গৌরনদী উপজেলা বরিশাল জেলাতে ইফতার সামগ্রী হিসেবে সরবরাহ করা মাঠা নিয়ে মেয়াদোত্তীর্ণ পণ্যের অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগের কেন্দ্রে রয়েছে আদি বগুড়া মুসলিম দই ও মিষ্টান্ন ভান্ডার।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গতকাল ইফতারের সময় গৌরনদীর ভুরঘাটা এলাকার আল-মদিনা হোটেলে মাঠা অর্ডার করা হলে হোটেল বয় বোতলজাত মুসলিম মাঠা সরবরাহ করেন। পরে বোতলের লেবেল পরীক্ষা করে দেখা যায়, কয়েকটি বোতলে উল্লেখিত মেয়াদ ইতোমধ্যে উত্তীর্ণ হয়েছে। আবার কিছু বোতলে উৎপাদনের তারিখ ও মেয়াদোত্তীর্ণের কোনো তথ্যই উল্লেখ নেই বলে অভিযোগ করা হয়।
বিষয়টি হোটেল কর্তৃপক্ষকে জানানো হলে ম্যানেজার জানান, সেদিনই পণ্যটি সরবরাহ করা হয়েছে এবং তা গৌরনদী থেকেই আনা। সরবরাহ মেমোতে উল্লেখ রয়েছে, পণ্যটি উপজেলার লাখেরাজ কসবা এলাকায় টরকী হযরত দৌত মল্লিক মাজারের পেছনে কাসারু বাড়ি স্কুল সংলগ্ন কারখানা এবং গৌরনদী বাসস্ট্যান্ড এলাকার সিসিডিবি মার্কেট, ইসলামী ব্যাংক এটিএম বুথ সংলগ্ন শোরুম থেকে সরবরাহ করা হয়েছে।
এ বিষয়ে প্রতিষ্ঠানের মালিকের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি কথা বলতে অপারগতা প্রকাশ করেন। শোরুমে দায়িত্বরত বিক্রয়কর্মী ইমন জানান, বিষয়টি সম্পর্কে তিনি অবগত নন এবং মালিকই এ বিষয়ে বিস্তারিত জানাতে পারবেন। অভিযোগকারীদের দাবি, শোরুমের ফ্রিজে সংরক্ষিত কিছু দইয়ে শ্যাওলার উপস্থিতিও লক্ষ্য করা গেছে।
এ প্রসঙ্গে উপজেলা স্যানিটারি ইন্সপেক্টর শঙ্কর কুমার দাস বলেন, নিয়মিত তদারকির অংশ হিসেবে সপ্তাহে একদিন কারখানা পরিদর্শন করা হয়। তিনি ভোক্তাদের প্রমাণসহ লিখিত অভিযোগ দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে বলেন, প্রমাণ পাওয়া গেলে বিধি অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। অভিযোগকারীদের জন্য পুরস্কারের ব্যবস্থাও রয়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।
ঘটনাটি নিয়ে স্থানীয় ভোক্তাদের মধ্যে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। তারা দ্রুত তদন্ত ও মেয়াদোত্তীর্ণ খাদ্যপণ্য সরবরাহের বিরুদ্ধে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৩ মার্চ ২০২৬
গৌরনদী উপজেলা বরিশাল জেলাতে ইফতার সামগ্রী হিসেবে সরবরাহ করা মাঠা নিয়ে মেয়াদোত্তীর্ণ পণ্যের অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগের কেন্দ্রে রয়েছে আদি বগুড়া মুসলিম দই ও মিষ্টান্ন ভান্ডার।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গতকাল ইফতারের সময় গৌরনদীর ভুরঘাটা এলাকার আল-মদিনা হোটেলে মাঠা অর্ডার করা হলে হোটেল বয় বোতলজাত মুসলিম মাঠা সরবরাহ করেন। পরে বোতলের লেবেল পরীক্ষা করে দেখা যায়, কয়েকটি বোতলে উল্লেখিত মেয়াদ ইতোমধ্যে উত্তীর্ণ হয়েছে। আবার কিছু বোতলে উৎপাদনের তারিখ ও মেয়াদোত্তীর্ণের কোনো তথ্যই উল্লেখ নেই বলে অভিযোগ করা হয়।
বিষয়টি হোটেল কর্তৃপক্ষকে জানানো হলে ম্যানেজার জানান, সেদিনই পণ্যটি সরবরাহ করা হয়েছে এবং তা গৌরনদী থেকেই আনা। সরবরাহ মেমোতে উল্লেখ রয়েছে, পণ্যটি উপজেলার লাখেরাজ কসবা এলাকায় টরকী হযরত দৌত মল্লিক মাজারের পেছনে কাসারু বাড়ি স্কুল সংলগ্ন কারখানা এবং গৌরনদী বাসস্ট্যান্ড এলাকার সিসিডিবি মার্কেট, ইসলামী ব্যাংক এটিএম বুথ সংলগ্ন শোরুম থেকে সরবরাহ করা হয়েছে।
এ বিষয়ে প্রতিষ্ঠানের মালিকের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি কথা বলতে অপারগতা প্রকাশ করেন। শোরুমে দায়িত্বরত বিক্রয়কর্মী ইমন জানান, বিষয়টি সম্পর্কে তিনি অবগত নন এবং মালিকই এ বিষয়ে বিস্তারিত জানাতে পারবেন। অভিযোগকারীদের দাবি, শোরুমের ফ্রিজে সংরক্ষিত কিছু দইয়ে শ্যাওলার উপস্থিতিও লক্ষ্য করা গেছে।
এ প্রসঙ্গে উপজেলা স্যানিটারি ইন্সপেক্টর শঙ্কর কুমার দাস বলেন, নিয়মিত তদারকির অংশ হিসেবে সপ্তাহে একদিন কারখানা পরিদর্শন করা হয়। তিনি ভোক্তাদের প্রমাণসহ লিখিত অভিযোগ দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে বলেন, প্রমাণ পাওয়া গেলে বিধি অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। অভিযোগকারীদের জন্য পুরস্কারের ব্যবস্থাও রয়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।
ঘটনাটি নিয়ে স্থানীয় ভোক্তাদের মধ্যে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। তারা দ্রুত তদন্ত ও মেয়াদোত্তীর্ণ খাদ্যপণ্য সরবরাহের বিরুদ্ধে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।

আপনার মতামত লিখুন