ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র ও ঢাকা–৮ আসনের সম্ভাব্য স্বতন্ত্র প্রার্থী শরিফ ওসমান বিন হাদির ওপর গুলির ঘটনায় নতুন করে চাঞ্চল্যকর তথ্য সামনে এসেছে। সংশ্লিষ্ট সূত্রের দাবি, হাদির পাশাপাশি আরও কয়েকজন রাজনৈতিক নেতা ও সংগঠককে ‘টার্গেট কিলিং’-এর তালিকায় রাখা হয়েছিল।
সূত্র জানায়, হামলার আগেই আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও সংশ্লিষ্ট দপ্তরের কাছে একাধিক ব্যক্তিকে হত্যার পরিকল্পনার তথ্য পৌঁছেছিল। সম্ভাব্য টার্গেট তালিকায় হাদির নামের পাশাপাশি জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) নেতা হাসনাত আবদুল্লাহ ও আমার বাংলাদেশ (এবি) পার্টির সাধারণ সম্পাদক ব্যারিস্টার আসাদুজ্জামান ফুয়াদসহ আরও কয়েকজনের নাম উঠে আসে বলে জানা গেছে।
অভিযোগ রয়েছে, আগাম তথ্য থাকা সত্ত্বেও সম্ভাব্য ঝুঁকিতে থাকা ব্যক্তিদের নিরাপত্তা জোরদারে কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া হয়নি। ফলে প্রকাশ্য স্থানে সংঘটিত হাদির ওপর হামলাটি নিয়ে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ও নিরাপত্তা ব্যবস্থার ঘাটতি নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে।
এ বিষয়ে সরকারের বক্তব্য জানতে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব এবং পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি)-এর সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাৎক্ষণিকভাবে কারও বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তবে রাত ১২টার দিকে আইজিপি বাহারুল আলম ফিরতি বার্তায় জানান, “এ রকম কোনো কিছু আমরা পাইনি।”
এদিকে পুলিশ সূত্র জানিয়েছে, হাদির ওপর হামলার ঘটনায় বিদেশে অবস্থানরত সন্ত্রাসীদের সম্পৃক্ততা থাকতে পারে। ঘটনার সঙ্গে জড়িত সন্দেহভাজন হিসেবে ফিলিপ ওরফে গারো ফিলিপ নামের এক ভাড়াটে কিলারের নাম পাওয়া গেছে। পুলিশ জানিয়েছে, তাকে গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে। ফিলিপকে আটক করা সম্ভব হলে এই কিলিং মিশনের নেপথ্যে জড়িতদের পরিচয় ও পরিকল্পনার বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য উদ্ঘাটনের সম্ভাবনা রয়েছে।
ঘটনাটি নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। বিভিন্ন দল ও সংগঠন একে পরিকল্পিত রাজনৈতিক সহিংসতা হিসেবে উল্লেখ করে দ্রুত দোষীদের গ্রেপ্তার ও সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিতের দাবি জানিয়েছে। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, আসন্ন জাতীয় নির্বাচনকে সামনে রেখে এ ধরনের ঘটনা দেশের রাজনৈতিক পরিবেশ ও জননিরাপত্তার জন্য গুরুতর উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৩ ডিসেম্বর ২০২৫
ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র ও ঢাকা–৮ আসনের সম্ভাব্য স্বতন্ত্র প্রার্থী শরিফ ওসমান বিন হাদির ওপর গুলির ঘটনায় নতুন করে চাঞ্চল্যকর তথ্য সামনে এসেছে। সংশ্লিষ্ট সূত্রের দাবি, হাদির পাশাপাশি আরও কয়েকজন রাজনৈতিক নেতা ও সংগঠককে ‘টার্গেট কিলিং’-এর তালিকায় রাখা হয়েছিল।
সূত্র জানায়, হামলার আগেই আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও সংশ্লিষ্ট দপ্তরের কাছে একাধিক ব্যক্তিকে হত্যার পরিকল্পনার তথ্য পৌঁছেছিল। সম্ভাব্য টার্গেট তালিকায় হাদির নামের পাশাপাশি জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) নেতা হাসনাত আবদুল্লাহ ও আমার বাংলাদেশ (এবি) পার্টির সাধারণ সম্পাদক ব্যারিস্টার আসাদুজ্জামান ফুয়াদসহ আরও কয়েকজনের নাম উঠে আসে বলে জানা গেছে।
অভিযোগ রয়েছে, আগাম তথ্য থাকা সত্ত্বেও সম্ভাব্য ঝুঁকিতে থাকা ব্যক্তিদের নিরাপত্তা জোরদারে কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া হয়নি। ফলে প্রকাশ্য স্থানে সংঘটিত হাদির ওপর হামলাটি নিয়ে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ও নিরাপত্তা ব্যবস্থার ঘাটতি নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে।
এ বিষয়ে সরকারের বক্তব্য জানতে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব এবং পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি)-এর সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাৎক্ষণিকভাবে কারও বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তবে রাত ১২টার দিকে আইজিপি বাহারুল আলম ফিরতি বার্তায় জানান, “এ রকম কোনো কিছু আমরা পাইনি।”
এদিকে পুলিশ সূত্র জানিয়েছে, হাদির ওপর হামলার ঘটনায় বিদেশে অবস্থানরত সন্ত্রাসীদের সম্পৃক্ততা থাকতে পারে। ঘটনার সঙ্গে জড়িত সন্দেহভাজন হিসেবে ফিলিপ ওরফে গারো ফিলিপ নামের এক ভাড়াটে কিলারের নাম পাওয়া গেছে। পুলিশ জানিয়েছে, তাকে গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে। ফিলিপকে আটক করা সম্ভব হলে এই কিলিং মিশনের নেপথ্যে জড়িতদের পরিচয় ও পরিকল্পনার বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য উদ্ঘাটনের সম্ভাবনা রয়েছে।
ঘটনাটি নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। বিভিন্ন দল ও সংগঠন একে পরিকল্পিত রাজনৈতিক সহিংসতা হিসেবে উল্লেখ করে দ্রুত দোষীদের গ্রেপ্তার ও সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিতের দাবি জানিয়েছে। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, আসন্ন জাতীয় নির্বাচনকে সামনে রেখে এ ধরনের ঘটনা দেশের রাজনৈতিক পরিবেশ ও জননিরাপত্তার জন্য গুরুতর উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন