দেশ গঠনে গৌরবোজ্জ্বল ও কৃতিত্বপূর্ণ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ প্রয়াত সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়াসহ ১৫ জন বিশিষ্ট ব্যক্তি এবং ৫টি প্রতিষ্ঠানকে এ বছর ‘স্বাধীনতা পুরস্কার ২০২৬’ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার।
বৃহস্পতিবার মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে প্রকাশিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। এতে বলা হয়, জাতীয় পর্যায়ে গৌরবোজ্জ্বল অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে নির্বাচিত ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানকে তাদের স্ব স্ব ক্ষেত্রে এই পুরস্কার প্রদান করা হবে।
ব্যক্তিবর্গ (১৫ জন):
১. বেগম খালেদা জিয়া (মরণোত্তর): স্বাধীনতা, গণতন্ত্র, নারী শিক্ষাসহ দেশ গঠনে সার্বিক অবদান।
২. মেজর মোহাম্মদ আবদুল জলিল (মরণোত্তর): মুক্তিযুদ্ধ।
৩. অধ্যাপক ড. জহুরুল করিম: বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি।
৪. ড. আশরাফ সিদ্দিকী (মরণোত্তর): সাহিত্য।
৫. এ. কে. এম. হানিফ (হানিফ সংকেত): সংস্কৃতি।
৬. বশির আহমেদ (মরণোত্তর): সংস্কৃতি।
৭. জোবেরা রহমান (লিনু): ক্রীড়া।
৮. ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী (মরণোত্তর): সমাজসেবা ও জনসেবা।
৯. মো. সাইদুল হক: সমাজসেবা ও জনসেবা।
১০. মাহেরীন চৌধুরী (মরণোত্তর): সমাজসেবা ও জনসেবা।
১১. কাজী ফজলুর রহমান (মরণোত্তর): জনপ্রশাসন।
১২. মোহাম্মদ আবদুল বাকী (পিএইচডি): গবেষণা ও প্রশিক্ষণ।
১৩. অধ্যাপক ড. এম এ রহিম: গবেষণা ও প্রশিক্ষণ।
১৪. অধ্যাপক ড. সুকোমল বড়ুয়া: গবেষণা ও প্রশিক্ষণ।
১৫. আবদুল মুকিত মজুমদার (মুকিত মজুমদার বাবু): পরিবেশ সংরক্ষণ।
প্রতিষ্ঠানসমূহ (৫টি):
১. ফৌজদারহাট ক্যাডেট কলেজ: মুক্তিযুদ্ধ।
২. ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল: চিকিৎসাবিদ্যা।
৩. পল্লী কর্ম-সহায়ক ফাউন্ডেশন (পিকেএসএফ): পল্লী উন্নয়ন।
৪. এসওএস চিলড্রেনস ভিলেজ ইন্টারন্যাশনাল ইন বাংলাদেশ: সমাজসেবা ও জনসেবা।
৫. গণস্বাস্থ্য কেন্দ্র: সমাজসেবা ও জনসেবা।
উল্লেখ্য, স্বাধীনতা দিবস পুরস্কার বা স্বাধীনতা পুরস্কার বাংলাদেশ সরকারের প্রদত্ত সর্বোচ্চ বেসামরিক সম্মাননা। ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের বীর শহীদদের স্মরণে ১৯৭৭ সাল থেকে প্রতি বছর স্বাধীনতা দিবস ২৬ মার্চ এই পদক প্রদান করা হয়ে আসছে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৫ মার্চ ২০২৬
দেশ গঠনে গৌরবোজ্জ্বল ও কৃতিত্বপূর্ণ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ প্রয়াত সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়াসহ ১৫ জন বিশিষ্ট ব্যক্তি এবং ৫টি প্রতিষ্ঠানকে এ বছর ‘স্বাধীনতা পুরস্কার ২০২৬’ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার।
বৃহস্পতিবার মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে প্রকাশিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। এতে বলা হয়, জাতীয় পর্যায়ে গৌরবোজ্জ্বল অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে নির্বাচিত ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানকে তাদের স্ব স্ব ক্ষেত্রে এই পুরস্কার প্রদান করা হবে।
ব্যক্তিবর্গ (১৫ জন):
১. বেগম খালেদা জিয়া (মরণোত্তর): স্বাধীনতা, গণতন্ত্র, নারী শিক্ষাসহ দেশ গঠনে সার্বিক অবদান।
২. মেজর মোহাম্মদ আবদুল জলিল (মরণোত্তর): মুক্তিযুদ্ধ।
৩. অধ্যাপক ড. জহুরুল করিম: বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি।
৪. ড. আশরাফ সিদ্দিকী (মরণোত্তর): সাহিত্য।
৫. এ. কে. এম. হানিফ (হানিফ সংকেত): সংস্কৃতি।
৬. বশির আহমেদ (মরণোত্তর): সংস্কৃতি।
৭. জোবেরা রহমান (লিনু): ক্রীড়া।
৮. ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী (মরণোত্তর): সমাজসেবা ও জনসেবা।
৯. মো. সাইদুল হক: সমাজসেবা ও জনসেবা।
১০. মাহেরীন চৌধুরী (মরণোত্তর): সমাজসেবা ও জনসেবা।
১১. কাজী ফজলুর রহমান (মরণোত্তর): জনপ্রশাসন।
১২. মোহাম্মদ আবদুল বাকী (পিএইচডি): গবেষণা ও প্রশিক্ষণ।
১৩. অধ্যাপক ড. এম এ রহিম: গবেষণা ও প্রশিক্ষণ।
১৪. অধ্যাপক ড. সুকোমল বড়ুয়া: গবেষণা ও প্রশিক্ষণ।
১৫. আবদুল মুকিত মজুমদার (মুকিত মজুমদার বাবু): পরিবেশ সংরক্ষণ।
প্রতিষ্ঠানসমূহ (৫টি):
১. ফৌজদারহাট ক্যাডেট কলেজ: মুক্তিযুদ্ধ।
২. ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল: চিকিৎসাবিদ্যা।
৩. পল্লী কর্ম-সহায়ক ফাউন্ডেশন (পিকেএসএফ): পল্লী উন্নয়ন।
৪. এসওএস চিলড্রেনস ভিলেজ ইন্টারন্যাশনাল ইন বাংলাদেশ: সমাজসেবা ও জনসেবা।
৫. গণস্বাস্থ্য কেন্দ্র: সমাজসেবা ও জনসেবা।
উল্লেখ্য, স্বাধীনতা দিবস পুরস্কার বা স্বাধীনতা পুরস্কার বাংলাদেশ সরকারের প্রদত্ত সর্বোচ্চ বেসামরিক সম্মাননা। ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের বীর শহীদদের স্মরণে ১৯৭৭ সাল থেকে প্রতি বছর স্বাধীনতা দিবস ২৬ মার্চ এই পদক প্রদান করা হয়ে আসছে।

আপনার মতামত লিখুন