বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড আজ গভীর সমুদ্রে বিশেষ অভিযান চালিয়ে ১৫ জন মানব পাচারকারীকে আটক করেছে এবং নারী, পুরুষ ও শিশুসহ ১৫৩ জনকে উদ্ধার করেছে। উদ্ধারকৃতরা মূলত মালয়েশিয়া যাওয়ার উদ্দেশ্যে সাগরপথে অপেক্ষা করছিল।
কোস্ট গার্ডের মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সাব্বির আলম সুজন জানিয়েছেন, অভিযানটি গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পরিচালিত হয়েছে। সেন্টমার্টিনের দক্ষিণ-পশ্চিম সংলগ্ন গভীর সমুদ্রে সন্দেহজনক একটি বোটে পাচারকারীদের অবস্থান ছিল। রাত প্রায় ৩টার দিকে কোস্ট গার্ডের জাহাজ ‘কামরুজ্জামান’ বোটটিকে থামার সংকেত দেয়। বোটটি পালানোর চেষ্টা করলে ধাওয়া করে আটকের ব্যবস্থা নেওয়া হয়।
তল্লাশির পর জানা যায়, বোটে থাকা ১৫৩ জনকে মানব পাচারের উদ্দেশ্যে রাখা হয়েছিল, যার মধ্যে নারী ও শিশুদেরও অন্তর্ভুক্ত ছিল। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে উদ্ধারকৃতরা জানিয়েছেন যে পাচার চক্রগুলো উন্নত জীবনযাপন, উচ্চ বেতন ও কম খরচে বিদেশ যাত্রার প্রলোভন দেখিয়ে মানুষদের টেকনাফসহ বিভিন্ন এলাকা থেকে মালয়েশিয়া পাঠানোর চেষ্টা করছিল।
কোস্ট গার্ড জানিয়েছে, উদ্ধারকৃতদের নিরাপদ স্থানে রাখা হয়েছে এবং পরিচয় যাচাই ও আইনি প্রক্রিয়া দ্রুত সম্পন্ন করার ব্যবস্থা করা হচ্ছে। আটককৃত পাচারকারীদের বিরুদ্ধে মানবপাচার দমন ও প্রতিরোধ আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
উল্লেখ্য, এটি কোস্ট গার্ডের মানবপাচার প্রতিরোধ অভিযানের ধারাবাহিকতা। এর আগে ফেব্রুয়ারিতে টেকনাফের বাহারছড়া এলাকায় পৃথক অভিযানে নারী-শিশুসহ বহু মানুষকে উদ্ধার ও পাচারকারীদের আটক করা হয়েছিল। এই অভিযান প্রমাণ করে যে দেশের উপকূলীয় এলাকায় মানব পাচার চক্রগুলো গোপনে কার্যক্রম চালাচ্ছে এবং গোয়েন্দা-ভিত্তিক অভিযানই তাদের প্রতিরোধে কার্যকর ভূমিকা রাখছে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০১ মার্চ ২০২৬
বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড আজ গভীর সমুদ্রে বিশেষ অভিযান চালিয়ে ১৫ জন মানব পাচারকারীকে আটক করেছে এবং নারী, পুরুষ ও শিশুসহ ১৫৩ জনকে উদ্ধার করেছে। উদ্ধারকৃতরা মূলত মালয়েশিয়া যাওয়ার উদ্দেশ্যে সাগরপথে অপেক্ষা করছিল।
কোস্ট গার্ডের মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সাব্বির আলম সুজন জানিয়েছেন, অভিযানটি গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পরিচালিত হয়েছে। সেন্টমার্টিনের দক্ষিণ-পশ্চিম সংলগ্ন গভীর সমুদ্রে সন্দেহজনক একটি বোটে পাচারকারীদের অবস্থান ছিল। রাত প্রায় ৩টার দিকে কোস্ট গার্ডের জাহাজ ‘কামরুজ্জামান’ বোটটিকে থামার সংকেত দেয়। বোটটি পালানোর চেষ্টা করলে ধাওয়া করে আটকের ব্যবস্থা নেওয়া হয়।
তল্লাশির পর জানা যায়, বোটে থাকা ১৫৩ জনকে মানব পাচারের উদ্দেশ্যে রাখা হয়েছিল, যার মধ্যে নারী ও শিশুদেরও অন্তর্ভুক্ত ছিল। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে উদ্ধারকৃতরা জানিয়েছেন যে পাচার চক্রগুলো উন্নত জীবনযাপন, উচ্চ বেতন ও কম খরচে বিদেশ যাত্রার প্রলোভন দেখিয়ে মানুষদের টেকনাফসহ বিভিন্ন এলাকা থেকে মালয়েশিয়া পাঠানোর চেষ্টা করছিল।
কোস্ট গার্ড জানিয়েছে, উদ্ধারকৃতদের নিরাপদ স্থানে রাখা হয়েছে এবং পরিচয় যাচাই ও আইনি প্রক্রিয়া দ্রুত সম্পন্ন করার ব্যবস্থা করা হচ্ছে। আটককৃত পাচারকারীদের বিরুদ্ধে মানবপাচার দমন ও প্রতিরোধ আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
উল্লেখ্য, এটি কোস্ট গার্ডের মানবপাচার প্রতিরোধ অভিযানের ধারাবাহিকতা। এর আগে ফেব্রুয়ারিতে টেকনাফের বাহারছড়া এলাকায় পৃথক অভিযানে নারী-শিশুসহ বহু মানুষকে উদ্ধার ও পাচারকারীদের আটক করা হয়েছিল। এই অভিযান প্রমাণ করে যে দেশের উপকূলীয় এলাকায় মানব পাচার চক্রগুলো গোপনে কার্যক্রম চালাচ্ছে এবং গোয়েন্দা-ভিত্তিক অভিযানই তাদের প্রতিরোধে কার্যকর ভূমিকা রাখছে।

আপনার মতামত লিখুন