চাঁদপুরের হাইমচর উপজেলার ৬ নম্বর চর ভৈরবী ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের আমতলী নতুন বাজার এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে অবহেলিত একটি গুরুত্বপূর্ণ সড়কের সংস্কার কাজ শুরু হয়েছে। তবে কাজ শুরুর পর থেকেই ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে অনিয়ম ও নিম্নমানের নির্মাণসামগ্রী ব্যবহারের অভিযোগ তুলেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।
এলাকাবাসীর অভিযোগ, সড়কটি সংস্কারের দায়িত্বে থাকা নান্টু নামের এক ঠিকাদার রাস্তার কাজে নিম্নমানের দুই নম্বর ইট ব্যবহার করছেন। এতে করে নতুন করে সংস্কার করা হলেও রাস্তার স্থায়িত্ব ও মান নিয়ে জনমনে প্রশ্ন তৈরি হয়েছে।স্থানীয়দের দাবি, উন্নয়ন কাজের নামে যদি নিম্নমানের সামগ্রী ব্যবহার করা হয়, তাহলে অল্প সময়ের মধ্যেই সড়কটি আবারও চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়বে
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, আমতলী নতুন বাজারের এই সড়কটি দীর্ঘদিন ধরে বেহাল অবস্থায় ছিল। বর্ষা মৌসুমে কাদামাটি আর খানাখন্দে ভরে যেত, ফলে সাধারণ মানুষের চলাচলে চরম ভোগান্তি পোহাতে হতো। স্কুল-কলেজগামী শিক্ষার্থী, ব্যবসায়ী এবং রোগী পরিবহনে প্রায়ই সমস্যার সৃষ্টি হতো। বহুদিনের দাবির পর অবশেষে সড়ক সংস্কারের কাজ শুরু হওয়ায় এলাকাবাসী প্রথমে স্বস্তি প্রকাশ করলেও এখন নিম্নমানের কাজের অভিযোগে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।
স্থানীয়দের ভাষ্য, উন্নয়ন কাজ যেন কাগজে-কলমে সীমাবদ্ধ না থেকে বাস্তবেও টেকসই হয়, সেজন্য প্রশাসন ও জনপ্রতিনিধিদের সঠিক তদারকি অত্যন্ত জরুরি। তারা দ্রুত বিষয়টি তদন্ত করে যথাযথ মান বজায় রেখে কাজ সম্পন্ন করার দাবি জানিয়েছেন। এলাকাবাসী ও সচেতন মহলের মতে, সরকারি উন্নয়ন প্রকল্পের কাজের মান নিশ্চিত করা হলে একদিকে যেমন জনগণের ভোগান্তি কমবে, অন্যদিকে সরকারের উন্নয়ন কার্যক্রমও সবার কাছে দৃশ্যমান ও গ্রহণযোগ্য হবে।
এ বিষয়ে স্থানীয় প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট জনপ্রতিনিধিদের দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন আমতলী নতুন বাজার এলাকার সাধারণ মানুষ। তাদের আশা, যথাযথ তদন্ত ও তদারকির মাধ্যমে সড়ক সংস্কারের কাজ সঠিকভাবে সম্পন্ন হবে এবং দীর্ঘদিনের দুর্ভোগ থেকে মুক্তি পাবে এলাকাবাসী।

বুধবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৭ মার্চ ২০২৬
চাঁদপুরের হাইমচর উপজেলার ৬ নম্বর চর ভৈরবী ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের আমতলী নতুন বাজার এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে অবহেলিত একটি গুরুত্বপূর্ণ সড়কের সংস্কার কাজ শুরু হয়েছে। তবে কাজ শুরুর পর থেকেই ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে অনিয়ম ও নিম্নমানের নির্মাণসামগ্রী ব্যবহারের অভিযোগ তুলেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।
এলাকাবাসীর অভিযোগ, সড়কটি সংস্কারের দায়িত্বে থাকা নান্টু নামের এক ঠিকাদার রাস্তার কাজে নিম্নমানের দুই নম্বর ইট ব্যবহার করছেন। এতে করে নতুন করে সংস্কার করা হলেও রাস্তার স্থায়িত্ব ও মান নিয়ে জনমনে প্রশ্ন তৈরি হয়েছে।স্থানীয়দের দাবি, উন্নয়ন কাজের নামে যদি নিম্নমানের সামগ্রী ব্যবহার করা হয়, তাহলে অল্প সময়ের মধ্যেই সড়কটি আবারও চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়বে
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, আমতলী নতুন বাজারের এই সড়কটি দীর্ঘদিন ধরে বেহাল অবস্থায় ছিল। বর্ষা মৌসুমে কাদামাটি আর খানাখন্দে ভরে যেত, ফলে সাধারণ মানুষের চলাচলে চরম ভোগান্তি পোহাতে হতো। স্কুল-কলেজগামী শিক্ষার্থী, ব্যবসায়ী এবং রোগী পরিবহনে প্রায়ই সমস্যার সৃষ্টি হতো। বহুদিনের দাবির পর অবশেষে সড়ক সংস্কারের কাজ শুরু হওয়ায় এলাকাবাসী প্রথমে স্বস্তি প্রকাশ করলেও এখন নিম্নমানের কাজের অভিযোগে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।
স্থানীয়দের ভাষ্য, উন্নয়ন কাজ যেন কাগজে-কলমে সীমাবদ্ধ না থেকে বাস্তবেও টেকসই হয়, সেজন্য প্রশাসন ও জনপ্রতিনিধিদের সঠিক তদারকি অত্যন্ত জরুরি। তারা দ্রুত বিষয়টি তদন্ত করে যথাযথ মান বজায় রেখে কাজ সম্পন্ন করার দাবি জানিয়েছেন। এলাকাবাসী ও সচেতন মহলের মতে, সরকারি উন্নয়ন প্রকল্পের কাজের মান নিশ্চিত করা হলে একদিকে যেমন জনগণের ভোগান্তি কমবে, অন্যদিকে সরকারের উন্নয়ন কার্যক্রমও সবার কাছে দৃশ্যমান ও গ্রহণযোগ্য হবে।
এ বিষয়ে স্থানীয় প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট জনপ্রতিনিধিদের দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন আমতলী নতুন বাজার এলাকার সাধারণ মানুষ। তাদের আশা, যথাযথ তদন্ত ও তদারকির মাধ্যমে সড়ক সংস্কারের কাজ সঠিকভাবে সম্পন্ন হবে এবং দীর্ঘদিনের দুর্ভোগ থেকে মুক্তি পাবে এলাকাবাসী।

আপনার মতামত লিখুন