ঢাকা    শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ

ধূমপান নিয়ন্ত্রণ আইনের একটি ধারার বৈধতা প্রশ্নে হাইকোর্টের রুল


নিজস্ব প্রতিবেদন
নিজস্ব প্রতিবেদন
প্রকাশ : ০১ মার্চ ২০২৬

ধূমপান নিয়ন্ত্রণ আইনের একটি ধারার বৈধতা প্রশ্নে হাইকোর্টের রুল

দেশের হাইকোর্ট বিভাগ ধূমপান ও তামাকজাত দ্রব্য ব্যবহার (নিয়ন্ত্রণ) আইন, ২০০৫‑এর ধারা ৬(গ)‑এর সাংবিধানিক বৈধতা নিয়ে একটি রুল জারি করেছে। রুলে সংশ্লিষ্ট সরকারি বিভাগ ও কর্তৃপক্ষকে জানাতে বলা হয়েছে কেন এই ধারা অসংবিধানিক/অবৈধ ঘোষণা করা যাবে না। আদালত শুনানি শেষে এই ধারার বৈধতা নিয়ে যুক্তিসহ ব্যাখ্যা চাইবে।

আইনের এই ধারা ই‑সিগারেট, ভ্যাপ ও অন্যান্য “ইমার্জিং” তামাকজাত পণ্য‑এর উৎপাদন, আমদানি, ব্যবস্থাপনা, বিক্রয় ও বিপণন সম্পূর্ণভাবে নিষিদ্ধ করে। রিটকারীদের পক্ষে অভিযোগ ছিল, এই ধারা ব্যবসায়ী ও ব্যক্তিগত স্বাধীনতা, বাণিজ্যিক অধিকারসহ অন্যান্য মৌলিক অধিকারে প্রভাব ফেলতে পারে।

রুলে আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল‑এর জবাব সরবরাহের পাশাপাশি দেশে ইতোমধ্যেই বাজারে আসা ভ্যাপ বা ই‑সিগারেট জব্দ বা বাজেয়াপ্ত না করারও নির্দেশনা দিয়েছেন, যতক্ষণ পর্যন্ত বিষয়টি আইনগতভাবে পরিষ্কার না হয়।

আইনটি ২০০৫ সালে পাশ হলেও, সাম্প্রতিক সময়ের তামাক নিয়ন্ত্রণ সংশোধনী (Smoking and Tobacco Products Usage (Control) (Amendment) Ordinance, 2025) অনুযায়ী ই‑সিগারেট, হিটেড টোব্যাকো ও নিকোটিন পাউচসহ সব ধরণের আধুনিক তামাকজাত পণ্যও তামাক নিয়ন্ত্রণ আইনের আওতায় নেওয়া হয়েছে এবং তাদের উপর নিষেধাজ্ঞা ও কঠোর শাস্তি বিধান করা হয়েছে।

এ রুলের মাধ্যমে আদালত আইনের প্রয়োগযোগ্যতা, মৌলিক অধিকার ও জনস্বাস্থ্যের ভারসাম্য নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ প্রেক্ষাপট তৈরি করবে। শুনানি ও রায়ের পরবর্তী ফলাফল এটি দেশের তামাক নিয়ন্ত্রণ নীতিতে আরও পরিষ্কার দিকনির্দেশনা দেবে বলে মনে করা হচ্ছে।

আপনার মতামত লিখুন

দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬


ধূমপান নিয়ন্ত্রণ আইনের একটি ধারার বৈধতা প্রশ্নে হাইকোর্টের রুল

প্রকাশের তারিখ : ০১ মার্চ ২০২৬

featured Image

দেশের হাইকোর্ট বিভাগ ধূমপান ও তামাকজাত দ্রব্য ব্যবহার (নিয়ন্ত্রণ) আইন, ২০০৫‑এর ধারা ৬(গ)‑এর সাংবিধানিক বৈধতা নিয়ে একটি রুল জারি করেছে। রুলে সংশ্লিষ্ট সরকারি বিভাগ ও কর্তৃপক্ষকে জানাতে বলা হয়েছে কেন এই ধারা অসংবিধানিক/অবৈধ ঘোষণা করা যাবে না। আদালত শুনানি শেষে এই ধারার বৈধতা নিয়ে যুক্তিসহ ব্যাখ্যা চাইবে।

আইনের এই ধারা ই‑সিগারেট, ভ্যাপ ও অন্যান্য “ইমার্জিং” তামাকজাত পণ্য‑এর উৎপাদন, আমদানি, ব্যবস্থাপনা, বিক্রয় ও বিপণন সম্পূর্ণভাবে নিষিদ্ধ করে। রিটকারীদের পক্ষে অভিযোগ ছিল, এই ধারা ব্যবসায়ী ও ব্যক্তিগত স্বাধীনতা, বাণিজ্যিক অধিকারসহ অন্যান্য মৌলিক অধিকারে প্রভাব ফেলতে পারে।

রুলে আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল‑এর জবাব সরবরাহের পাশাপাশি দেশে ইতোমধ্যেই বাজারে আসা ভ্যাপ বা ই‑সিগারেট জব্দ বা বাজেয়াপ্ত না করারও নির্দেশনা দিয়েছেন, যতক্ষণ পর্যন্ত বিষয়টি আইনগতভাবে পরিষ্কার না হয়।

আইনটি ২০০৫ সালে পাশ হলেও, সাম্প্রতিক সময়ের তামাক নিয়ন্ত্রণ সংশোধনী (Smoking and Tobacco Products Usage (Control) (Amendment) Ordinance, 2025) অনুযায়ী ই‑সিগারেট, হিটেড টোব্যাকো ও নিকোটিন পাউচসহ সব ধরণের আধুনিক তামাকজাত পণ্যও তামাক নিয়ন্ত্রণ আইনের আওতায় নেওয়া হয়েছে এবং তাদের উপর নিষেধাজ্ঞা ও কঠোর শাস্তি বিধান করা হয়েছে।

এ রুলের মাধ্যমে আদালত আইনের প্রয়োগযোগ্যতা, মৌলিক অধিকার ও জনস্বাস্থ্যের ভারসাম্য নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ প্রেক্ষাপট তৈরি করবে। শুনানি ও রায়ের পরবর্তী ফলাফল এটি দেশের তামাক নিয়ন্ত্রণ নীতিতে আরও পরিষ্কার দিকনির্দেশনা দেবে বলে মনে করা হচ্ছে।


দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ

সম্পাদক ও প্রকাশক: মোঃ ফয়সাল আলম , মোবাইল- ০১৯১৬৫৫৭০১৭
  প্রধান সম্পাদক: মো: আতাউর রহমান, মোবাইল: ০২৪১০৯১৭৩০

কপিরাইট © ২০২৫ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ