ইরানের বিরুদ্ধে সরাসরি এবং ‘বড় ধরনের যুদ্ধাভিযান’ শুরুর আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। আজ শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ‘ট্রুথ সোশ্যাল’-এ দেওয়া এক ভিডিও বার্তায় তিনি এই সামরিক পদক্ষেপের কথা নিশ্চিত করেন।
ভিডিও বার্তায় প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প অত্যন্ত কড়া ভাষায় জানান, যুক্তরাষ্ট্র ইতোমধ্যে ইরানের অভ্যন্তরে ব্যাপকভিত্তিক সামরিক অভিযান পরিচালনা করেছে। অভিযানের লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য স্পষ্ট করে তিনি বলেন, “আমরা বারবার একটি চুক্তিতে পৌঁছাতে চেয়েছিলাম এবং দীর্ঘ সময় চেষ্টা করেছি। কিন্তু এখন আমরা তাদের ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থা পুরোপুরি ধ্বংস করতে যাচ্ছি। ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র তৈরির কারখানাগুলো জ্বালিয়ে দেওয়া হবে এবং এগুলো সম্পূর্ণ নির্মূল না হওয়া পর্যন্ত অভিযান চলবে।”
আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, আজ শনিবার ভোর থেকেই তেহরানসহ ইরানের অন্তত ৩০টি গুরুত্বপূর্ণ ও কৌশলগত স্থাপনায় ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের যৌথ বিমান হামলা শুরু হয়। ট্রাম্পের এই ঘোষণার মাধ্যমে এটি স্পষ্ট হলো যে, ওয়াশিংটন কেবল সমর্থন নয়, বরং এই যুদ্ধে সরাসরি নেতৃত্ব দিচ্ছে। বিশেষ করে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র সক্ষমতা এবং সামরিক অবকাঠামো গুঁড়িয়ে দেওয়াই এই ‘অপারেশন’-এর মূল লক্ষ্য।
হোয়াইট হাউজ সূত্রে জানা গেছে, ইরানের পরমাণু কর্মসূচি এবং মধ্যপ্রাচ্যে দেশটির ক্রমবর্ধমান প্রভাব রুখতেই এই চরম সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তবে এই অভিযান কতদিন চলবে বা এর বিস্তৃতি কতদূর—সে বিষয়ে বিস্তারিত কিছু জানানো হয়নি। অন্যদিকে, ইরানের পক্ষ থেকে এই হামলার ‘বিধ্বংসী’ জবাব দেওয়ার হুঁশিয়ারি আসায় মধ্যপ্রাচ্যে একটি পূর্ণাঙ্গ ও দীর্ঘমেয়াদী আঞ্চলিক মহাযুদ্ধের আশঙ্কা তীব্রতর হচ্ছে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
ইরানের বিরুদ্ধে সরাসরি এবং ‘বড় ধরনের যুদ্ধাভিযান’ শুরুর আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। আজ শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ‘ট্রুথ সোশ্যাল’-এ দেওয়া এক ভিডিও বার্তায় তিনি এই সামরিক পদক্ষেপের কথা নিশ্চিত করেন।
ভিডিও বার্তায় প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প অত্যন্ত কড়া ভাষায় জানান, যুক্তরাষ্ট্র ইতোমধ্যে ইরানের অভ্যন্তরে ব্যাপকভিত্তিক সামরিক অভিযান পরিচালনা করেছে। অভিযানের লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য স্পষ্ট করে তিনি বলেন, “আমরা বারবার একটি চুক্তিতে পৌঁছাতে চেয়েছিলাম এবং দীর্ঘ সময় চেষ্টা করেছি। কিন্তু এখন আমরা তাদের ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থা পুরোপুরি ধ্বংস করতে যাচ্ছি। ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র তৈরির কারখানাগুলো জ্বালিয়ে দেওয়া হবে এবং এগুলো সম্পূর্ণ নির্মূল না হওয়া পর্যন্ত অভিযান চলবে।”
আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, আজ শনিবার ভোর থেকেই তেহরানসহ ইরানের অন্তত ৩০টি গুরুত্বপূর্ণ ও কৌশলগত স্থাপনায় ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের যৌথ বিমান হামলা শুরু হয়। ট্রাম্পের এই ঘোষণার মাধ্যমে এটি স্পষ্ট হলো যে, ওয়াশিংটন কেবল সমর্থন নয়, বরং এই যুদ্ধে সরাসরি নেতৃত্ব দিচ্ছে। বিশেষ করে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র সক্ষমতা এবং সামরিক অবকাঠামো গুঁড়িয়ে দেওয়াই এই ‘অপারেশন’-এর মূল লক্ষ্য।
হোয়াইট হাউজ সূত্রে জানা গেছে, ইরানের পরমাণু কর্মসূচি এবং মধ্যপ্রাচ্যে দেশটির ক্রমবর্ধমান প্রভাব রুখতেই এই চরম সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তবে এই অভিযান কতদিন চলবে বা এর বিস্তৃতি কতদূর—সে বিষয়ে বিস্তারিত কিছু জানানো হয়নি। অন্যদিকে, ইরানের পক্ষ থেকে এই হামলার ‘বিধ্বংসী’ জবাব দেওয়ার হুঁশিয়ারি আসায় মধ্যপ্রাচ্যে একটি পূর্ণাঙ্গ ও দীর্ঘমেয়াদী আঞ্চলিক মহাযুদ্ধের আশঙ্কা তীব্রতর হচ্ছে।

আপনার মতামত লিখুন