বিএনপি (বাংলাদেশ ন্যাশনালিস্ট পার্টি)‑এর ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান ২৫ ডিসেম্বর দেশে ফিরবেন। দীর্ঘ ১৭ বছরের নির্বাসনের পর এই সিদ্ধান্ত রাজনৈতিক মহলে নতুন আলোড়ন সৃষ্টি করেছে। খবরটি নিশ্চিত করেছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, যা দলের একটি জরুরি স্থায়ী কমিটির বৈঠকের পরে ঘোষণা করা হয়েছে।
তাদের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, তারেক রহমান ঢাকায় এসে পৌঁছানোর সঙ্গে সঙ্গে এই দিনটিকে একটি ঐতিহাসিক দিন হিসেবে উদযাপন করার প্রস্তুতি চলছে। দলের শীর্ষ নেতৃত্বের মতে, তার দেশে ফেরা শুধুমাত্র পারিবারিক কারণে নয়, বরং রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটেও গুরুত্বপূর্ণ।
তারেক রহমান ২০০৮ সাল থেকে লন্ডনে আছেন। দীর্ঘ সময় প্রবাসে থাকাকালীন তিনি ভার্চুয়ালভাবে দলের নেতৃত্ব সামলেছেন। দেশে না থাকার প্রধান কারণ ছিল চিকিৎসা ও রাজনৈতিক পরিস্থিতি। তবে বর্তমানে তার মা, বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার গুরুতর অসুস্থতার কারণে তার দেশে ফেরা আরও প্রয়োজনীয় হয়ে দাঁড়িয়েছে।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, ২০২৬ সালের ত্রয়োদশ সংসদীয় নির্বাচনের প্রেক্ষাপটে তারেকের দেশে আগমন বিএনপি‑এর কর্মসূচি ও সমর্থকদের শক্তিকে নতুন মাত্রা দেবে। দল আশা করছে, তার নেতৃত্বে নির্বাচনী মাঠে BNP‑এর কার্যক্রম আরও শক্তিশালী হবে।
নিরাপত্তা ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষার জন্য সরকারী ব্যবস্থা গ্রহণের কথাও বিএনপি নেতারা সরকারের প্রতি অনুরোধ করেছেন। দল আশাবাদী যে শান্তিপূর্ণভাবে তারেক দেশে ফিরবেন এবং এই ঘটনাকে একটি শান্তিপূর্ণ ও ঐতিহাসিকভাবে চিহ্নিত দিন হিসেবে পালন করা হবে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৩ ডিসেম্বর ২০২৫
বিএনপি (বাংলাদেশ ন্যাশনালিস্ট পার্টি)‑এর ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান ২৫ ডিসেম্বর দেশে ফিরবেন। দীর্ঘ ১৭ বছরের নির্বাসনের পর এই সিদ্ধান্ত রাজনৈতিক মহলে নতুন আলোড়ন সৃষ্টি করেছে। খবরটি নিশ্চিত করেছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, যা দলের একটি জরুরি স্থায়ী কমিটির বৈঠকের পরে ঘোষণা করা হয়েছে।
তাদের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, তারেক রহমান ঢাকায় এসে পৌঁছানোর সঙ্গে সঙ্গে এই দিনটিকে একটি ঐতিহাসিক দিন হিসেবে উদযাপন করার প্রস্তুতি চলছে। দলের শীর্ষ নেতৃত্বের মতে, তার দেশে ফেরা শুধুমাত্র পারিবারিক কারণে নয়, বরং রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটেও গুরুত্বপূর্ণ।
তারেক রহমান ২০০৮ সাল থেকে লন্ডনে আছেন। দীর্ঘ সময় প্রবাসে থাকাকালীন তিনি ভার্চুয়ালভাবে দলের নেতৃত্ব সামলেছেন। দেশে না থাকার প্রধান কারণ ছিল চিকিৎসা ও রাজনৈতিক পরিস্থিতি। তবে বর্তমানে তার মা, বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার গুরুতর অসুস্থতার কারণে তার দেশে ফেরা আরও প্রয়োজনীয় হয়ে দাঁড়িয়েছে।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, ২০২৬ সালের ত্রয়োদশ সংসদীয় নির্বাচনের প্রেক্ষাপটে তারেকের দেশে আগমন বিএনপি‑এর কর্মসূচি ও সমর্থকদের শক্তিকে নতুন মাত্রা দেবে। দল আশা করছে, তার নেতৃত্বে নির্বাচনী মাঠে BNP‑এর কার্যক্রম আরও শক্তিশালী হবে।
নিরাপত্তা ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষার জন্য সরকারী ব্যবস্থা গ্রহণের কথাও বিএনপি নেতারা সরকারের প্রতি অনুরোধ করেছেন। দল আশাবাদী যে শান্তিপূর্ণভাবে তারেক দেশে ফিরবেন এবং এই ঘটনাকে একটি শান্তিপূর্ণ ও ঐতিহাসিকভাবে চিহ্নিত দিন হিসেবে পালন করা হবে।

আপনার মতামত লিখুন