ঢাকা-৮ আসনের সম্ভাব্য স্বতন্ত্র প্রার্থী ও ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক শরিফ ওসমান হাদির ওপরে হামলা প্রকৃতপক্ষে বাংলাদেশের ওপরে হামলা বলে অভিহিত করেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ। তিনি একইসঙ্গে এই হামলাকে বিচ্ছিন্ন কোনো ঘটনা নয় বলেও মনে করেন।
রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় শনিবার প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে সাক্ষাৎ শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি বলেন, “এটা বিচ্ছিন্ন কোনো ঘটনা নয়। নির্বাচনের তফসিল ঘোষিত হয়েছে ১০ ডিসেম্বর, তার পরদিনই একজন সম্ভাব্য জাতীয় সংসদ সদস্য পদপ্রার্থীর ওপর হামলা হয়েছে। হামলার ধরন দেখে বোঝা যায় এটি পেশাদারভাবে করা হয়েছে। আমরা ফ্যাসিবাদবিরোধী জাতীয় ঐক্য অটুট রাখব। রাজনৈতিক বিতর্ক হতে পারে, কিন্তু ঐক্যকে বিনষ্ট করতে দেব না।”
সালাহউদ্দিন আরও বলেন, “আমাদের চেতনা হলো জুলাই-২০২৪-এর গণঅভ্যুত্থানের চেতনা বাস্তবায়ন করা। জনআকাঙ্ক্ষাকে আমরা ঊর্ধ্বে তুলে ধরব। ফ্যাসিবাদবিরোধী জাতীয় ঐক্যকে অটুট রাখাই আমাদের লক্ষ্য। এখানে কোনো আপস নেই। পতিত ফ্যাসিবাদকে আমরা বার্তা দিতে চাই, এই ধরনের হামলা বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক উত্তরণকে বাধাগ্রস্ত করতে পারবে না।”
গতকাল দুপুরে রাজধানীর বিজয়নগরে ওসমান হাদিকে গুলি করা হয়। তাকে প্রথমে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সন্ধ্যার পর উন্নত চিকিৎসার জন্য এভারকেয়ার হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। বর্তমানে তিনি সেখানে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
হাদির শারীরিক অবস্থার বিষয়ে শুক্রবার রাতে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের বিশেষ সহকারী অধ্যাপক ডা. সায়েদুর রহমান জানিয়েছেন, বাম কানের ওপর দিয়ে ঢুকে ডান দিক দিয়ে বেরিয়ে যাওয়া বুলেট হাদির মস্তিষ্কের কাণ্ড বা ব্রেন স্টেম পর্যন্ত ক্ষতিগ্রস্ত করেছে, যা চিকিৎসাবিজ্ঞানে ‘ম্যাসিভ ব্রেন ইনজুরি’ হিসেবে বিবেচিত। আগামী ৭২ ঘণ্টা অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ এবং এ অবস্থায় কোনো নতুন ইন্টারভেনশন করা হচ্ছে না।
ডা. সায়েদুর আরও বলেন, হাদি এখন ‘খুবই ক্রিটিক্যাল’ অবস্থায় আছেন। তাকে আপাতত কৃত্রিম শ্বাসপ্রশ্বাসে রাখা হয়েছে, তবে চিকিৎসকেরা এখনও আশার কোনো নিশ্চয়তা দিতে পারছেন না।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৩ ডিসেম্বর ২০২৫
ঢাকা-৮ আসনের সম্ভাব্য স্বতন্ত্র প্রার্থী ও ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক শরিফ ওসমান হাদির ওপরে হামলা প্রকৃতপক্ষে বাংলাদেশের ওপরে হামলা বলে অভিহিত করেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ। তিনি একইসঙ্গে এই হামলাকে বিচ্ছিন্ন কোনো ঘটনা নয় বলেও মনে করেন।
রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় শনিবার প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে সাক্ষাৎ শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি বলেন, “এটা বিচ্ছিন্ন কোনো ঘটনা নয়। নির্বাচনের তফসিল ঘোষিত হয়েছে ১০ ডিসেম্বর, তার পরদিনই একজন সম্ভাব্য জাতীয় সংসদ সদস্য পদপ্রার্থীর ওপর হামলা হয়েছে। হামলার ধরন দেখে বোঝা যায় এটি পেশাদারভাবে করা হয়েছে। আমরা ফ্যাসিবাদবিরোধী জাতীয় ঐক্য অটুট রাখব। রাজনৈতিক বিতর্ক হতে পারে, কিন্তু ঐক্যকে বিনষ্ট করতে দেব না।”
সালাহউদ্দিন আরও বলেন, “আমাদের চেতনা হলো জুলাই-২০২৪-এর গণঅভ্যুত্থানের চেতনা বাস্তবায়ন করা। জনআকাঙ্ক্ষাকে আমরা ঊর্ধ্বে তুলে ধরব। ফ্যাসিবাদবিরোধী জাতীয় ঐক্যকে অটুট রাখাই আমাদের লক্ষ্য। এখানে কোনো আপস নেই। পতিত ফ্যাসিবাদকে আমরা বার্তা দিতে চাই, এই ধরনের হামলা বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক উত্তরণকে বাধাগ্রস্ত করতে পারবে না।”
গতকাল দুপুরে রাজধানীর বিজয়নগরে ওসমান হাদিকে গুলি করা হয়। তাকে প্রথমে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সন্ধ্যার পর উন্নত চিকিৎসার জন্য এভারকেয়ার হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। বর্তমানে তিনি সেখানে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
হাদির শারীরিক অবস্থার বিষয়ে শুক্রবার রাতে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের বিশেষ সহকারী অধ্যাপক ডা. সায়েদুর রহমান জানিয়েছেন, বাম কানের ওপর দিয়ে ঢুকে ডান দিক দিয়ে বেরিয়ে যাওয়া বুলেট হাদির মস্তিষ্কের কাণ্ড বা ব্রেন স্টেম পর্যন্ত ক্ষতিগ্রস্ত করেছে, যা চিকিৎসাবিজ্ঞানে ‘ম্যাসিভ ব্রেন ইনজুরি’ হিসেবে বিবেচিত। আগামী ৭২ ঘণ্টা অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ এবং এ অবস্থায় কোনো নতুন ইন্টারভেনশন করা হচ্ছে না।
ডা. সায়েদুর আরও বলেন, হাদি এখন ‘খুবই ক্রিটিক্যাল’ অবস্থায় আছেন। তাকে আপাতত কৃত্রিম শ্বাসপ্রশ্বাসে রাখা হয়েছে, তবে চিকিৎসকেরা এখনও আশার কোনো নিশ্চয়তা দিতে পারছেন না।

আপনার মতামত লিখুন