জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের সময় রংপুরে বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র আবু সাঈদকে হত্যার ঘটনায় দায়ের করা মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলার রায় আগামী ৯ এপ্রিল ঘোষণা করা হবে।
বৃহস্পতিবার (৫ মার্চ) বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ রায়ের জন্য এই দিন নির্ধারণ করেন। ট্রাইব্যুনালের অপর দুই সদস্য হলেন বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।
এর আগে রাষ্ট্রপক্ষ ও আসামিপক্ষের যুক্তিতর্ক শুনানি শেষে গত ২৭ জানুয়ারি মামলাটি রায়ের জন্য অপেক্ষমাণ (সিএভি) রাখা হয়েছিল।
রংপুরে আবু সাঈদ হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় দায়ের করা মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় গত বছরের ৩০ জুন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ মোট ৩০ জনের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ আমলে নেয়। মামলাটিতে মোট ২৫ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণ করা হয়েছে।
এ মামলায় বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের তৎকালীন ভিসি হাসিবুর রশীদসহ ৩০ জন আসামি রয়েছেন। তাদের মধ্যে গ্রেপ্তার ছয়জন হলেন— বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক প্রক্টর শরিফুল ইসলাম, সাবেক সহকারী রেজিস্ট্রার রাফিউল হাসান রাসেল, রেজিস্ট্রার কার্যালয়ের চুক্তিভিত্তিক সাবেক কর্মচারী মো. আনোয়ার পারভেজ, পুলিশের সাবেক সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) আমির হোসেন, সাবেক কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায় এবং নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগের নেতা ইমরান চৌধুরী আকাশ।
রাষ্ট্রপক্ষ দাবি করেছে, মামলাটি সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হয়েছে। তাই অভিযুক্তদের সর্বোচ্চ শাস্তি প্রত্যাশা করছে প্রসিকিউশন।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৫ মার্চ ২০২৬
জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের সময় রংপুরে বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র আবু সাঈদকে হত্যার ঘটনায় দায়ের করা মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলার রায় আগামী ৯ এপ্রিল ঘোষণা করা হবে।
বৃহস্পতিবার (৫ মার্চ) বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ রায়ের জন্য এই দিন নির্ধারণ করেন। ট্রাইব্যুনালের অপর দুই সদস্য হলেন বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।
এর আগে রাষ্ট্রপক্ষ ও আসামিপক্ষের যুক্তিতর্ক শুনানি শেষে গত ২৭ জানুয়ারি মামলাটি রায়ের জন্য অপেক্ষমাণ (সিএভি) রাখা হয়েছিল।
রংপুরে আবু সাঈদ হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় দায়ের করা মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় গত বছরের ৩০ জুন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ মোট ৩০ জনের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ আমলে নেয়। মামলাটিতে মোট ২৫ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণ করা হয়েছে।
এ মামলায় বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের তৎকালীন ভিসি হাসিবুর রশীদসহ ৩০ জন আসামি রয়েছেন। তাদের মধ্যে গ্রেপ্তার ছয়জন হলেন— বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক প্রক্টর শরিফুল ইসলাম, সাবেক সহকারী রেজিস্ট্রার রাফিউল হাসান রাসেল, রেজিস্ট্রার কার্যালয়ের চুক্তিভিত্তিক সাবেক কর্মচারী মো. আনোয়ার পারভেজ, পুলিশের সাবেক সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) আমির হোসেন, সাবেক কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায় এবং নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগের নেতা ইমরান চৌধুরী আকাশ।
রাষ্ট্রপক্ষ দাবি করেছে, মামলাটি সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হয়েছে। তাই অভিযুক্তদের সর্বোচ্চ শাস্তি প্রত্যাশা করছে প্রসিকিউশন।

আপনার মতামত লিখুন