দেশে নারী ও শিশুর প্রতি সহিংসতা, বিশেষত ধর্ষণের ঘটনা বৃদ্ধির প্রেক্ষিতে ধর্ষণ আইন সংস্কার এবং ভুক্তভোগীর সুরক্ষা নিশ্চিত করার দাবিতে সামাজিক ও রাজনৈতিক চাপ তীব্র হয়ে উঠেছে।
সাম্প্রতিক দিনে ধর্ষণ আইন সংস্কার জোট সরকারের কাছে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানিয়ে একটি আট দফা দাবির প্যাকেজ ঘোষণা করেছে। দাবিগুলোর মধ্যে ভুক্তভোগীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, মামলা তদন্ত ও বিচার দ্রুত সম্পন্ন করা এবং আইন প্রয়োগে জটিলতা দূর করা অন্তর্ভুক্ত।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বর্তমানে মামলা প্রক্রিয়ার দীর্ঘতায় ভুক্তভোগীরা হুমকি, আর্থিক চাপ এবং সামাজিক কলঙ্কের কারণে মামলা চালাতে ভয় পাচ্ছেন। সাক্ষীদের নিরাপত্তা না নিশ্চিত হলে কার্যকর বিচার সম্ভব নয়।
সরকার ২০২৫ সালে ‘নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন’ সংশোধনের উদ্যোগ নিয়েছে। সংশোধনের মাধ্যমে মামলা তদন্ত ১৫ দিনের মধ্যে সম্পন্ন করার এবং ৯০ দিনের মধ্যে বিচার শেষ করার লক্ষ্য রাখা হয়েছে। গুরুতর অপরাধের ক্ষেত্রে বিশেষ ট্রাইব্যুনাল গঠন এবং ডিএনএ রিপোর্ট ছাড়াই প্রমাণ গ্রহণের সুযোগ রাখা হয়েছে। মিথ্যা মামলা রোধে কঠোর শাস্তির বিধানও অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
সামাজিক প্রতিক্রিয়াও তীব্র। শিক্ষার্থীরা, নাগরিক সমাজ এবং মানবাধিকার সংগঠনগুলো দ্রুত বিচার এবং ভুক্তভোগীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দাবিতে আন্দোলন চালাচ্ছে। তরুণ সমাজ বিশেষভাবে এই দাবিতে সোচ্চার হয়ে উঠেছে।
বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, ধর্ষণ আইনের কাঠামো এখনও সম্যক নয়। পুরুষ ভিক্টিমের স্বীকৃতি, সমান বিচার ব্যবস্থা, এবং ভুক্তভোগীর গোপনীয়তা ও নিরাপত্তার আরও শক্তকরণে আইন সংস্কারের প্রয়োজন রয়েছে।
সরকারের সংশোধনী উদ্যোগ এবং সামাজিক আন্দোলন একত্রিত হলে দেশে ধর্ষণ ও যৌন সহিংসতার শিকারদের জন্য নিরাপদ পরিবেশ তৈরি করা সম্ভব। তবে আইন প্রয়োগ ও সামাজিক সচেতনতা সমান্তরাল না হলে শুধুমাত্র আইন সংস্কার যথেষ্ট হবে না বলে বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করেছেন।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৫ মার্চ ২০২৬
দেশে নারী ও শিশুর প্রতি সহিংসতা, বিশেষত ধর্ষণের ঘটনা বৃদ্ধির প্রেক্ষিতে ধর্ষণ আইন সংস্কার এবং ভুক্তভোগীর সুরক্ষা নিশ্চিত করার দাবিতে সামাজিক ও রাজনৈতিক চাপ তীব্র হয়ে উঠেছে।
সাম্প্রতিক দিনে ধর্ষণ আইন সংস্কার জোট সরকারের কাছে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানিয়ে একটি আট দফা দাবির প্যাকেজ ঘোষণা করেছে। দাবিগুলোর মধ্যে ভুক্তভোগীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, মামলা তদন্ত ও বিচার দ্রুত সম্পন্ন করা এবং আইন প্রয়োগে জটিলতা দূর করা অন্তর্ভুক্ত।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বর্তমানে মামলা প্রক্রিয়ার দীর্ঘতায় ভুক্তভোগীরা হুমকি, আর্থিক চাপ এবং সামাজিক কলঙ্কের কারণে মামলা চালাতে ভয় পাচ্ছেন। সাক্ষীদের নিরাপত্তা না নিশ্চিত হলে কার্যকর বিচার সম্ভব নয়।
সরকার ২০২৫ সালে ‘নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন’ সংশোধনের উদ্যোগ নিয়েছে। সংশোধনের মাধ্যমে মামলা তদন্ত ১৫ দিনের মধ্যে সম্পন্ন করার এবং ৯০ দিনের মধ্যে বিচার শেষ করার লক্ষ্য রাখা হয়েছে। গুরুতর অপরাধের ক্ষেত্রে বিশেষ ট্রাইব্যুনাল গঠন এবং ডিএনএ রিপোর্ট ছাড়াই প্রমাণ গ্রহণের সুযোগ রাখা হয়েছে। মিথ্যা মামলা রোধে কঠোর শাস্তির বিধানও অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
সামাজিক প্রতিক্রিয়াও তীব্র। শিক্ষার্থীরা, নাগরিক সমাজ এবং মানবাধিকার সংগঠনগুলো দ্রুত বিচার এবং ভুক্তভোগীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দাবিতে আন্দোলন চালাচ্ছে। তরুণ সমাজ বিশেষভাবে এই দাবিতে সোচ্চার হয়ে উঠেছে।
বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, ধর্ষণ আইনের কাঠামো এখনও সম্যক নয়। পুরুষ ভিক্টিমের স্বীকৃতি, সমান বিচার ব্যবস্থা, এবং ভুক্তভোগীর গোপনীয়তা ও নিরাপত্তার আরও শক্তকরণে আইন সংস্কারের প্রয়োজন রয়েছে।
সরকারের সংশোধনী উদ্যোগ এবং সামাজিক আন্দোলন একত্রিত হলে দেশে ধর্ষণ ও যৌন সহিংসতার শিকারদের জন্য নিরাপদ পরিবেশ তৈরি করা সম্ভব। তবে আইন প্রয়োগ ও সামাজিক সচেতনতা সমান্তরাল না হলে শুধুমাত্র আইন সংস্কার যথেষ্ট হবে না বলে বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করেছেন।

আপনার মতামত লিখুন