পবিত্র রমজান মাসের প্রথম ১০ দিনে সৌদি আরবের মক্কার মসজিদুল হারাম ও মদিনার মসজিদে নববীতে ৩ কোটি ১৯ লাখ ৫০ হাজার মুসল্লি ও ওমরাহ পালনকারী উপস্থিত হয়েছেন। আজ রবিবার (১ মার্চ) দুই পবিত্র মসজিদের বিষয়ক জেনারেল প্রেসিডেন্সি হিজরি ১৪৪৭ সনের রমজানের প্রথম দশকের এই পরিসংখ্যান প্রকাশ করেছে।
কর্তৃপক্ষের তথ্যমতে, রমজানের শুরু থেকেই মক্কার গ্র্যান্ড মসজিদ এবং মদিনার মসজিদে নববী তাদের পূর্ণ সক্ষমতা নিয়ে পরিচালিত হচ্ছে। বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসা বিপুলসংখ্যক ওমরাহ যাত্রী ও নামাজিদের ভিড় সামলাতে এবং তাঁদের ইবাদত নির্বিঘ্ন করতে বিশেষ নিরাপত্তা ও সেবামূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।
বিপুল এই জনস্রোত সামাল দিতে কাজ করছেন হাজার হাজার পরিচ্ছন্নতা কর্মী, স্বেচ্ছাসেবক ও নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্য। বিশেষ করে মুসল্লিদের প্রবেশ ও প্রস্থান সহজ করা, নামাজের স্থানগুলো সার্বক্ষণিক পরিষ্কার রাখা এবং পর্যাপ্ত জমজম পানির সরবরাহ নিশ্চিত করতে সমন্বিত পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।
সাধারণত রমজানের শুরুর দিকে মুসল্লিদের উপস্থিতি ধারাবাহিকভাবে বাড়তে থাকে। তবে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা ধারণা করছেন, রমজানের শেষ দশকে—বিশেষ করে মহিমান্বিত রজনী ‘লাইলাতুল কদর’ অনুসন্ধানের রাতগুলোতে মুসল্লিদের এই ভিড় কয়েক গুণ বৃদ্ধি পাবে। সেই সম্ভাব্য চাপ মোকাবিলায় এখনই প্রস্তুতি জোরদার করেছে হারামাইন কর্তৃপক্ষ।
বর্তমানে মক্কা ও মদিনার পবিত্র দুই চত্বর বিশ্বের নানা দেশ থেকে আসা ধর্মপ্রাণ মুসলমানদের পদচারণায় এক অনন্য আধ্যাত্মিক আবহে মুখর হয়ে উঠেছে। যথাযথ ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যের মধ্য দিয়ে ওমরাহ ও তারাবিসহ অন্যান্য ইবাদত পালন করছেন আগতরা।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০১ মার্চ ২০২৬
পবিত্র রমজান মাসের প্রথম ১০ দিনে সৌদি আরবের মক্কার মসজিদুল হারাম ও মদিনার মসজিদে নববীতে ৩ কোটি ১৯ লাখ ৫০ হাজার মুসল্লি ও ওমরাহ পালনকারী উপস্থিত হয়েছেন। আজ রবিবার (১ মার্চ) দুই পবিত্র মসজিদের বিষয়ক জেনারেল প্রেসিডেন্সি হিজরি ১৪৪৭ সনের রমজানের প্রথম দশকের এই পরিসংখ্যান প্রকাশ করেছে।
কর্তৃপক্ষের তথ্যমতে, রমজানের শুরু থেকেই মক্কার গ্র্যান্ড মসজিদ এবং মদিনার মসজিদে নববী তাদের পূর্ণ সক্ষমতা নিয়ে পরিচালিত হচ্ছে। বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসা বিপুলসংখ্যক ওমরাহ যাত্রী ও নামাজিদের ভিড় সামলাতে এবং তাঁদের ইবাদত নির্বিঘ্ন করতে বিশেষ নিরাপত্তা ও সেবামূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।
বিপুল এই জনস্রোত সামাল দিতে কাজ করছেন হাজার হাজার পরিচ্ছন্নতা কর্মী, স্বেচ্ছাসেবক ও নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্য। বিশেষ করে মুসল্লিদের প্রবেশ ও প্রস্থান সহজ করা, নামাজের স্থানগুলো সার্বক্ষণিক পরিষ্কার রাখা এবং পর্যাপ্ত জমজম পানির সরবরাহ নিশ্চিত করতে সমন্বিত পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।
সাধারণত রমজানের শুরুর দিকে মুসল্লিদের উপস্থিতি ধারাবাহিকভাবে বাড়তে থাকে। তবে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা ধারণা করছেন, রমজানের শেষ দশকে—বিশেষ করে মহিমান্বিত রজনী ‘লাইলাতুল কদর’ অনুসন্ধানের রাতগুলোতে মুসল্লিদের এই ভিড় কয়েক গুণ বৃদ্ধি পাবে। সেই সম্ভাব্য চাপ মোকাবিলায় এখনই প্রস্তুতি জোরদার করেছে হারামাইন কর্তৃপক্ষ।
বর্তমানে মক্কা ও মদিনার পবিত্র দুই চত্বর বিশ্বের নানা দেশ থেকে আসা ধর্মপ্রাণ মুসলমানদের পদচারণায় এক অনন্য আধ্যাত্মিক আবহে মুখর হয়ে উঠেছে। যথাযথ ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যের মধ্য দিয়ে ওমরাহ ও তারাবিসহ অন্যান্য ইবাদত পালন করছেন আগতরা।

আপনার মতামত লিখুন