মধ্যপ্রাচ্যে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলায় দুই বাংলাদেশি নিহত এবং আরও সাতজন আহত হয়েছেন। হামলা গত কয়েক দিনে সংঘটিত হয়েছে, যা মূলত পশ্চিমা দেশ ও ইরানের মধ্যবর্তী উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে ঘটেছে।
সংযুক্ত আরব আমিরতের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, হামলায় তিনজন নিহত হয়েছেন, যার মধ্যে একজন বাংলাদেশি। আহতদের মধ্যে বিভিন্ন দেশের নাগরিক রয়েছেন। সংযুক্ত আরব আমিরাত প্রায় ৫৪১টি ইরানি ড্রোন শনাক্ত করেছে এবং এদের মধ্যে ৫০৬টি ধ্বংস করার দাবি করেছে। হামলায় ব্যবহৃত ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোনের বেশির ভাগ ধ্বংস করা হয়েছে দেশটির এয়ারডিফেন্স দ্বারা।
কুয়েতে হামলার সময় কয়েকজন বাংলাদেশি শ্রমিক আহত হয়েছেন। আহতদের মধ্যে একজনকে স্থানীয় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে এবং অবস্থা স্থিতিশীল। এছাড়া কুয়েতে চার বাংলাদেশিকে আহত হিসেবে শনাক্ত করা হয়েছে, যাদের মধ্যে একজনের গুরুতর হাঁটুর আঘাত রয়েছে।
বাংলাদেশ সরকার প্রবাসী নাগরিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতি মনিটর করছে। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও শ্রম মন্ত্রণালয় প্রবাসী কর্মীদের নিরাপত্তা এবং প্রয়োজনে শরণার্থী আশ্রয়ের ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে কাজ করছে।
ইরানের এই হামলায় মধ্যপ্রাচ্যে সিভিলিয়ান এলাকা ও শ্রমিকরা ঝুঁকিতে পড়েছে। প্রবাসী বাংলাদেশিদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সরকারের পর্যবেক্ষণ অব্যাহত রয়েছে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০২ মার্চ ২০২৬
মধ্যপ্রাচ্যে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলায় দুই বাংলাদেশি নিহত এবং আরও সাতজন আহত হয়েছেন। হামলা গত কয়েক দিনে সংঘটিত হয়েছে, যা মূলত পশ্চিমা দেশ ও ইরানের মধ্যবর্তী উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে ঘটেছে।
সংযুক্ত আরব আমিরতের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, হামলায় তিনজন নিহত হয়েছেন, যার মধ্যে একজন বাংলাদেশি। আহতদের মধ্যে বিভিন্ন দেশের নাগরিক রয়েছেন। সংযুক্ত আরব আমিরাত প্রায় ৫৪১টি ইরানি ড্রোন শনাক্ত করেছে এবং এদের মধ্যে ৫০৬টি ধ্বংস করার দাবি করেছে। হামলায় ব্যবহৃত ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোনের বেশির ভাগ ধ্বংস করা হয়েছে দেশটির এয়ারডিফেন্স দ্বারা।
কুয়েতে হামলার সময় কয়েকজন বাংলাদেশি শ্রমিক আহত হয়েছেন। আহতদের মধ্যে একজনকে স্থানীয় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে এবং অবস্থা স্থিতিশীল। এছাড়া কুয়েতে চার বাংলাদেশিকে আহত হিসেবে শনাক্ত করা হয়েছে, যাদের মধ্যে একজনের গুরুতর হাঁটুর আঘাত রয়েছে।
বাংলাদেশ সরকার প্রবাসী নাগরিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতি মনিটর করছে। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও শ্রম মন্ত্রণালয় প্রবাসী কর্মীদের নিরাপত্তা এবং প্রয়োজনে শরণার্থী আশ্রয়ের ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে কাজ করছে।
ইরানের এই হামলায় মধ্যপ্রাচ্যে সিভিলিয়ান এলাকা ও শ্রমিকরা ঝুঁকিতে পড়েছে। প্রবাসী বাংলাদেশিদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সরকারের পর্যবেক্ষণ অব্যাহত রয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন