ঢাকা    শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ

‘ভারতীয় হাইকমিশনারকে বলেছি, সীমান্ত হত্যা যেন আর শুনতে না হয়’


নিজস্ব প্রতিবেদন
নিজস্ব প্রতিবেদন
প্রকাশ : ০১ মার্চ ২০২৬

‘ভারতীয় হাইকমিশনারকে বলেছি, সীমান্ত হত্যা যেন আর শুনতে না হয়’

বাংলাদেশ–ভারত সীমান্তে হত্যা সংক্রান্ত ঘটনা বন্ধ করার জন্য স্পষ্ট বার্তা দিয়েছেন বাংলাদেশি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। তিনি ঢাকায় ভারতীয় হাইকমিশনার প্রণয় কুমার ভার্মা‑কে বলেন, “সীমান্ত হত্যা যেন আর শুনতে না হয়।”

মন্ত্রী সাংবাদিকদের জানান, এই ধরনের ঘটনা পুনরায় না ঘটে তা নিশ্চিত করতে দুই দেশের সীমান্ত রক্ষী বাহিনী এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের মধ্যে নিয়মিত সমন্বয় এবং বৈঠক প্রয়োজন। তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন যে উভয় দেশের যৌথ প্রচেষ্টায় সীমান্ত হত্যার পুনরাবৃত্তি রোধ করা সম্ভব হবে।

বাংলাদেশের সরকার দীর্ঘদিন ধরে সীমান্ত হত্যা সংক্রান্ত ঘটনার তদন্ত এবং দোষীদের আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়ে আসছে। গত বছরও ঢাকার পক্ষ থেকে ভারতের প্রতি নোট দেওয়া হয়েছিল এবং পুনরাবৃত্তি রোধের জন্য সুস্পষ্ট নির্দেশনা চাওয়া হয়েছিল।

সীমান্তে ঘটছে এমন হত্যাকাণ্ডের পটভূমিতে মানবাধিকার সংস্থাগুলো উদ্বেগ প্রকাশ করে আসছে। গত কয়েক বছরে ভারতের বর্ডার সিকিউরিটি ফোর্স (BSF)‑এর গুলিতে বহু বাংলাদেশি নাগরিক নিহত হয়েছেন। এ কারণে সীমান্ত হত্যার বিষয়টি কূটনৈতিক আলোচনার প্রধান ইস্যু হয়ে দাঁড়িয়েছে।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর মন্তব্যের মাধ্যমে স্পষ্ট হয়েছে যে বাংলাদেশ সরকার সীমান্ত হত্যা নিয়ে আন্তরিক এবং ভারতের সঙ্গে সমন্বয় বজায় রেখে সমস্যার স্থায়ী সমাধান করতে চাচ্ছে। এই পদক্ষেপ দুই দেশের মধ্যে শান্তি, নিরাপত্তা এবং আন্তর্জাতিক মানবাধিকার প্রোটোকল রক্ষা করার প্রচেষ্টার অংশ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

আপনার মতামত লিখুন

দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬


‘ভারতীয় হাইকমিশনারকে বলেছি, সীমান্ত হত্যা যেন আর শুনতে না হয়’

প্রকাশের তারিখ : ০১ মার্চ ২০২৬

featured Image

বাংলাদেশ–ভারত সীমান্তে হত্যা সংক্রান্ত ঘটনা বন্ধ করার জন্য স্পষ্ট বার্তা দিয়েছেন বাংলাদেশি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। তিনি ঢাকায় ভারতীয় হাইকমিশনার প্রণয় কুমার ভার্মা‑কে বলেন, “সীমান্ত হত্যা যেন আর শুনতে না হয়।”

মন্ত্রী সাংবাদিকদের জানান, এই ধরনের ঘটনা পুনরায় না ঘটে তা নিশ্চিত করতে দুই দেশের সীমান্ত রক্ষী বাহিনী এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের মধ্যে নিয়মিত সমন্বয় এবং বৈঠক প্রয়োজন। তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন যে উভয় দেশের যৌথ প্রচেষ্টায় সীমান্ত হত্যার পুনরাবৃত্তি রোধ করা সম্ভব হবে।

বাংলাদেশের সরকার দীর্ঘদিন ধরে সীমান্ত হত্যা সংক্রান্ত ঘটনার তদন্ত এবং দোষীদের আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়ে আসছে। গত বছরও ঢাকার পক্ষ থেকে ভারতের প্রতি নোট দেওয়া হয়েছিল এবং পুনরাবৃত্তি রোধের জন্য সুস্পষ্ট নির্দেশনা চাওয়া হয়েছিল।

সীমান্তে ঘটছে এমন হত্যাকাণ্ডের পটভূমিতে মানবাধিকার সংস্থাগুলো উদ্বেগ প্রকাশ করে আসছে। গত কয়েক বছরে ভারতের বর্ডার সিকিউরিটি ফোর্স (BSF)‑এর গুলিতে বহু বাংলাদেশি নাগরিক নিহত হয়েছেন। এ কারণে সীমান্ত হত্যার বিষয়টি কূটনৈতিক আলোচনার প্রধান ইস্যু হয়ে দাঁড়িয়েছে।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর মন্তব্যের মাধ্যমে স্পষ্ট হয়েছে যে বাংলাদেশ সরকার সীমান্ত হত্যা নিয়ে আন্তরিক এবং ভারতের সঙ্গে সমন্বয় বজায় রেখে সমস্যার স্থায়ী সমাধান করতে চাচ্ছে। এই পদক্ষেপ দুই দেশের মধ্যে শান্তি, নিরাপত্তা এবং আন্তর্জাতিক মানবাধিকার প্রোটোকল রক্ষা করার প্রচেষ্টার অংশ হিসেবে দেখা হচ্ছে।


দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ

সম্পাদক ও প্রকাশক: মোঃ ফয়সাল আলম , মোবাইল- ০১৯১৬৫৫৭০১৭
  প্রধান সম্পাদক: মো: আতাউর রহমান, মোবাইল: ০২৪১০৯১৭৩০

কপিরাইট © ২০২৫ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ