গাজীপুরে বাবার কাছে নালিশ দিতে চাওয়ায় নিজের ছোট ভাই আ. রাহিমকে (১৩) শ্বাসরোধে হত্যা এবং মাটিচাপা দেওয়ার অভিযোগে তার বড় ভাই মো. আলামিন হোসেন (২৩) ও একজন সহযোগীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গ্রেপ্তারকৃত সহযোগীর নাম আশিক আহমেদ (২০), জয়দেবপুর থানার ডগরী খাসপাড়া গ্রামের কাজী নজরুল ইসলামের ছেলে।
আজ বুধবার সকালে গাজীপুর জেলা পুলিশ সুপার কার্যালয়ে আয়োজিত প্রেস ব্রিফিংয়ে পুলিশ সুপার মো. শরিফ উদ্দীন এ তথ্য জানান। তিনি জানান, নিহত আ. রাহিম স্থানীয় নয়াপাড়া এবাদিয়া দাখিল মাদরাসার ষষ্ঠ শ্রেণির ছাত্র ছিলেন।
পুলিশের বর্ণনা অনুযায়ী, মোবাইল কেনার বিষয় নিয়ে ছোট ভাই রাহিমের সঙ্গে তর্ক হয়। বড় ভাই আলামিন হোসেন ছোট ভাইকে ভয় দেখানোর পরিকল্পনা করে তার বন্ধুদের সঙ্গে নিয়ে ১ ফেব্রুয়ারি বিকেলে রাহিমকে জয়দেবপুর থানার বিকেবাড়ি পদ্মপাড়া এলাকায় সরকারি শালবনের ভিতর নিয়ে যান। সেখানে রাহিমকে গজারী গাছের সঙ্গে বাঁধা হয় এবং মুখ স্কচটেপ দিয়ে আটকানো হয়। পরবর্তীতে আলামিন গলাটিপে ছোট ভাইকে হত্যা করে এবং লাশ মাটিতে চাপা দেন। পরে রাহিমের জ্যাকেটটি পুড়িয়ে দেন।
রাহিম নিখোঁজ হওয়ার পর তার বাবা নুরুল ইসলাম ১ ফেব্রুয়ারি জয়দেবপুর থানায় সাধারণ ডায়েরি করেন। ২৬ ফেব্রুয়ারি বিকেবাড়ি পদ্মপাড়া এলাকায় মাটিচাপা অবস্থায় অর্ধগলিত লাশ উদ্ধার করা হয়। বাবা হাসপাতালের মর্গে লাশের পোশাক দেখে পরিচয় শনাক্ত করেন।
পুলিশ তদন্তের মাধ্যমে তথ্য প্রযুক্তি ও স্থানীয় সূত্র ব্যবহার করে মো. আলামিন হোসেন ও আশিক আহমেদকে ২৭ ফেব্রুয়ারি ভোরে গ্রেপ্তার করে। আদালতে তাদের ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি নথিভুক্ত হয়।
প্রেস ব্রিফিংয়ে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. আবু খায়ের, মো. মোজাম্মেল হোসেন, আমিনুল ইসলাম, মো. মহাবুবুর রহমান, লিপি রাণী সিনহা এবং জয়দেবপুর থানার ওসি তরিকুল ইসলাম উপস্থিত ছিলেন।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৪ মার্চ ২০২৬
গাজীপুরে বাবার কাছে নালিশ দিতে চাওয়ায় নিজের ছোট ভাই আ. রাহিমকে (১৩) শ্বাসরোধে হত্যা এবং মাটিচাপা দেওয়ার অভিযোগে তার বড় ভাই মো. আলামিন হোসেন (২৩) ও একজন সহযোগীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গ্রেপ্তারকৃত সহযোগীর নাম আশিক আহমেদ (২০), জয়দেবপুর থানার ডগরী খাসপাড়া গ্রামের কাজী নজরুল ইসলামের ছেলে।
আজ বুধবার সকালে গাজীপুর জেলা পুলিশ সুপার কার্যালয়ে আয়োজিত প্রেস ব্রিফিংয়ে পুলিশ সুপার মো. শরিফ উদ্দীন এ তথ্য জানান। তিনি জানান, নিহত আ. রাহিম স্থানীয় নয়াপাড়া এবাদিয়া দাখিল মাদরাসার ষষ্ঠ শ্রেণির ছাত্র ছিলেন।
পুলিশের বর্ণনা অনুযায়ী, মোবাইল কেনার বিষয় নিয়ে ছোট ভাই রাহিমের সঙ্গে তর্ক হয়। বড় ভাই আলামিন হোসেন ছোট ভাইকে ভয় দেখানোর পরিকল্পনা করে তার বন্ধুদের সঙ্গে নিয়ে ১ ফেব্রুয়ারি বিকেলে রাহিমকে জয়দেবপুর থানার বিকেবাড়ি পদ্মপাড়া এলাকায় সরকারি শালবনের ভিতর নিয়ে যান। সেখানে রাহিমকে গজারী গাছের সঙ্গে বাঁধা হয় এবং মুখ স্কচটেপ দিয়ে আটকানো হয়। পরবর্তীতে আলামিন গলাটিপে ছোট ভাইকে হত্যা করে এবং লাশ মাটিতে চাপা দেন। পরে রাহিমের জ্যাকেটটি পুড়িয়ে দেন।
রাহিম নিখোঁজ হওয়ার পর তার বাবা নুরুল ইসলাম ১ ফেব্রুয়ারি জয়দেবপুর থানায় সাধারণ ডায়েরি করেন। ২৬ ফেব্রুয়ারি বিকেবাড়ি পদ্মপাড়া এলাকায় মাটিচাপা অবস্থায় অর্ধগলিত লাশ উদ্ধার করা হয়। বাবা হাসপাতালের মর্গে লাশের পোশাক দেখে পরিচয় শনাক্ত করেন।
পুলিশ তদন্তের মাধ্যমে তথ্য প্রযুক্তি ও স্থানীয় সূত্র ব্যবহার করে মো. আলামিন হোসেন ও আশিক আহমেদকে ২৭ ফেব্রুয়ারি ভোরে গ্রেপ্তার করে। আদালতে তাদের ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি নথিভুক্ত হয়।
প্রেস ব্রিফিংয়ে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. আবু খায়ের, মো. মোজাম্মেল হোসেন, আমিনুল ইসলাম, মো. মহাবুবুর রহমান, লিপি রাণী সিনহা এবং জয়দেবপুর থানার ওসি তরিকুল ইসলাম উপস্থিত ছিলেন।

আপনার মতামত লিখুন