্যায়ক্রমে সারা দেশে কৃষকদের মাঝে ‘কৃষক কার্ড’ বিতরণ কার্যক্রম শুরু হবে বলে জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন। শুক্রবার সকালে রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে জাতীয় পাট দিবস ২০২৬ উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এই গুরুত্বপূর্ণ ঘোষণা দেন। একই সঙ্গে নতুন সরকার দায়িত্ব গ্রহণের মাত্র ১০ দিনের মাথায় কৃষি ঋণ মওকুফের সিদ্ধান্তকে একটি যুগান্তকারী পদক্ষেপ হিসেবে অভিহিত করেন রাষ্ট্রপ্রধান।
তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন বর্তমান সরকারের এই উদ্যোগের ফলে কৃষকরা ডিজিটাল সেবার আওতায় আসবেন। প্রাথমিক পর্যায়ে দেশের ৯টি উপজেলায় পরীক্ষামূলকভাবে এই কার্ডের ব্যবহার শুরু হবে এবং আগামী চার বছরের মধ্যে পুরো বাংলাদেশে এটি বাস্তবায়নের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। এই কার্ড ব্যবহার করে কৃষকরা ন্যায্য মূল্যে সার ও বীজসহ বিভিন্ন কৃষি উপকরণ সংগ্রহ করতে পারবেন এবং সরকারি সব আর্থিক সহায়তা সরাসরি তাদের ব্যাংক অ্যাকাউন্টে জমা হবে।
অনুষ্ঠানে রাষ্ট্রপতি শহীদদের আত্মত্যাগের বিনিময়ে অর্জিত গণতন্ত্রের ধারা সমুন্নত রাখার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। তিনি বলেন যে একটি স্বনির্ভর রাষ্ট্র গড়ে তুলতে হলে জ্ঞান ও প্রযুক্তিতে সমৃদ্ধ হওয়ার কোনো বিকল্প নেই। পাট চাষিদের প্রতি বিশেষ আহ্বান জানিয়ে তিনি আধুনিক ও উচ্চফলনশীল পদ্ধতিতে চাষাবাদে মনোযোগী হতে বলেন। বৈশ্বিক বাজারের চাহিদা বিবেচনায় রেখে মানসম্মত ও বৈচিত্র্যময় পাটজাত পণ্য উদ্ভাবন এবং স্বল্পমূল্যে পাটের ব্যাগ বিপণনের তাগিদ দেন তিনি।
দেশের সৃজনশীল তরুণ প্রজন্মের প্রতি আশাবাদ ব্যক্ত করে রাষ্ট্রপতি উল্লেখ করেন যে স্টার্টআপ ও নতুন সব উদ্ভাবনের মাধ্যমে তারা 'মেড ইন বাংলাদেশ' ব্র্যান্ডকে বিশ্বদরবারে শক্তিশালী করতে পারে। আন্তর্জাতিক ই-কমার্স প্ল্যাটফর্মগুলোর সাথে যুক্ত হয়ে নতুন অর্থনৈতিক সম্ভাবনা উন্মোচনের সুযোগ কাজে লাগাতে তরুণদের উৎসাহিত করেন তিনি। অনুষ্ঠান শেষে রাষ্ট্রপতি আশা প্রকাশ করেন যে কৃষি ও পাট খাতের এই আধুনিকায়ন দেশের সামগ্রিক অর্থনীতিতে ইতিবাচক পরিবর্তন আনবে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৬ মার্চ ২০২৬
আগামী ১৪ এপ্রিল বা পহেলা বৈশাখ থেকে পর্যায়ক্রমে সারা দেশে কৃষকদের মাঝে ‘কৃষক কার্ড’ বিতরণ কার্যক্রম শুরু হবে বলে জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন। শুক্রবার সকালে রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে জাতীয় পাট দিবস ২০২৬ উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এই গুরুত্বপূর্ণ ঘোষণা দেন। একই সঙ্গে নতুন সরকার দায়িত্ব গ্রহণের মাত্র ১০ দিনের মাথায় কৃষি ঋণ মওকুফের সিদ্ধান্তকে একটি যুগান্তকারী পদক্ষেপ হিসেবে অভিহিত করেন রাষ্ট্রপ্রধান।
তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন বর্তমান সরকারের এই উদ্যোগের ফলে কৃষকরা ডিজিটাল সেবার আওতায় আসবেন। প্রাথমিক পর্যায়ে দেশের ৯টি উপজেলায় পরীক্ষামূলকভাবে এই কার্ডের ব্যবহার শুরু হবে এবং আগামী চার বছরের মধ্যে পুরো বাংলাদেশে এটি বাস্তবায়নের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। এই কার্ড ব্যবহার করে কৃষকরা ন্যায্য মূল্যে সার ও বীজসহ বিভিন্ন কৃষি উপকরণ সংগ্রহ করতে পারবেন এবং সরকারি সব আর্থিক সহায়তা সরাসরি তাদের ব্যাংক অ্যাকাউন্টে জমা হবে।
অনুষ্ঠানে রাষ্ট্রপতি শহীদদের আত্মত্যাগের বিনিময়ে অর্জিত গণতন্ত্রের ধারা সমুন্নত রাখার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। তিনি বলেন যে একটি স্বনির্ভর রাষ্ট্র গড়ে তুলতে হলে জ্ঞান ও প্রযুক্তিতে সমৃদ্ধ হওয়ার কোনো বিকল্প নেই। পাট চাষিদের প্রতি বিশেষ আহ্বান জানিয়ে তিনি আধুনিক ও উচ্চফলনশীল পদ্ধতিতে চাষাবাদে মনোযোগী হতে বলেন। বৈশ্বিক বাজারের চাহিদা বিবেচনায় রেখে মানসম্মত ও বৈচিত্র্যময় পাটজাত পণ্য উদ্ভাবন এবং স্বল্পমূল্যে পাটের ব্যাগ বিপণনের তাগিদ দেন তিনি।
দেশের সৃজনশীল তরুণ প্রজন্মের প্রতি আশাবাদ ব্যক্ত করে রাষ্ট্রপতি উল্লেখ করেন যে স্টার্টআপ ও নতুন সব উদ্ভাবনের মাধ্যমে তারা 'মেড ইন বাংলাদেশ' ব্র্যান্ডকে বিশ্বদরবারে শক্তিশালী করতে পারে। আন্তর্জাতিক ই-কমার্স প্ল্যাটফর্মগুলোর সাথে যুক্ত হয়ে নতুন অর্থনৈতিক সম্ভাবনা উন্মোচনের সুযোগ কাজে লাগাতে তরুণদের উৎসাহিত করেন তিনি। অনুষ্ঠান শেষে রাষ্ট্রপতি আশা প্রকাশ করেন যে কৃষি ও পাট খাতের এই আধুনিকায়ন দেশের সামগ্রিক অর্থনীতিতে ইতিবাচক পরিবর্তন আনবে।

আপনার মতামত লিখুন