আগামী ১১ বা ১২ মার্চের দিকে দেশের উত্তর, উত্তর-পশ্চিম ও মধ্যাঞ্চলে মৌসুমের প্রথম মাঝারি থেকে তীব্র কালবৈশাখী ঝড় আঘাত হানতে পারে বলে পূর্বাভাস দিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। শুক্রবার সকালে অধিদপ্তরের পক্ষ থেকে জানানো হয় যে এই ঝড়ের গতিবেগ ঘণ্টায় ৭০ থেকে ৮০ কিলোমিটার পর্যন্ত পৌঁছানোর সম্ভাবনা রয়েছে। চৈত্র মাসের আগমনের আগেই প্রকৃতির এই উত্তাল রূপ দেশের বিভিন্ন জনপদে শিলাবৃষ্টি ও বজ্রপাত বয়ে আনতে পারে।
আবহাওয়াবিদদের মতে আগামী ৮ বা ৯ মার্চ থেকে সারা দেশে বৃষ্টিপাত শুরু হওয়ার প্রবল সম্ভাবনা রয়েছে। এই ধরনের বৃষ্টি সাধারণত খুব বেশি দীর্ঘস্থায়ী হয় না এবং মাত্র আধা ঘণ্টা থেকে এক ঘণ্টার মধ্যেই শেষ হয়ে যায়। সচরাচর দিনের শুরুর দিকে অথবা সন্ধ্যার ঠিক আগে এই বৃষ্টিপাত হওয়ার প্রবণতা লক্ষ্য করা যায়। বিশেষ করে রংপুর, ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগে বৃষ্টির তীব্রতা অন্যান্য এলাকার তুলনায় বেশি হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
মার্চ মাসের দীর্ঘমেয়াদী পূর্বাভাসে বিশেষজ্ঞ কমিটি আগেই জানিয়েছিল যে এ মাসে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত একাধিকবার কালবৈশাখীর কবলে পড়তে পারে। উত্তর ও মধ্যাঞ্চলে শক্তিশালী ঝড়ের পাশাপাশি দেশের অন্যান্য অঞ্চলেও দুই থেকে তিন দিন হালকা বা মাঝারি ধরনের বজ্রসহ শিলাবৃষ্টির আশঙ্কা করা হচ্ছে। এমনকি আসন্ন পবিত্র ঈদুল ফিতরের সময়কালেও দেশের বিভিন্ন স্থানে বৃষ্টিপাত হওয়ার সম্ভাবনা উড়িয়ে দিচ্ছে না আবহাওয়া অফিস।
আপাতত পরিস্থিতির ওপর নিবিড় পর্যবেক্ষণ রাখছেন আবহাওয়াবিদগণ। তবে বজ্রঝড় ও শিলাবৃষ্টির সময় জানমালের ক্ষয়ক্ষতি এড়াতে সংশ্লিষ্ট এলাকার বাসিন্দাদের সতর্ক থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৬ মার্চ ২০২৬
আগামী ১১ বা ১২ মার্চের দিকে দেশের উত্তর, উত্তর-পশ্চিম ও মধ্যাঞ্চলে মৌসুমের প্রথম মাঝারি থেকে তীব্র কালবৈশাখী ঝড় আঘাত হানতে পারে বলে পূর্বাভাস দিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। শুক্রবার সকালে অধিদপ্তরের পক্ষ থেকে জানানো হয় যে এই ঝড়ের গতিবেগ ঘণ্টায় ৭০ থেকে ৮০ কিলোমিটার পর্যন্ত পৌঁছানোর সম্ভাবনা রয়েছে। চৈত্র মাসের আগমনের আগেই প্রকৃতির এই উত্তাল রূপ দেশের বিভিন্ন জনপদে শিলাবৃষ্টি ও বজ্রপাত বয়ে আনতে পারে।
আবহাওয়াবিদদের মতে আগামী ৮ বা ৯ মার্চ থেকে সারা দেশে বৃষ্টিপাত শুরু হওয়ার প্রবল সম্ভাবনা রয়েছে। এই ধরনের বৃষ্টি সাধারণত খুব বেশি দীর্ঘস্থায়ী হয় না এবং মাত্র আধা ঘণ্টা থেকে এক ঘণ্টার মধ্যেই শেষ হয়ে যায়। সচরাচর দিনের শুরুর দিকে অথবা সন্ধ্যার ঠিক আগে এই বৃষ্টিপাত হওয়ার প্রবণতা লক্ষ্য করা যায়। বিশেষ করে রংপুর, ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগে বৃষ্টির তীব্রতা অন্যান্য এলাকার তুলনায় বেশি হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
মার্চ মাসের দীর্ঘমেয়াদী পূর্বাভাসে বিশেষজ্ঞ কমিটি আগেই জানিয়েছিল যে এ মাসে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত একাধিকবার কালবৈশাখীর কবলে পড়তে পারে। উত্তর ও মধ্যাঞ্চলে শক্তিশালী ঝড়ের পাশাপাশি দেশের অন্যান্য অঞ্চলেও দুই থেকে তিন দিন হালকা বা মাঝারি ধরনের বজ্রসহ শিলাবৃষ্টির আশঙ্কা করা হচ্ছে। এমনকি আসন্ন পবিত্র ঈদুল ফিতরের সময়কালেও দেশের বিভিন্ন স্থানে বৃষ্টিপাত হওয়ার সম্ভাবনা উড়িয়ে দিচ্ছে না আবহাওয়া অফিস।
আপাতত পরিস্থিতির ওপর নিবিড় পর্যবেক্ষণ রাখছেন আবহাওয়াবিদগণ। তবে বজ্রঝড় ও শিলাবৃষ্টির সময় জানমালের ক্ষয়ক্ষতি এড়াতে সংশ্লিষ্ট এলাকার বাসিন্দাদের সতর্ক থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন