রাঙামাটির বরকল উপজেলায় ছোটহরিণা ব্যাটালিয়ন (১২ বিজিবি)-এর উদ্যোগে গরিব ও অসহায় মানুষের মাঝে অর্থ ও সহায়তা সামগ্রী বিতরণ করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (৫ মার্চ) সকাল ৯টায় ব্যাটালিয়ন সদর কাঁচা পোস্টের সামনে এ কার্যক্রম পরিচালিত হয়।
আয়োজিত এই মানবিক সহায়তা কর্মসূচির আওতায় দুর্গম এলাকার সুবিধাবঞ্চিত পরিবারের জন্য ঢেউটিন প্রদান, দুস্থ রোগীদের চিকিৎসা সহায়তায় নগদ অর্থ, দরিদ্র পরিবারের বিবাহ অনুদান, আত্মনির্ভরশীলতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে সেলাই মেশিন বিতরণ, মসজিদের ইমামদের সম্মানী এবং মাদ্রাসা ও এতিমখানায় ইফতার সামগ্রী বিতরণ করা হয়।
এছাড়া অগ্নিদগ্ধ দুইটি পরিবারের জন্য আর্থিক সহায়তা এবং বিভিন্ন ক্লাবকে খেলাধুলার সামগ্রী দেওয়া হয়। সব মিলিয়ে ১৫২ জন উপকারভোগীর মাঝে দুই লাখ চুয়ান্ন হাজার টাকা বিতরণ করা হয়েছে বলে জানানো হয়। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ১২ বিজিবির জোন কমান্ডার লেফটেন্যান্ট কর্নেল ইমরুল কায়েস মেহেদী।
তিনি বলেন, সীমান্ত সুরক্ষার পাশাপাশি পার্বত্য চট্টগ্রামে শান্তি ও উন্নয়নের ধারা বজায় রাখতে এবং স্থানীয় মানুষের জীবনমান উন্নয়নে বিজিবি নিয়মিতভাবে কাজ করছে। ছোটহরিণার মতো দুর্গম এলাকায় সুবিধাবঞ্চিত মানুষের পাশে দাঁড়ানোর এ উদ্যোগ ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে। স্থানীয়রা বিজিবির এ মানবিক কার্যক্রমকে স্বাগত জানিয়েছেন এবং প্রত্যাশা ব্যক্ত করেছেন, এমন সহায়তা কর্মসূচি নিয়মিতভাবে চালু থাকবে।

বুধবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৫ মার্চ ২০২৬
রাঙামাটির বরকল উপজেলায় ছোটহরিণা ব্যাটালিয়ন (১২ বিজিবি)-এর উদ্যোগে গরিব ও অসহায় মানুষের মাঝে অর্থ ও সহায়তা সামগ্রী বিতরণ করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (৫ মার্চ) সকাল ৯টায় ব্যাটালিয়ন সদর কাঁচা পোস্টের সামনে এ কার্যক্রম পরিচালিত হয়।
আয়োজিত এই মানবিক সহায়তা কর্মসূচির আওতায় দুর্গম এলাকার সুবিধাবঞ্চিত পরিবারের জন্য ঢেউটিন প্রদান, দুস্থ রোগীদের চিকিৎসা সহায়তায় নগদ অর্থ, দরিদ্র পরিবারের বিবাহ অনুদান, আত্মনির্ভরশীলতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে সেলাই মেশিন বিতরণ, মসজিদের ইমামদের সম্মানী এবং মাদ্রাসা ও এতিমখানায় ইফতার সামগ্রী বিতরণ করা হয়।
এছাড়া অগ্নিদগ্ধ দুইটি পরিবারের জন্য আর্থিক সহায়তা এবং বিভিন্ন ক্লাবকে খেলাধুলার সামগ্রী দেওয়া হয়। সব মিলিয়ে ১৫২ জন উপকারভোগীর মাঝে দুই লাখ চুয়ান্ন হাজার টাকা বিতরণ করা হয়েছে বলে জানানো হয়। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ১২ বিজিবির জোন কমান্ডার লেফটেন্যান্ট কর্নেল ইমরুল কায়েস মেহেদী।
তিনি বলেন, সীমান্ত সুরক্ষার পাশাপাশি পার্বত্য চট্টগ্রামে শান্তি ও উন্নয়নের ধারা বজায় রাখতে এবং স্থানীয় মানুষের জীবনমান উন্নয়নে বিজিবি নিয়মিতভাবে কাজ করছে। ছোটহরিণার মতো দুর্গম এলাকায় সুবিধাবঞ্চিত মানুষের পাশে দাঁড়ানোর এ উদ্যোগ ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে। স্থানীয়রা বিজিবির এ মানবিক কার্যক্রমকে স্বাগত জানিয়েছেন এবং প্রত্যাশা ব্যক্ত করেছেন, এমন সহায়তা কর্মসূচি নিয়মিতভাবে চালু থাকবে।

আপনার মতামত লিখুন