অপহরণ, ধর্ষণ ও নারী নির্যাতন করার অভিযোগে দায়ের করা মামলায় কণ্ঠশিল্পী মাইনুল আহসান নোবেলের বিরুদ্ধে আদালতে চার্জশিট (অভিযোগপত্র) দাখিল করা হয়েছে। ডেমরা থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মুরাদ হোসেন গত ২৯ নভেম্বর ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট (সিএমএম) আদালতে এই অভিযোগপত্র জমা দেন।
সোমবার (১৫ ডিসেম্বর) নারী ও শিশু নির্যাতন দমন প্রসিকিউশন বিভাগের উপপরিদর্শক (এসআই) ইলামনি বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। আদালত সূত্র জানিয়েছে, আগামী ২৮ ডিসেম্বর অভিযোগপত্রটি উপস্থাপন করা হবে। বর্তমানে এই মামলায় নোবেল জামিনে রয়েছেন।
অভিযোগের নথি অনুযায়ী, নোবেল বাদীর বসতঘরে আটকে রেখে তাঁকে ধর্ষণ করেন এবং এই ঘটনার ভিডিও মোবাইল ফোনে ধারণ করেন। ভুক্তভোগী তাঁর কথামতো না চললে ভিডিওটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়ার হুমকি দিতেন। এছাড়া নেশাগ্রস্ত অবস্থায় নোবেল বিভিন্ন সময় বাদীকে মারধর করতেন বলেও অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।
চার্জশিটে আরও বলা হয়, মোহাম্মদপুরে ভাড়া থাকাকালে ২০১৮ সালে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে একজন ইডেন শিক্ষার্থীর সঙ্গে নোবেলের পরিচয় হয়। গত বছরের ১২ নভেম্বর তিনি বাদীকে স্টুডিও দেখানোর কথা বলে ডেমরা এলাকার নিজের বাসায় নিয়ে যান। বাদী সেখান থেকে বের হতে চাইলে নোবেল ও আরও দুই-তিনজন মিলে তাঁকে আটকে রাখেন এবং তাঁর মোবাইল ফোনটি নিয়ে নেন। পরিবারের সঙ্গে কথা বলার চেষ্টা করলে ২৬ হাজার টাকা দামের ফোনটি ভেঙে ফেলেন নোবেল।
সেদিনই (১২ নভেম্বর) নোবেল গ্রেপ্তার হন এবং আদালত তাঁর জামিন নামঞ্জুর করেন। পরে কারামুক্ত হতে নোবেল ওই তরুণীকে বিয়ের সিদ্ধান্ত নেন। আদালতের অনুমতি নিয়ে ২০ জুন কেরানীগঞ্জ কেন্দ্রীয় কারাগারে তাঁদের বিয়ে সম্পন্ন হয়। কাবিন ধার্য করা হয় ১০ লাখ টাকা। বিয়ের চার দিন পর তিনি জামিনে মুক্তি লাভ করেন।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৫ ডিসেম্বর ২০২৫
অপহরণ, ধর্ষণ ও নারী নির্যাতন করার অভিযোগে দায়ের করা মামলায় কণ্ঠশিল্পী মাইনুল আহসান নোবেলের বিরুদ্ধে আদালতে চার্জশিট (অভিযোগপত্র) দাখিল করা হয়েছে। ডেমরা থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মুরাদ হোসেন গত ২৯ নভেম্বর ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট (সিএমএম) আদালতে এই অভিযোগপত্র জমা দেন।
সোমবার (১৫ ডিসেম্বর) নারী ও শিশু নির্যাতন দমন প্রসিকিউশন বিভাগের উপপরিদর্শক (এসআই) ইলামনি বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। আদালত সূত্র জানিয়েছে, আগামী ২৮ ডিসেম্বর অভিযোগপত্রটি উপস্থাপন করা হবে। বর্তমানে এই মামলায় নোবেল জামিনে রয়েছেন।
অভিযোগের নথি অনুযায়ী, নোবেল বাদীর বসতঘরে আটকে রেখে তাঁকে ধর্ষণ করেন এবং এই ঘটনার ভিডিও মোবাইল ফোনে ধারণ করেন। ভুক্তভোগী তাঁর কথামতো না চললে ভিডিওটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়ার হুমকি দিতেন। এছাড়া নেশাগ্রস্ত অবস্থায় নোবেল বিভিন্ন সময় বাদীকে মারধর করতেন বলেও অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।
চার্জশিটে আরও বলা হয়, মোহাম্মদপুরে ভাড়া থাকাকালে ২০১৮ সালে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে একজন ইডেন শিক্ষার্থীর সঙ্গে নোবেলের পরিচয় হয়। গত বছরের ১২ নভেম্বর তিনি বাদীকে স্টুডিও দেখানোর কথা বলে ডেমরা এলাকার নিজের বাসায় নিয়ে যান। বাদী সেখান থেকে বের হতে চাইলে নোবেল ও আরও দুই-তিনজন মিলে তাঁকে আটকে রাখেন এবং তাঁর মোবাইল ফোনটি নিয়ে নেন। পরিবারের সঙ্গে কথা বলার চেষ্টা করলে ২৬ হাজার টাকা দামের ফোনটি ভেঙে ফেলেন নোবেল।
সেদিনই (১২ নভেম্বর) নোবেল গ্রেপ্তার হন এবং আদালত তাঁর জামিন নামঞ্জুর করেন। পরে কারামুক্ত হতে নোবেল ওই তরুণীকে বিয়ের সিদ্ধান্ত নেন। আদালতের অনুমতি নিয়ে ২০ জুন কেরানীগঞ্জ কেন্দ্রীয় কারাগারে তাঁদের বিয়ে সম্পন্ন হয়। কাবিন ধার্য করা হয় ১০ লাখ টাকা। বিয়ের চার দিন পর তিনি জামিনে মুক্তি লাভ করেন।

আপনার মতামত লিখুন