ঢাকার পল্টনের বক্স কালভার্ট এলাকায় শুক্রবার (১২ ডিসেম্বর ২০২৫) ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র ও ঢাকা-৮ আসনের সম্ভাব্য স্বতন্ত্র প্রার্থী শরিফ ওসমান বিন হাদির ওপর গুলি চালানো হয়। ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি) জানিয়েছে, হামলার মূল সন্দেহভাজনরা এখনও দেশে অবস্থান করছে, তবে পুলিশ সরাসরি বলেনি তারা নিশ্চিতভাবে দেশের মধ্যে আছে।
ডিএমপি জানিয়েছে, “এখন পর্যন্ত আমাদের কাছে কোনো প্রমাণ নেই যে হামলাকারীরা দেশ ছাড়েছে।”
হামলার সময় হাদিকে গুরুতর আহত অবস্থায় দ্রুত হাসপাতালে নেওয়া হয়। পুলিশ তদন্তের মাধ্যমে হামলাকারীদের মধ্যে একজনকে ফয়সাল করিম মাসুদ (Daud Khan) এবং মোটরসাইকেল চালককে আলমগীর শেখ হিসেবে শনাক্ত করেছে। তাদের ছবি প্রকাশ করে সাধারণ জনগণকে সহায়তা করার আহ্বান জানানো হয়েছে।
ডিএমপি আরও জানিয়েছে, সন্দেহভাজনদের পাসপোর্ট ব্লক করা হয়েছে এবং সীমান্ত এলাকা ও বন্দরগুলোতে সতর্কতা জোরদার করা হয়েছে। এছাড়া বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) এবং অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনী যৌথভাবে অভিযান চালাচ্ছে। পুলিশ জানিয়েছে, হামলাকারীরা কোথায় লুকিয়ে আছে তা এখনও স্পষ্ট নয় এবং তাদের অবস্থান সম্পর্কে তদন্ত চলছে।
মিডিয়ায় শিরোনামে বলা হয়েছে “মূল আসামি দেশে রয়েছে,” কিন্তু পুলিশ সরাসরি বলেনি যে হামলাকারীরা নিশ্চিতভাবেই দেশে আছে। পুলিশ জানিয়েছে, “তদন্ত চলছে, এখন পর্যন্ত কোনো তথ্য নেই যে তারা দেশের বাইরে গেছে।” এভাবেই মিডিয়ার শিরোনাম এবং পুলিশের ভাষার মধ্যে সামান্য পার্থক্য লক্ষ্য করা যাচ্ছে।
বর্তমানে হাদির চিকিৎসা চলছে এবং সন্দেহভাজনদের ধরতে অভিযান চলমান রয়েছে। সাধারণ জনগণকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানানো হয়েছে। পুলিশ আশা করছে, নাগরিকদের সহযোগিতায় দ্রুত হামলাকারীদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তার করা সম্ভব হবে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৪ ডিসেম্বর ২০২৫
ঢাকার পল্টনের বক্স কালভার্ট এলাকায় শুক্রবার (১২ ডিসেম্বর ২০২৫) ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র ও ঢাকা-৮ আসনের সম্ভাব্য স্বতন্ত্র প্রার্থী শরিফ ওসমান বিন হাদির ওপর গুলি চালানো হয়। ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি) জানিয়েছে, হামলার মূল সন্দেহভাজনরা এখনও দেশে অবস্থান করছে, তবে পুলিশ সরাসরি বলেনি তারা নিশ্চিতভাবে দেশের মধ্যে আছে।
ডিএমপি জানিয়েছে, “এখন পর্যন্ত আমাদের কাছে কোনো প্রমাণ নেই যে হামলাকারীরা দেশ ছাড়েছে।”
হামলার সময় হাদিকে গুরুতর আহত অবস্থায় দ্রুত হাসপাতালে নেওয়া হয়। পুলিশ তদন্তের মাধ্যমে হামলাকারীদের মধ্যে একজনকে ফয়সাল করিম মাসুদ (Daud Khan) এবং মোটরসাইকেল চালককে আলমগীর শেখ হিসেবে শনাক্ত করেছে। তাদের ছবি প্রকাশ করে সাধারণ জনগণকে সহায়তা করার আহ্বান জানানো হয়েছে।
ডিএমপি আরও জানিয়েছে, সন্দেহভাজনদের পাসপোর্ট ব্লক করা হয়েছে এবং সীমান্ত এলাকা ও বন্দরগুলোতে সতর্কতা জোরদার করা হয়েছে। এছাড়া বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) এবং অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনী যৌথভাবে অভিযান চালাচ্ছে। পুলিশ জানিয়েছে, হামলাকারীরা কোথায় লুকিয়ে আছে তা এখনও স্পষ্ট নয় এবং তাদের অবস্থান সম্পর্কে তদন্ত চলছে।
মিডিয়ায় শিরোনামে বলা হয়েছে “মূল আসামি দেশে রয়েছে,” কিন্তু পুলিশ সরাসরি বলেনি যে হামলাকারীরা নিশ্চিতভাবেই দেশে আছে। পুলিশ জানিয়েছে, “তদন্ত চলছে, এখন পর্যন্ত কোনো তথ্য নেই যে তারা দেশের বাইরে গেছে।” এভাবেই মিডিয়ার শিরোনাম এবং পুলিশের ভাষার মধ্যে সামান্য পার্থক্য লক্ষ্য করা যাচ্ছে।
বর্তমানে হাদির চিকিৎসা চলছে এবং সন্দেহভাজনদের ধরতে অভিযান চলমান রয়েছে। সাধারণ জনগণকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানানো হয়েছে। পুলিশ আশা করছে, নাগরিকদের সহযোগিতায় দ্রুত হামলাকারীদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তার করা সম্ভব হবে।

আপনার মতামত লিখুন