নওগাঁর পোরশা ও সাপাহার এলাকার গ্রাহকদের কয়েক কোটি টাকা আত্মসাৎ করে দীর্ঘকাল পলাতক থাকা ‘সাঁকো’ এনজিওর নির্বাহী পরিচালক মো. জহুরুল ইসলামকে (৪০) গ্রেফতার করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার (৫ মার্চ, ২০২৬) দুপুরে রংপুর মহানগরীর আবু সাঈদ চত্বর এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়।
পুলিশ জানায়, জহুরুল ইসলাম এনজিও পরিচালনার নামে সাধারণ মানুষের প্রায় সাড়ে ৩ থেকে ৪ কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়ে আত্মগোপন করেন। দীর্ঘদিন পলাতক থাকায় তার বিরুদ্ধে বিজ্ঞ আদালত থেকে ৩টি সাজা পরোয়ানা এবং ৪টি সাধারণ সিআর পরোয়ানা জারি করা হয়েছিল। নিজেকে আড়াল করতে তিনি বিভিন্ন সময় ছদ্মনাম ব্যবহার করতেন এবং এলাকায় রটিয়ে দিয়েছিলেন যে তিনি ভারতে অবস্থান করছেন।
নওগাঁ জেলা পুলিশ সুপার জনাব মোহাম্মদ তারিকুল ইসলামের দিক-নির্দেশনায় পোরশা থানার একটি চৌকস টিম তথ্য-প্রযুক্তির সহায়তায় অভিযান পরিচালনা করে। রংপুরের বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের সামনে থেকে তাকে আটক করতে সক্ষম হয় পুলিশ।
পোরশা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) জানান, জহুরুল দীর্ঘ দিন ধরে নিরীহ মানুষের টাকা আত্মসাৎ করে পালিয়ে বেড়াচ্ছিলেন। তার গ্রেফতারের খবরে পোরশা ও সাপাহার এলাকার ভুক্তভোগী গ্রাহকদের মাঝে স্বস্তি ফিরে এসেছে। পুলিশ সুপার জানিয়েছেন, জেলায় অপরাধী ও ওয়ারেন্টভুক্ত আসামিদের গ্রেফতারে পুলিশের এই তৎপরতা অব্যাহত থাকবে।

বুধবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৬ মার্চ ২০২৬
নওগাঁর পোরশা ও সাপাহার এলাকার গ্রাহকদের কয়েক কোটি টাকা আত্মসাৎ করে দীর্ঘকাল পলাতক থাকা ‘সাঁকো’ এনজিওর নির্বাহী পরিচালক মো. জহুরুল ইসলামকে (৪০) গ্রেফতার করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার (৫ মার্চ, ২০২৬) দুপুরে রংপুর মহানগরীর আবু সাঈদ চত্বর এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়।
পুলিশ জানায়, জহুরুল ইসলাম এনজিও পরিচালনার নামে সাধারণ মানুষের প্রায় সাড়ে ৩ থেকে ৪ কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়ে আত্মগোপন করেন। দীর্ঘদিন পলাতক থাকায় তার বিরুদ্ধে বিজ্ঞ আদালত থেকে ৩টি সাজা পরোয়ানা এবং ৪টি সাধারণ সিআর পরোয়ানা জারি করা হয়েছিল। নিজেকে আড়াল করতে তিনি বিভিন্ন সময় ছদ্মনাম ব্যবহার করতেন এবং এলাকায় রটিয়ে দিয়েছিলেন যে তিনি ভারতে অবস্থান করছেন।
নওগাঁ জেলা পুলিশ সুপার জনাব মোহাম্মদ তারিকুল ইসলামের দিক-নির্দেশনায় পোরশা থানার একটি চৌকস টিম তথ্য-প্রযুক্তির সহায়তায় অভিযান পরিচালনা করে। রংপুরের বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের সামনে থেকে তাকে আটক করতে সক্ষম হয় পুলিশ।
পোরশা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) জানান, জহুরুল দীর্ঘ দিন ধরে নিরীহ মানুষের টাকা আত্মসাৎ করে পালিয়ে বেড়াচ্ছিলেন। তার গ্রেফতারের খবরে পোরশা ও সাপাহার এলাকার ভুক্তভোগী গ্রাহকদের মাঝে স্বস্তি ফিরে এসেছে। পুলিশ সুপার জানিয়েছেন, জেলায় অপরাধী ও ওয়ারেন্টভুক্ত আসামিদের গ্রেফতারে পুলিশের এই তৎপরতা অব্যাহত থাকবে।

আপনার মতামত লিখুন