বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-এর ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান দীর্ঘদিনের নির্বাসন শেষে দেশে ফিরছেন। দলীয় সূত্রে জানানো হয়েছে, আগামী ২৫ ডিসেম্বর তিনি ঢাকায় পৌঁছাবেন। তার প্রত্যাবর্তনকে কেন্দ্র করে রাজধানীর গুলশানে তার বাসভবন ও দলীয় কার্যালয়ে প্রস্তুতি কার্যক্রম জোরদার করা হয়েছে।
দলীয় নেতাদের ভাষ্য অনুযায়ী, গুলশান এলাকার নির্ধারিত বাসভবনে সংস্কার, পরিচ্ছন্নতা ও নিরাপত্তা সংক্রান্ত কাজ প্রায় শেষ পর্যায়ে। একই সঙ্গে তার রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড পরিচালনার জন্য ব্যবহৃত কার্যালয়েও প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে। দেশে ফিরে সেখান থেকেই দলীয় কার্যক্রম শুরু করার পরিকল্পনা রয়েছে বলে জানানো হয়েছে।
বিএনপি সূত্র আরও জানায়, তারেক রহমানের সঙ্গে পরিবারের সদস্যদেরও দেশে ফেরার প্রস্তুতি রয়েছে। দীর্ঘ সময় পর পরিবারের সঙ্গে পুনর্মিলন এবং রাজনৈতিক মাঠে সরাসরি উপস্থিতি—দুটিই দলের নেতাকর্মীদের মধ্যে নতুন উদ্দীপনা সৃষ্টি করেছে।
এদিকে তার প্রত্যাবর্তনকে ঘিরে নিরাপত্তা ব্যবস্থাও গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হচ্ছে। প্রশাসনিক পর্যায়ে প্রয়োজনীয় নিরাপত্তা পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলো সমন্বিতভাবে কাজ করছে।
রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, তারেক রহমানের দেশে ফেরা দেশের রাজনীতিতে নতুন মাত্রা যোগ করতে পারে। বিএনপি নেতারা এটিকে দলের জন্য গুরুত্বপূর্ণ ও সময়োপযোগী ঘটনা হিসেবে দেখছেন এবং নেতাকর্মীদের শান্তিপূর্ণভাবে কর্মসূচি পালনের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
দীর্ঘ নির্বাসন শেষে এই প্রত্যাবর্তন ঘিরে রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনা তুঙ্গে। আগামী দিনগুলোতে তার আগমন ও পরবর্তী কার্যক্রম দেশের রাজনীতিতে কী প্রভাব ফেলে—সেদিকে নজর থাকবে সবার।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৪ ডিসেম্বর ২০২৫
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-এর ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান দীর্ঘদিনের নির্বাসন শেষে দেশে ফিরছেন। দলীয় সূত্রে জানানো হয়েছে, আগামী ২৫ ডিসেম্বর তিনি ঢাকায় পৌঁছাবেন। তার প্রত্যাবর্তনকে কেন্দ্র করে রাজধানীর গুলশানে তার বাসভবন ও দলীয় কার্যালয়ে প্রস্তুতি কার্যক্রম জোরদার করা হয়েছে।
দলীয় নেতাদের ভাষ্য অনুযায়ী, গুলশান এলাকার নির্ধারিত বাসভবনে সংস্কার, পরিচ্ছন্নতা ও নিরাপত্তা সংক্রান্ত কাজ প্রায় শেষ পর্যায়ে। একই সঙ্গে তার রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড পরিচালনার জন্য ব্যবহৃত কার্যালয়েও প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে। দেশে ফিরে সেখান থেকেই দলীয় কার্যক্রম শুরু করার পরিকল্পনা রয়েছে বলে জানানো হয়েছে।
বিএনপি সূত্র আরও জানায়, তারেক রহমানের সঙ্গে পরিবারের সদস্যদেরও দেশে ফেরার প্রস্তুতি রয়েছে। দীর্ঘ সময় পর পরিবারের সঙ্গে পুনর্মিলন এবং রাজনৈতিক মাঠে সরাসরি উপস্থিতি—দুটিই দলের নেতাকর্মীদের মধ্যে নতুন উদ্দীপনা সৃষ্টি করেছে।
এদিকে তার প্রত্যাবর্তনকে ঘিরে নিরাপত্তা ব্যবস্থাও গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হচ্ছে। প্রশাসনিক পর্যায়ে প্রয়োজনীয় নিরাপত্তা পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলো সমন্বিতভাবে কাজ করছে।
রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, তারেক রহমানের দেশে ফেরা দেশের রাজনীতিতে নতুন মাত্রা যোগ করতে পারে। বিএনপি নেতারা এটিকে দলের জন্য গুরুত্বপূর্ণ ও সময়োপযোগী ঘটনা হিসেবে দেখছেন এবং নেতাকর্মীদের শান্তিপূর্ণভাবে কর্মসূচি পালনের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
দীর্ঘ নির্বাসন শেষে এই প্রত্যাবর্তন ঘিরে রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনা তুঙ্গে। আগামী দিনগুলোতে তার আগমন ও পরবর্তী কার্যক্রম দেশের রাজনীতিতে কী প্রভাব ফেলে—সেদিকে নজর থাকবে সবার।

আপনার মতামত লিখুন