বগুড়া‑৬ (সদর) আসনের উপনির্বাচনের জন্য দাখিল হওয়া মনোনয়নপত্র যাচাই‑বাছাই শেষে নির্বাচন কমিশন (ইসি) বুধবার তিন প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করেছে।
বৈধ ঘোষিত প্রার্থীদের মধ্যে রয়েছেন বিএনপি মনোনীত রেজাউল করিম বাদশা, জামায়াতে ইসলামী মনোনীত মোহাম্মদ আবিদুর রহমান, এবং বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট পার্টি (বিডিপি) মনোনীত আল তাহার আলীম তালুকদার। এদের সবাই আগামী নির্বাচনে অংশগ্রহণ করতে পারবেন।
বগুড়া‑৬ আসনের এই উপনির্বাচন আয়োজনের প্রয়োজন হয়েছিল, কারণ বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান গত জাতীয় নির্বাচনে একাধিক আসনে জয়লাভের পর আইন অনুযায়ী বগুড়া‑৬ আসনটি ত্যাগ করেন। এতে আসনটি শূন্য ঘোষণা হয় এবং ভোট গ্রহণের জন্য উপনির্বাচনের আয়োজন করা হয়।
নির্বাচন কমিশন ইতোমধ্যে সময়সূচি ঘোষণা করেছে। মনোনয়ন যাচাই সম্পন্ন হয়েছে ৫ মার্চ, আপিল জমা দেওয়ার সময় ৬ থেকে ১০ মার্চ, আপিল নিষ্পত্তি ১১ মার্চ, মনোনয়ন প্রত্যাহারের শেষ দিন ১৪ মার্চ, প্রতীক বরাদ্দ ১৫ মার্চ এবং ভোটগ্রহণ নির্ধারণ করা হয়েছে ৯ এপ্রিল ২০২৬।
মনোনয়নপত্র জমার সময়ে সামান্য উত্তেজনার ঘটনা ঘটেছে। বিএনপি‑র দুই নেতার মধ্যে হাতাহাতি পর্যন্ত রেকর্ড করা হয়। তবে এই ঘটনার পরও ভোট প্রক্রিয়া নির্বিঘ্নে পরিচালনার লক্ষ্যে নির্বাচন কমিশন সতর্ক অবস্থানে রয়েছে।
এবারের উপনির্বাচনে তিন প্রার্থীর বৈধ ঘোষণার পর এখন ভোট প্রচারণা এবং নির্বাচনী কার্যক্রম পূর্ণভাবে শুরু হবে। নির্বাচন কমিশন আশা করছে ভোটগ্রহণ শান্তিপূর্ণ ও নিরপেক্ষভাবে সম্পন্ন হবে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৫ মার্চ ২০২৬
বগুড়া‑৬ (সদর) আসনের উপনির্বাচনের জন্য দাখিল হওয়া মনোনয়নপত্র যাচাই‑বাছাই শেষে নির্বাচন কমিশন (ইসি) বুধবার তিন প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করেছে।
বৈধ ঘোষিত প্রার্থীদের মধ্যে রয়েছেন বিএনপি মনোনীত রেজাউল করিম বাদশা, জামায়াতে ইসলামী মনোনীত মোহাম্মদ আবিদুর রহমান, এবং বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট পার্টি (বিডিপি) মনোনীত আল তাহার আলীম তালুকদার। এদের সবাই আগামী নির্বাচনে অংশগ্রহণ করতে পারবেন।
বগুড়া‑৬ আসনের এই উপনির্বাচন আয়োজনের প্রয়োজন হয়েছিল, কারণ বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান গত জাতীয় নির্বাচনে একাধিক আসনে জয়লাভের পর আইন অনুযায়ী বগুড়া‑৬ আসনটি ত্যাগ করেন। এতে আসনটি শূন্য ঘোষণা হয় এবং ভোট গ্রহণের জন্য উপনির্বাচনের আয়োজন করা হয়।
নির্বাচন কমিশন ইতোমধ্যে সময়সূচি ঘোষণা করেছে। মনোনয়ন যাচাই সম্পন্ন হয়েছে ৫ মার্চ, আপিল জমা দেওয়ার সময় ৬ থেকে ১০ মার্চ, আপিল নিষ্পত্তি ১১ মার্চ, মনোনয়ন প্রত্যাহারের শেষ দিন ১৪ মার্চ, প্রতীক বরাদ্দ ১৫ মার্চ এবং ভোটগ্রহণ নির্ধারণ করা হয়েছে ৯ এপ্রিল ২০২৬।
মনোনয়নপত্র জমার সময়ে সামান্য উত্তেজনার ঘটনা ঘটেছে। বিএনপি‑র দুই নেতার মধ্যে হাতাহাতি পর্যন্ত রেকর্ড করা হয়। তবে এই ঘটনার পরও ভোট প্রক্রিয়া নির্বিঘ্নে পরিচালনার লক্ষ্যে নির্বাচন কমিশন সতর্ক অবস্থানে রয়েছে।
এবারের উপনির্বাচনে তিন প্রার্থীর বৈধ ঘোষণার পর এখন ভোট প্রচারণা এবং নির্বাচনী কার্যক্রম পূর্ণভাবে শুরু হবে। নির্বাচন কমিশন আশা করছে ভোটগ্রহণ শান্তিপূর্ণ ও নিরপেক্ষভাবে সম্পন্ন হবে।

আপনার মতামত লিখুন